somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে কারণে সাতটি সৃজনশীল প্রয়োজন

০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১২:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কিছু দিন পর আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামবে পরিক্ষা বাতিলের দাবিতে! নিজেকে কি একটুও যাচাই করতে হবে না ?
১. পূর্বের রচনামূলক পদ্ধতি
যে রচনামূলক পদ্ধতিতে তার কাঠামোটা ছিল এ রকম- বড় প্রশ্নের উত্তর দিতে হতো ০৬টি, প্রতিটির নম্বর ১০, মোট ৬০। আর ছোট প্রশ্ন উত্তর দিতে হতো ০৮টি, প্রতিটির মান ০৫, মোট ৪০। সর্বমোট ১০০। যেসব বিষয়ের ব্যবহারিক থাকতো সেগুলোর লিখিত পরীক্ষার মোট নম্বর থাকতো ৭৫ (০৫টি বড় আর ০৫টি ছোট), ব্যবহারিক ২৫।সময় তিন ঘন্টা।এখানে এক তা বা তার বেশি ও লিখতে হতো।উত্তর না হলে নম্বর পাবার সম্ভাবনা নেই।এই পদ্ধতিতে পাস করতো কম।বই থেকে হুবহু প্রশ্ন আসায় একটু বেশিই জটিলতা থাকতো।বেশি করে মুখস্থ করতে হতো।এখানে ব্যবহারিক নম্বর পাওয়া খুবই কষ্ট সাধ্য ছিল।নিজস্ব মতামতের সুযোগ ছিলো না।

২. বর্তমান সৃজনশীল পদ্ধতি
সৃজনশীল পদ্ধতিতে ০৯টি থেকে ০৬টির (২০১৭ সাল থেকে ১০টির মধ্যে ০৭টির) উত্তর দিতে হয়। প্রতিটির মান ১০, মোট ৬০।সময় তিন ঘন্টা।এখানে তিন বা সাড়ে তিন পৃষ্ঠার প্রযোজ্য ((যারা লেখার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক কাঠামো তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তারা মনে করে সৃজনশীলে বেশি বেশি লিখতে হয়))।উত্তর না হলেও নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।এই পদ্ধতিতে পাস করে বেশি।এখানে জ্ঞান আর অনুধাবন ছাড়া বাকি দুটো প্রশ্ন বেসিক নলেজ থেকেও আংশিক দেওয়া যায়।মুখস্থ করতে হয় খুব কম।পরীক্ষার হলে না গিয়ে ও ব্যবহারিক নম্বর পাওয়ার নজির রয়েছে।নিজস্ব মতামতের সুযোগ আছে।

স্বল্প সময়ে অধিক উত্তর দেয়াটাই মেধা বিকাশের মাধ্যম । এতে ভাল ও মন্দ শিক্ষার্থীর পার্থক্য বুঝা যায় ।এটাও একটা প্রতিযোগীতা । সুতরাং নিয়ম না মানলে তার মত শিক্ষার্থী পাশ করিয়ে বোঝা বাড়িয়ে লাভ নেই ।
আমাদের থেকেও শিক্ষা বিশ্লেষকরা আরো ভালো বুঝেন।অল্প বিদ্যা ভয়ংকর।এখনো নিজের ভালো বুঝার ক্ষমতা আমাদের হয়ে উঠে নি।যা করা হচ্ছে আমাদের ভালোর জন্যই করা হচ্ছে।এতোটা উদ্বিগ্ন, আবেগ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে লাভ নেই।নিজের পায়ে কুড়াল মারলে নিজেরই ক্ষতি হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১২:৩৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×