প্রত্যেক বিখ্যাত লেখকদের সবচেয়ে বড়
গুন হল তারা পাঠকের উপর ভর করেন।
ব্যাপারটা অনেকটা জ্বীনে ভর করার মত।
শক্তিশালী লেখকের লিখা পাঠকের
রক্তে প্রবেশ করে পাঠকের অন্তর, আত্না,
বিবেক নিয়ে নাড়াচারা করে। এহ্মেেএ
পাঠক বাধ্য হয়ে লিখা নিয়ে চিন্তা করে।
বিখ্যাত সব বই গুলি এই রকম আচরন করে। এই
ব্যাপার টাকে বলা হয় "সম্মোহন"
ইংরেজিতে যাকে বলে "HYPNOTISM"।
অামি ব্যক্তি গত ভাবে অনেক লেখক
দ্বারা সম্মোহিত হয়েছি যেমন: রবীঠাকুর,
কাজী নজরুল, সমরেশ বসু, সমরেশ মজুমদার,
সুনীল, ভীভুতিভূষন, র্নিমুলেন্দু, টমাস
হার্ডি, শেক্সপিয়ার, কোলরিডজ, শেলী
আরও অনেকে। সবচেয়ে বেশী
রবীন্দ্রনাথ দ্বারা।
আধুনিক গতিময় যুগে এত
বিনোদনের মাঝে, যখন মানুষ বই থেকে
অনেক দুরে, তখন লেখনির দ্বারা পাঠকের
উপর ভর করে এবং বিপুল পাঠক সৃষ্টি করেন
তিনি হূমায়ুন আহমেদ। তিনি অনেক বার
আমার উপর ভর করেছেন, তার "শঙ্খনীল
কারাগার" পড়ার সময় মনে হয়েছে চরিএ
গুলো আমার চারদিকে হাটাহাটি করছে,
জীবন্ত চরিএ, পড়ার সময় মনে হবে সবাই কে
আপনি চিনেন, অাবার চরিএগুলোর মধ্যে
নিজেকে খুজে পাওয়া যায়। কালজয়ী
লেখদের লিখার মধ্যে নিজেকে খুজে
পাওয়াটাই আসল রোমাঞ্চ। এই রোমাঞ্চ ও
চিরন্তন সত্য গুলো বই কে কালজয়ী করে
তুলে। আবার কিছু বই রহস্যে ভরা, এই রহস্যের
বেড়াজালে মানুষ আটকে যায়। লেখককে
বুঝার চেষ্টা করেন, লেখক এত সহজে ধরা
দিবেন না, এই রহস্যই কিছু লিখা কে
কালজয়ী করেছ।
ইদানিং হূমায়ুন আহমেদের একটি লিখা
আমাকে ভর করেছে। আমি বার বার
পরেছি, এইটার গান শুনেছি। হূমায়ুন আহমেদ
মাঝে মাঝে রহস্যময়.......
চাঁদনী পসরে কে আমারে স্মরণ করে
কে আইসা দাড়াইসে গো আমার দুয়ারে।
তাহারে চিনিনা আমি সে আমারে
চিনে।।
বাহিরে চাঁন্দের আলো ঘর অন্ধকার
খুলিয়া দিয়াছি ঘরের সকল দুয়ার।
তবু কেন সে আমার ঘরে আসেনা
সে আমারে চিনে কিন্তু আমি চিনিনা।।
সে আমারে ঠারে ঠারে ইশারায় কয়
এই চাঁদের রাইতে তোমার হইছে গো সময়।
ঘর ছাড়িয়া বাহির হও ধরো আমার হাত
তোমার জন্য আনছি গো আইজ চাঁন্দেরও
দাওয়া।।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০১৬ সকাল ৯:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




