তাহার নাম জামাল উদ্দীন কিন্তু সবাই তাকে জামাল বলে ডাকে, সে এবার মাত্র ক্লাস সেভেন এ পরছে। গায়ের রঙ শ্যামলা লম্বা মাথার চুল, উচ্চতায় খুব বেশি না হলেও কেউ তাহাকে বেটে বলতে পারবে না। আজ বুধবার জামাল এর কেন যেন ঘুম ভাংছে না। হঠাত রুম এর দরজাই কে যেন ডাকাডাকি করছে। জামাল দরজা খুলে দেখে তার মা মিসেস জাহানারা বেগম দাড়িয়ে আছেন এবং তিনি কিছু না বলে চলে গেলেন।জামাল এর আর বুঝতে বাকি রইল না যে সে অনেক বেশী দেরি করে ফেলেছে, তার স্কুল যাবার সময় হয়ে গেছে তাই আর দেড়ি না করে জামাল টুথ ব্রাশটি নিয়ে বাথ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে সামান্য নাস্তা খেয়ে তার ছোট লাল বাই সাইকেলটি নিয়ে স্কুলে যায় ।স্কুলে পৌচ্ছার পর তখনও ক্লাস শুরুর ১০ মিনিট বাকি তাই মাঠে বসে যথারিথী বন্ধুদের সাথে আড্ডা,আড্ডা যেন থামছে না এমন সময় জামালের দৃষ্টি যায় স্কুলের প্রধান গেটের দিকে,জামাল যেন কিছুতেই দৃষ্টি ফেরাতে পারছে না, সে যেন কথাও নিজেকে হারিয়ে ফেলেছে।সে সপ্নিল আবেশে তাকিয়ে আছে সেই মিয়েটির দিকে,শুধু বুঝতে পারছে আজ তার ভালবাসা জাগ্রত হয়ে উঠেছে, কিন্তু কে এই মিয়েটি কি বা তার পরিচয় এসব কিছু বুঝে উঠার আগেই ক্লাস শুরুর ঘন্টাটি বেঝে উঠল ।তাই কাউকে কিছু বলার আগেই তাকে ক্লাসে যেতে হল ।
দুঃখিত এইটি অসমাপ্ত...সময় পেলে শেষ করবো । অপেক্ষা করেন।
অনেক চমক আপনার জন্য অপেক্ষা করছে......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


