একটু একটু করে বস্ত্রহরণ হয় স্বপ্নকেলীর
পূর্বনির্ধারিত গণিতে ভেসে যায় দুপুরের ঘুম
মেঘবালিকার ডানায় কান্ত সুর্যাস্তের চুম
শীতার্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ায় নাগরিক মানবিক দল
খুব কাছাকাছি, পরম আত্মীয়ের মত
দূরে সরে যায় একাকী অন্ধকার একাকী দু:স্বপ্ন আছে যত
তারপর নৈকট্য থেকে দূরে তাপমান যন্ত্রে নেমে আসে স্মৃতির পারদ
নতুন গ্রীষ্মে দেখা দেয় নিত্যনতুন স্বপ্নের আপদ
কুয়াশা ঢাকা পথে আমি ফেরী করে বেড়াই জীবনের পিঠা
সম্পর্ক জালে আচ্ছাদিত দূরহ ভালোবাসার আঠা
এরপর সেটিও হারিয়ে যায় নতুন বসন্ত এলে
নেচে ওঠে অচেনা নর্তকী অচেনা মূর্ছনার ছলে
সামন্তবাদী দেয়ালে প্রতিফলিত হয় মেঠোপথের ঝংকার
উড়ে যায় দূর পরবাসে দীঘল মেঘের ওংকার
ভোরের বাগানে প্রস্তুত হয় বাঁধাকপির সারি
উৎসর্গী আত্মত্যাগে নীল আকাশের ঘুড়ি
এরপর, সবগুলো নৈ:শব্দ মিলে তৈরী হয় অনির্বাণ নিশ্চিতি
আকাঙ্খিত নিশ্চয়তায় ভাঙ্গনের অমল অবস্থিতি
এরপর থাকে না কিছুই, থাকে না স্পষ্ট কোন ছবি
শুধু চারপাশ জুড়ে ছুটে বেড়ায় অধরা প্রেমিক গতি
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


