somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একজন পারমিতা এবং আমার গল্প

১৬ ই জুন, ২০১২ রাত ৯:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা গল্প লিখার চেষ্টা করেছিলাম ।জীবনের প্রথম ।
দেখেন তো ভালো লাগে কি না ।
ভুল হতে পারে ,উপদেশ অথবা পরামর্শ সাদরে গৃহীত হবে ।


ক্ষাণিকটা কল্পনা আর বেশ অনেকটা বাস্তবতার মিশেল এ একটা গল্প লিখার বৃথা চেষ্টা ।কিন্তু শেষ দিতে পারি নি ।

একজন পারমিতা এবং আমার গল্প


একশো আঠেরো নম্বর রুমের পাশের ছোট গলি টা দিয়ে হাঁটছিলাম আমি ।
আনমনে ,একাকি ,নিরবে ।

কেউ একজন আসবে ।
সেই অপেক্ষায় ।

মনে মনে ভাবছি এতো দেরি করছে কেনো ?(আসলে অপেক্ষার সময় এক একটা সেকেন্ড কে এক একটা যুগ বলে মনে হয় ) ।

আর সাথে সাথে
হাতের নখ গুলোর দফারফা অবস্থা করছি।

নাহ খুব বেশি দেরি করলো না ,
একটু পরেই অপেক্ষার অবসান ঘটলো ।

খুব দ্রুত হেঁটে আসলো সে ।

সরু গলিটায় মুখোমুখি আমরা ।

অস্ফুট স্বরে জিজ্ঞেস করলাম ,কেমন আছো ?

জবাবে কিছুই বললো না সে।
স্মিত হেসে আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে গেলো আমায় ।

আর এতেই আমি শেষ !

হুঁম ,আর সেই "কেউ একজনের" নাম পারমিতা ।


তখন সবে মাত্র কলেজে ভর্তি হয়েছি ।
এতো ছাত্রছাত্রীদের ভীড়ে কাউকে না চিনলে ও পারমিতা কে ঠিক চিনতাম ।
কারণ সে বরাবর ই ভালো ছাত্রী ছিলো ।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় তার নাম থাকতো সবার উপরে ।
সুতরাং তাকে না চেনার কোন কারণ ই ছিলো না ।

খুব সাদাসিদে মেয়ে পারমিতা ।
একটু রোগা আর তার সাথে মানানসই চোখে একটা ভারী চশমা ।

কখনো তাকে জমকালো পোশাকে কলেজে দেখিনি ।

এই সাধারণ মেয়ে যে আমার চোখে অসাধারণ হয়ে উঠবে তা কোনদিন ও ভাবি নি ।

পারমিতা খুব ভালো ছাত্রী ছিলো বিধায় কথা বলতে খুব সংকোচ বোধ করতাম ।
তাই কখনো কথা বলা হয়ে উঠে নি তেমন করে ।


তো প্রথম বর্ষে কলেজ পিকনিকের সময় বাসে আমার সিট পড়েছিল তার পাশে ।
পিকনিক থেকে আসার সময় তখন ই প্রথম কথা ।

বাসে উচ্চ স্বরে গান বাজছিলো ।
তার ই মধ্যে কোন একটা কথা আমাকে বুঝানোর চেষ্টা করছিলো ।
আমি ভাবলেশ হীন ।

কেবল ঠোঁট উল্টে বুঝাতে চাইলাম ,আমি জানি না কিছুই ।

হয়তো আমার কাছ থেকে এরকম ব্যবহার আশা করেনি ।

স্বভাব সুলভ আচরণে সামলে নিলো সে ।

কিন্তু হায় !হঠাত্‍ আমার কী হলো ।

পারমিতার নিরবতা আমায় গ্রাস করতে শুরু করলো ।
বুঝতে পারলাম কাজটা ভালো করিনি ।
তবুও সরি বলার চেষ্টা টুকু করিনি ।

আসলে মনটা আমার খারাপ ছিলো ।ভীষণ খারাপ ।

তো রাত নয়টায় বাহকলেজে পৌঁছলো ।

যে যার মত বাসায় চলে গেলাম ।

তারপর কেটে গেলো আট টি মাস ।
আমি মানসিক ভাবে অসুস্থ ।
তাই কাউকে সহ্য হতো না ।

কিন্তু এটা বুঝতাম কারো সাপোর্ট আমার খুব দরকার ।

আর মনে মনে পারমিতার সাপোর্ট টাই আশা করছিলাম ।
এটা জানতাম ও খুব কঠিন চরিত্রের মেয়ে ।
ওর বন্ধুর (আমার ও বন্ধু)সাথে যোগোযোগ করলাম ।
বললাম ,পারমিতার সাথে বন্ধুত্ব করবো ।কিছু একটা কর ।
ও পারমিতার সাথে আমার বিষয়ে
বলতেই ও যা বললো তাতে সক্ড ই হলাম ।
সে ওকে মেসেজ দিলো এই বলে ,
' i know neel.he's good but u know i m not interested about him coz i like people like u who is gud in stdy plus pretty smart and carefull..'

. . . . . . . .
চলবে ।

কৃতজ্ঞতাঃমাহিম এবং তামান্না
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×