somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

‘অ-মানব’- (১৮ তম পর্ব)

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাতের বেলা বক্স দেখে খুব ভয়ে আছে । পাগল মানুষ মানুষ টা চাপ কলের পানি দিয়ে মনের সুখে গোসল করছে । নাদিয়া বলে আল্লাহ্‌ কি আপনাকে ডর ভয় কোন কিছু দেয় নাই । এত রাতে কে এই কাদা মাখা পুকুরে নামে । ভাইয়া এত সাহস কিন্তু ভাল না । নাজু আপা বকা দিলেই আর নামতে না। কুকুর কি এক রাতে মারা জাইতো ।
— পাগল বলে কুকুর তো আর মানুষ না । তবে তোমাকে এই পুকুরে নামালে বুঝা যেত , শীতে না মরলেও ভয়ে মরে যেতে ।
— আমি তো মরলে বাচি ।
— মরার খুব ইচ্ছা হলে একটা পরীক্ষা করে দেখতে পারি ।
— কি রকম পরীক্ষা ।
— দাড়াও অনেক কাদা আগে শরীরের কাদা সবান মেখে পরিষ্কার করে নেই ।।
তুমি যদি মরতে চাও । তাহলে আগামী কাল থেকে লিখা শুরু কেন মরতে চাই ।
উপযুক্ত করান দেখাতে পাড়লে বলব যে মরার অধিকার তোমার আছে । নাদিয়া
নাজ তোমার ছোট কিন্তু একটা বিষয় নাজ রোজ কোচিং এ যায় । যাওয়ার সময়
প্রায় খুব তাড়াতাড়ি করে । আর মনে মনে হাসে । ওর দিকে একটু খেয়াল রাখ ।
—- আপনার কি কোন কারনে তাকে সন্দেহ হয় ।
—- মানুষ এমন একটা প্রাণী যে সব সময় মনে করে সে যা করছে তাই টার রাইট ।
—- আপু ও দুলাভাই আপনাকে ডাকছে । এটা খুলতে চায় না।
—- কেন বক্স খুলতে চায় না?
—-সত্যি যদি কোন জীন ভুত থাকে ।
—- শুন জীন ভুত হাজার বছর বাচে । যদি এটাতে কোন জীন ভুত আটকানো
থাকে । তাহলে কি এত দিন জীন ভুতের বাপ মা ভাই বোন তাকে খোজত
না ! তোমাদের ছেলে মেয়ে এক ঘণ্টা চোখের আড়াল হলে পাগল
হয়ে যাও । আর জীন ভুতের ছেলে মেয়ের কোন মুল্য নাই । এই সব
গল্প কাহিনীতে মানায় ।
—- আরে ভাইয়া আপু বলল কাল হুজুর ডেকে দোয়া করে ফু দিয়ে টার পর খুলবে ।
—- খুব ভাল । হুজুরের ফুতে এত ক্ষমতা তার পর ও মানুষকে লিখা পড়া
করে ডাক্তার হতে হয় । হুজুর হলেই তো ভাল হত ।
গোসল শেষ করে ঘরে এসে দেখে কুকুরটা রান্না ঘরের চুলার পাশে শুয়ে আছে কিন্তু পাগল মানুষটার দিকে একটা মায়া ভরা চোখে চেয়ে আছে । পাগল একটু হাসি দিল । কুকুরটা তার মাথা নিচু করে শুয়ে গেল ।

শিলা সকালে ডাকছে জিনিয়াস মামা । শিলা দেখে ঘরে নাই । পাগল টা পুকুর পারে শিমুল গাছটায় হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছে। রইস মিয়া এসেই বলল – লোক জন সব ঠিক আজ থেকেই পুকুরে চার পাশ ঠিক করা হবে । শিলার বাবা শিলা কে বলে মা তোমার জিনিয়াস মামা কে আসতে বল – শিলা বলে আব্বু মামা তো ঐ শিমুল গাছ তলে পুকুরে কোনায় দাড়িয়ে । আচ্ছা রইস মামা ডাকবে তুমি ঐ দিকে যেও না। হুজুর আসছে । এই খানে হুজুর কে সবাই মিয়াছাব ডাকে । মিয়াছাব মানুষ টা অনেক
কঠিন । সবাই জানে মিয়াছাবের সাথে জীন আছে । সবাই তার কাছ থেকে পানি পড়া ও তাবিজ নেয় । মিয়াছাবের হাসিটা খুব সুন্দর গত ২০ বছর এই এলাকায় ।
পাগল মানুষটা ঘরে আসতেই মিয়াছাব তার দিকে একটু আড় চোখে তাকায় । কারন মিয়াছাব কে সবাই ছলাম দিয়েছে , এই একমাত্র যে তাকে সালাম দেয় নাই। মিয়াছাব
মনে মনে বলে মনে হয় লন্ডন থেকে আসছে । মিয়া ছাব সবার খুঁজ খবর নিয়ে নাজ কে বলে এক গ্লাস পানি দে নাজ । মুখের পানের ছাবা টা কুলি করে পরিষ্কার করি । নাদিয়া মাথায় কাপড় দিয়ে হুজুর কে পা ছুয়ে চলাম করে । শিলা কে দেখে বলে কি
নাতি দেখলে তো বলে ছিলাম না ভাল হয়ে যাবে । তোমার বাবা কে বলবে বেশী করে দান করতে দানেই পুন্যতা আছে । বেশী করে মসজিদ মাদ্রসায় দান করতে হবে ।
পাগল মিয়াছাবের কথা শুনছে । নাজু বলল – হুজুর আমাদের পুকুরে গত রাতে এই
কাঠের বক্স টা পাওয়া গেছে । অনেক মজবুত কাঠের বক্স । বক্সের উপরে আবার পিতলের পাত দিয়ে নকশি করা । বক্সটা দেখলেই মনে হয় ইরানি বা তুর্কি হবে ।
মিয়াছাব দেখল বেশ ওজন । এবার মিয়াছাব চোখ বন্ধ করে হাতের তজবি উঁচু করে
বলল- হে আল্লাহ্‌ তুমি এই বাক্সের খতির হাত থেকে পরিবার কে রক্ষা কর । এই বাড়ির মালিকের একটি মাত্র মেয়ে । এই বাক্স খুলে যেন কোন বিপদ না হয় । হে আল্লাহ্‌ তুমি ভাল মন্দের মালিক । অনেক ক্ষণ দোয়া পড়ে হজুর বলল – এটা না খুলে বরং নদীতে ফেলা দেয়ায় ভাল । বাক্স টা হাত দেয়ার পর মনে হল এটা ভাল কিছু না।
আর পুকুরের জিনিস তো এত দিন টা জিনের হেফাজতে ছিল । তোমাদের পুকুর টা ভাল না । আমি চার টা তাবিজ দিব পুকুরের চার দিক ঠিক হলে তাবিজ গুলো গেরে দিলে সব ধরনের আছর থেকে পুকুর হেফাজত হবে । টা শুনলাম দুই লাখ টাকার উপরে মাছ বিক্রি করেছ । ঐ টাকা থেকে কিছু জাকাত মসজিদে দিও । আল্লাহ্‌ সবাই ভাল রাখুন । হুজুরের সামনে নানা জাতের ফল রাখা হয়েছে । শিলার বাবা পাগল
কে বলল – মিঃ জিনিয়াস কি বল মিয়াছাব বলছে এটা নদীতে ফেলে দিতে । পাগল বলল আমি কি হুজুর সাথে কথা বলতে পারি । হজুর বলল- কি বলবে বল ।
—- এই যে আপনি পুকুরের চার পাশে তাবিজ দলে আছর কেটে যাবে । তাহলে এই
বাক্সে সেই তাবিজ দেন । বদ আছর কেটে গেলে একটু খুলে দেখি কি আছে ।
—- না এটা খোলা ঠিক হবে না।
— আচ্ছা মানুষের জীবন মরণ তো আল্লাহর হাতে তাই না।
—- হ্যা
—- তাহলে এটা খুললে শিলার কেন বিপদ হবে ।
—- শিলা এই বাড়ির একমাত্র মেয়ে ।
—- আপনি কি করে জানলেন যে শিলার বিপদ হবে । শিলার বাবা ও তো এই বাড়ির বর্তমানে একমাত্র ছেলে । কি বলেন রইছ মামা ? আপনি যদি বিপদের কথা বলতে পারেন তাহলে এই বাক্সের মধ্য কি আছে বলতে পারবেন ।
নাদিয়া বলল ভাইয়া এটা কি বলা কি সম্ভব । নাজু বলল ভাইয়া মিয়াছাব আমাদের ভাল চিন্তা করে কথা বলছে । পাগল বলল নাজু আপা কারো ভাল চিন্তা করে কারো আবেগ ভালবাসা নিয়ে ভয় দেখাতে হয় না। আমাদের স্রষ্টা তিনি আমাদের ভাল মন্দ
সব কিছু জানেন । তিনি যদি মনে করেন তোমার কল্যাণ হবে তাই হবে । তবে এটা তে জীন আছে । এটা জিনের বাক্স । আচ্ছা আপু আমি কি তোমার সামনে থেকে তোমার কোন মুল্যবান জিনিস নিতে পারব ।
— না ! টা কি করে সম্ভব । তখন আমি নিষেধ করব ।
—- তাহলে এটা যদি জিনের হয় । তাহলে জীন নিষেধ করবে । জিনের অনেক ক্ষমতা । যখন আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম তখন জীন নিয়ে যেত ।
শিলা বলল মামা তুমি তো ঘুমাও নেই । আমি দেখেছি রাতে তুমি পুকুর পারে শিমুল গাছ তলে বসে ছিলে । শিমুল গাছের একটা ডাল ধরে ছিলে ।
পাগল বলল হ্যাঁ শিলা মা মনি – এই গাছ গুলো সব দেখে কিন্তু বলতে পারে না। আমি সারা রাত এই গাছ গুলো কে বললাম আমাকে যেন বলে ।
হুজুর হেসে বলে গাছ কথা বলতে পারে ।পাগল বলল – কেন গাছ কি সোলেমান নবীর সাথে কথা বলে নাই । হুজুর বলল আপনি কি নবী । হুজুর প্রতিটা নেক বান্দা আল্লার নবী রাসুল কে অনুসরণ করে । আর তার ফলে কেউ কেউ হয়ে উঠে আল্লার প্রিয় । যেমন মুসা ও বুড়ীর কাহিনী কি জানেন না। আল্লাহ্‌ যিনি সব কিছু মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করেছেন । বলুন ঠিক কি না।
— হুজুর বলল হ্যাঁ ।
— তাহলে খারাপ চিন্তা না করে ভাল কিছু চিন্তা করি । কি বলেন ।
— হুজুর বলল যা ভাল মনে করেন তাই করুন । তবে আমাকে না ডাকলেও হতো ।
—- পাগল বলল হুজুর আপনি আসছেন হয়ত আল্লার ভাল ইচ্ছা আছে । পুকুর পারের
ঐ শিমুল গাছটা তাই আমাকে বলল ।
— হুজুর হেসে বলল – এই সব কথা বললে মানুষ আপনাকে পাগল বলবে । দেখে তো মনে হয় রাজ পুত্র । তা বাবাজি গাছ কি বলেছে আমার একটু শুনতে মনে চাচ্ছে ।
— পাগল বলল , আমি যদি গাছের কথা বলি তাহলে এই গাছটা মরে যাবে । তবে
এই গাছটা মরার জন্য খুব চেষ্টা করছে ।
—- হুজুর মনে মনে বলে আসলেই এইটা একটা পাগল । গাছ আবার
কথা বলে ।
শিলার আব্বু হাসতে হাসতে বলে তা শ্যালা জান তোমার গাছ কি বলল শুনি ।
নাদিয়া তার দুলাভাইকে বলল – ভাইয়া যা বলবে তাই হবে । হুজুর বলল পানিতে ফেলতে ভিতরে কি আছে না জেনে পানিতে ফেললে একটা রহস্য থেকে যাবে ।
মিয়াছাব বলল – আচ্ছা আপনার নাম তো জানি না । তাহলে আপনিই বলুন এই
বক্স এ কি আছে ।
পাগল হেসে বলল – এই বাক্সে লুকিয়ে আছে এই পরিবারের অনেক না জানা কথা ।।
যা শুনলে বিশ্বাস হবে না। আর ভুল বুঝাবুঝি শুরু হবে । তবে আমার কথা হল সবার অতীত ইতিহাস মনে রেখে সামনে দিকে চলা ।। তাহলে কি বলব
নাদিয়া নাজ বলে আগে বাক্সে কি আছে বলেন ।
— পাগল বলল এই বাড়ির ১২০ ভরি স্বর্ণ আছে । এতে । আর একটা হিরার আংটি ।
যেটা শিলার দাদা লন্ডন থেকে এনেছিল শিলার দাদুকে বিয়েতে দিয়েছিল ।
শিলার বাবা বলে হ্যাঁ আমি ছোট বেলায় শুনেছি যে মায়ের একটা হিরার আংটি আছে
কিন্তু কোথায় তা জানি না।

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাটারিচালিত রিকশা , তিন-চাকার যানবাহন ব্যবস্থাপনা, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং সিসা-দূষণরোধ বিষয়ে একটি সমন্বিত নীতিগত প্রস্তাব।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮


বাংলাদেশের নগর ও শহরতলির পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজি-বাইক ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক তিন-চাকার যান ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের যাত্রীদের জন্য অপেক্ষাকৃত কম খরচের পরিবহন, বিপুলসংখ্যক চালক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৭



ধানমন্ডি ৩২: মানুষের হৃদয়ে যে বাড়ি আজও দাঁড়িয়ে আছে

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি কেনা ও নির্মাণের টাকা কোথা থেকে এসেছিল-এই প্রশ্নটা মাঝেমধ্যেই অনলাইনে ঘুরেফিরে আসে। উত্তরটা আসলে লুকিয়ে নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয় - দরকার বিকল্প সরকার

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪



জামাতকে সংগঠন হিসেবে নিখুঁত বলা যায়, আলেম হতে হলে দীর্ঘদিন পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হয় - মানে নেতা হবার আগে অবশ্যই পড়াশোনা করতে হবে, বিএনপি-লীগের এমন কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেলাশেষে

লিখেছেন নীল-দর্পণ, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

বাসায় আত্নীয় আসলে চলে যাবার সময় কিংবা তাদের বাড়ী থেকে ফেরার সময় ঘরের ছোট সদস্যের হাতে টাকা গুঁজে দেবার যে চল ছিল নিশ্চই আমরা কম বেশি সবাই সেটা সাথে পরিচিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসংখ্য মানুষের স্বপ্নের নায়িকা যিনি।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১২



একদিন যে বিয়েকে ঘিরে ছিল পাঁচতারকা হোটেলের ঝলমলে আলো, ক্যামেরার অসংখ্য ফ্ল্যাশ আর শত মানুষের করতালি, সেই সংসারের আকাশেই কয়েক বছরের মধ্যে জমেছিল বিচ্ছেদের মেঘ। ১৯৮৭ সালের মে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×