somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রহস্য

১৮ ই জুন, ২০১৬ সকাল ৯:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রত্যেক বিখ্যাত লেখকদের সবচেয়ে বড়
গুন হল তারা পাঠকের উপর ভর করেন।
ব্যাপারটা অনেকটা জ্বীনে ভর করার মত।
শক্তিশালী লেখকের লিখা পাঠকের
রক্তে প্রবেশ করে পাঠকের অন্তর, আত্না,
বিবেক নিয়ে নাড়াচারা করে। এহ্মেেএ
পাঠক বাধ্য হয়ে লিখা নিয়ে চিন্তা করে।
বিখ্যাত সব বই গুলি এই রকম আচরন করে। এই
ব্যাপার টাকে বলা হয় "সম্মোহন"
ইংরেজিতে যাকে বলে "HYPNOTISM"।
অামি ব্যক্তি গত ভাবে অনেক লেখক
দ্বারা সম্মোহিত হয়েছি যেমন: রবীঠাকুর,
কাজী নজরুল, সমরেশ বসু, সমরেশ মজুমদার,
সুনীল, ভীভুতিভূষন, র্নিমুলেন্দু, টমাস
হার্ডি, শেক্সপিয়ার, কোলরিডজ, শেলী
আরও অনেকে। সবচেয়ে বেশী
রবীন্দ্রনাথ দ্বারা।
আধুনিক গতিময় যুগে এত
বিনোদনের মাঝে, যখন মানুষ বই থেকে
অনেক দুরে, তখন লেখনির দ্বারা পাঠকের
উপর ভর করে এবং বিপুল পাঠক সৃষ্টি করেন
তিনি হূমায়ুন আহমেদ। তিনি অনেক বার
আমার উপর ভর করেছেন, তার "শঙ্খনীল
কারাগার" পড়ার সময় মনে হয়েছে চরিএ
গুলো আমার চারদিকে হাটাহাটি করছে,
জীবন্ত চরিএ, পড়ার সময় মনে হবে সবাই কে
আপনি চিনেন, অাবার চরিএগুলোর মধ্যে
নিজেকে খুজে পাওয়া যায়। কালজয়ী
লেখদের লিখার মধ্যে নিজেকে খুজে
পাওয়াটাই আসল রোমাঞ্চ। এই রোমাঞ্চ ও
চিরন্তন সত্য গুলো বই কে কালজয়ী করে
তুলে। আবার কিছু বই রহস্যে ভরা, এই রহস্যের
বেড়াজালে মানুষ আটকে যায়। লেখককে
বুঝার চেষ্টা করেন, লেখক এত সহজে ধরা
দিবেন না, এই রহস্যই কিছু লিখা কে
কালজয়ী করেছ।
ইদানিং হূমায়ুন আহমেদের একটি লিখা
আমাকে ভর করেছে। আমি বার বার
পরেছি, এইটার গান শুনেছি। হূমায়ুন আহমেদ
মাঝে মাঝে রহস্যময়.......
চাঁদনী পসরে কে আমারে স্মরণ করে
কে আইসা দাড়াইসে গো আমার দুয়ারে।
তাহারে চিনিনা আমি সে আমারে
চিনে।।
বাহিরে চাঁন্দের আলো ঘর অন্ধকার
খুলিয়া দিয়াছি ঘরের সকল দুয়ার।
তবু কেন সে আমার ঘরে আসেনা
সে আমারে চিনে কিন্তু আমি চিনিনা।।
সে আমারে ঠারে ঠারে ইশারায় কয়
এই চাঁদের রাইতে তোমার হইছে গো সময়।
ঘর ছাড়িয়া বাহির হও ধরো আমার হাত
তোমার জন্য আনছি গো আইজ চাঁন্দেরও
দাওয়া।।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০১৬ সকাল ৯:২৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একাত্তরের আগের আর পরের জামাত এখনও এক

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ০২ রা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮


গোলাম পরওয়ার বলেছে একাত্তরের জামাত আর বর্তমান জামাত এক নয়। অথচ এক। স্বাধীনতার আগের জামাত আর পরের জামাত একই রকম।
একাত্তরের আগে জামাত পাকিস্তানের গো% চাটতো এখনও তাই চাটে। তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সোনার ধানে নোনা জল

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ১:১২



হঠাৎ একটা তীক্ষ্ণ শব্দে রেদোয়ানের ঘুম ভাঙল। না, কোনো স্বপ্ন নয়; মেঘের ডাক আর টিনের চালে বৃষ্টির উন্মত্ত তান্ডব। বিছানা ছেড়ে দরজায় এসে দাঁড়াতেই এক ঝলক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরহুম ওসমান হাদীর কারণে কবি নজরুলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯


ইনকিলাব মঞ্চের জাবের সাহেব মাইকের সামনে দাড়িয়ে যখন বললেন , শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের উসিলায় নাকি এদেশের মানুষ আজ কবি নজরুলের মাজার চিনতে পারছে, তখন মনে হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের শিক্ষা - ১

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ৯:২৬



সমাজ আমাদের বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা করে। কখনো ধন-সম্পদ দিয়ে, আবার কখনোবা কপর্দকশূন্যতা দিয়েও! সমাজের এই পরীক্ষায় কেউ জিতেন, আবার কেউবা পুরোপুরি পর্যুদস্ত হয়ে বিদায় নেন এই ধরাধাম থেকে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিষন্ন মেঘের ভেলায় ভেসে....

লিখেছেন ইন্দ্রনীলা, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯



তোমাকে শুধু একটাবার বড় দেখতে ইচ্ছা করে...
এই ইচ্ছায় আমি হয়ে যাই একটা ঘাসফড়িং
কিংবা আসন্ন শীতের লাল ঝরাপাতা,
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে...
অজানায়...

শরতের কাঁশফুলের পেঁজা তুলো হয়ে
ফুঁড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×