
এই প্রজেক্ট নিয়ে প্রাচীনকাল থেকে কাজ করা হয়েছে, বিভিন্ন কালচার ব্যাপী বিভিন্ন ধ্যান,সন্ন্যাসী বিভিন্ন ভাবে ব্যাখ্যা করে বুঝতে চেয়েছেন;মানুষের জীবনকে হয়তো ভালোর দিকে নিতে চেয়েছেন।এ দিক থেকে গৌতম বুদ্ধের দর্শন বহুল প্রচলিত হয়ে ধর্মে রুপ নিয়েছে; অনুসারী সাধ্যমত বুদ্ধের টেকনিকস ফলো করে ভালো থাকতে চায়। কিছু দিন আগে এক বুদ্ধমন্দিরে গিয়েছিলাম, সোনায় মোড়ানো বুদ্ধ,কড়া সিকিউরিটি।ঐখানকার ছোট ছোট বাচ্চাগুলোকে দেখলাম একটু ভালোখাবারের জন্য অসাধু উপায় অবলম্বন করতে করতে ধ্যানে বসে।
এ যুগে এসে সায়েন্স-টেকনোলজীর খপ্পরে পড়ে ভেতরকার ভয়েসের বিভিন্ন ব্যাখ্যা দাড়া হয়েছে বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায়; আমাদের গরীব লালনও গান গেয়েছে এ নিয়ে ' তোমার ঘরে বসত করে কয় জনা '। আপনি নিজের ভয়েসকে সবসময় পাত্তা দেন? ভেতরে কয়টা ভয়েস বাস করে; কেউ কেউ বলে ২/৩ ভয়েস এটেনশনের জন্য যুদ্ধ করে, আবার কেউ বলে তিনি নাকি কোনো ভয়েসই শুনতে পান না। এই ব্যস্ত সভ্যতায় আপনি নিজের ভয়েস শুনতে পান বা শোনার জন্য কোয়ান্টাম মেথডের আশ্রয় নেন?
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০২৪ বিকাল ৫:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




