১. পুরো-প্রিজম বাইনোকুলারের (বাকা) দেখার মান সাধারণত রুফ-প্রিজম (সোজা) বাইনোকুলারের চেয়ে ভালো হয়। রুফ-প্রিজম বাইনোকুলারের ধারণা পুরো-প্রিজম বাইনোকুলারের চেয়ে নতুন।
২। রুফ প্রিজমের (সোজা) বাইনোকুলার ব্যাবহার করা পুরো প্রিজমের বাইনোকুলারের চেয়ে সহজ।
৩। একই পারফরমেন্সের একটি রুফ-প্রিজম (সোজা) বাইনোকুলার একটি পুরো-প্রিজম বাইনোকুলারের চেয়ে দামী হবে।
৪। ৮ × ৩২ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলার দ্বারা একটি দূরবর্তী বস্তুকে ৮ গুণ কাছে দেখাবে। প্রথম সংখ্যাটি দ্বারা দূরবর্তী বস্তুটি কতগুন কাছে দেখাবে তা নির্দেশ করে। দিত্বীয় সংখ্যাটি দ্বারা দূরবর্তী লেন্সটি কত বড় (মি.মি.) হবে তা নির্দেশ করে। দূরবর্তী লেন্সটি যত বড় হবে বস্তুটিকে ততই উজ্জ্বল দেখাবে।
৫। ৮ × ৩২ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলারের চেয়ে ৮ × ৪৮ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলার ভারী হবে কারন দ্বিতীয় বাইনোকুলারটির লেন্স (৪৮ মিলিমিটার) প্রথম বাইনোকুলারটির লেন্সের (৩২ মিলিমিটার) চেয়ে বড়।
৬। ৮ × ৩২ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলারের চেয়ে ৮ × ৪৮ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলার দ্বারা বিকেল অথবা সন্ধ্যাবেলায় একটি বস্তুকে অনেক ভালো দেখাবে কারন ৪৮ মিলিমিটারের লেন্স দিয়ে ৩২ মিলিমিটারের চেয়ে অনেক বেশী আলো প্রবেশ করতে পারে।
৭। খালি হাতে বাইনোকুলারের ব্যাবহার করলে হাত কাপতে পারে সে ক্ষেত্রে ১২ × ৪৮ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলারের চেয়ে ৮ × ৩২ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলার ব্যাবহার করা সহজ হবে। স্ট্যান্ড বা ট্রাইপড ব্যাবহার না করলে ১০ মেগনিফিকেশনের বেশী বাইনোকুলার (যেমন ১২ × ৪৮) ব্যাবহার করা ঠিক হবে না।
৮। ১০ × ৫০ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলারের চেয়ে ৭ × ৩৫ পাওয়ারের একটি বাইনোকুলার দ্বারা খেলার মাঠে খেলা পর্যবেক্ষন করা সহজতর হবে। কিন্তু ১০ × ৫০ পাওয়ারের বাইনোকুলার দিয়ে দূরবর্তী কোন পাখী বা শিকারকে পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে। মেগনিফিকেশন পাওয়ার (প্রথম সংখ্যা) যত কম হবে ফিল্ড অব ভিউ তত বেশী হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১০:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




