somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যপথিক শাইয়্যান
অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

বাংলাদেশে কোন 'জঙ্গী' নেই

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

'জং' শব্দটার অর্থ 'যুদ্ধ'। এভাবে, জঙ্গী কথাটার অর্থ দাঁড়ায় - যোদ্ধা বা যুদ্ধ করেন। যে কোন যুদ্ধই প্রাণহানি ডেকে আনে। আগের কালে, রাজারা যুদ্ধ করে দেশ জয় করতেন। তাঁদের অণ্যে যোদ্ধা তৈরি হতো।



আমি লক্ষ্য করে দেখেছি, আমাদের দেশের জমিদারদের রাজপ্রাসাদের পাশে কুঁড়েঘরের সংখ্যাই বেশি। জমিদাররা নিজেদের প্রয়োজনেই কি এই কুঁড়ে ঘরের বাসিন্দাদের যোদ্ধা বা জঙ্গী বানাতেন?

বাংলাদেশ ছোট্ট একটি দেশ। দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অগণিত। মানুষ গরিব, বেকারত্ব আছে, দুর্নীতি আছে। রাজনীতিবিদদের কেউ ভারতের দিকে তাকান, কেউ পাকিস্তানের দিকে; আর সাধারণ মানুষ তাকিয়ে থাকে বাজারের দামের দিকে - এসব খুব ভয়ংকর ব্যাপার!

জনগণের মাঝে দুর্নীতি করার প্রবণতা ঢুকে গিয়েছে। মা আর বোনের সম্পত্তি মেরে খাওয়াই জীবনের উদ্দেশ্য অনেক বাঙ্গালীর। এইভাবেই গড়ে উঠে আমাদের পারিবারিক অর্থনীতি। ভাই-বোনের মধ্যে সম্পত্তি ভাগাভাগি হওয়ার কথা, কিন্তু কোথাও কোথাও দেখা যায় - ভাই বলছে, “বোন তো আপন মানুষ, তার জমিটা আপাতত আমার কাছেই থাক।” বোনও ভাবে, “ভাই তো আপন মানুষ, টাকা ফেরত দেবে।” এই ‘আপন মানুষ’ শব্দটির আড়ালেই কখনো কখনো তৈরি হয় বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে দীর্ঘ মামলা!

অন্যের টাকা মেরে দেওয়া এখানকার মানুষের স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘুষ নেওয়া, প্রতারণা - এসব নিয়ে আমরা এত ব্যস্ত যে, জঙ্গি হওয়ার সময় কোথায়?

আমাদের সমাজে কেউ মানুষের টাকা মেরে ব্যাংকার হয়, কেউ দুর্নীতি করে নেতা হয়, কেউ আত্মীয়ের জমি মেরে সফল ব্যবসায়ী হয়। তাহলে জঙ্গি হতে গেলে আলাদা প্রশিক্ষণই বা কেন?

বঞ্চনা, উগ্র মতাদর্শ, রাজনৈতিক সংঘাত, দুর্বল প্রতিষ্ঠান ও অনলাইন/অফলাইন র‍্যাডিকালাইজেশনের সুযোগ মিলেই মানুষ খারাপ পথে যায়।

এরকম একটি দেশে জঙ্গী উৎপাদন কীভাবে সম্ভব!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৯
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতা প্রেমিকদের কলমে সময়ের বিবেক : বিশ্ব কবি রবিন্দ্র নাথ ঠাকুরের গ্রাফিতেতে কালী লেপন প্রসঙ্গ

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৩৪


যে কবির গানে ভোরের আকাশ জেগে ওঠে প্রতিদিন
যাঁর সুরে আজও অশ্রু ঝরে হাসে হৃদয় রঙিন
সেই রবীন্দ্রনাথের ছবির বুকে কালি মাখায় যারা
তারা কি জানে তাঁরই গানে বাঙালির প্রাণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৪১




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমাধি

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৩৯



ফুরিয়ে গেলেও ফিরে আসা যায় বটে
শুধু মানুষ ফুরিয়ে গেলেই ফেরে না মানুষ।
খুব কাছাকাছি আকাশ;
জানালা খুলে একদিন ছুঁয়ে টের পেলাম-
হায় কৃত্রিম আকাশ!
তাই তো কখনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

রঠার মুসলিম বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৮



রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর সংক্ষেপে রঠা এর ছোট গল্প "রীতিমত নভেল" এ রঠা মুসলমান শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করেছেন ‘যবন’। যবন অর্থ অসভ্য, ম্লেচ্ছ, অপবিত্র, বর্বর জাতি, যেকোনো বিদেশি ইত্যাদি ইত্যাদি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সন্ত্রাসী অধ্যাপক ড.ইউনূস!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬


গত সোমবার নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে হুইলচেয়ারে বের হওয়ার সময় অধ্যাপক ইউনূসকে হেনস্তা করার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে৷ এতে দেখা যায়, অধ্যাপক ইউনূসের দিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×