দুটি ভিন্ন প্রানীর চেহারা, আচার আচরণ কিংবা অন্য কিছুতে মিল থাকতে পারে। বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যেও মিল থাকতে পারে। এমন কেন হয়? এমন হয় বিবর্তন ধারার মাধ্যমে।
এই যুক্তিটি জোরালো হলেও দোষমুক্ত নয়। বিবর্তনের বিরুদ্ধে যুক্তি তুলে ধরা সহজ। এর অসাড়তা প্রমাণের জন্য তিনটি যুক্তি দেখানো যেতে পারে।
১. প্রাণী জগতের বৈচিত্র ব্যাখ্যা করার জন্য যদি বিবর্তনবাদ, তাহলে সে বিবর্তন ধারা তো অনন্তকাল ধরে চলার কথা। চেনাজানা সব প্রানী বদলে যাওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে এমন কিছু ঘটেছে দেখিনি বা শুনিনি।
২.সৃষ্টিকর্তা সর্বশক্তিমান। যখন যা ইচ্ছে গড়ে তুলতে পারেন। তাহলে নতুন প্রানী গড়ার জন্য তাকে বিবর্তনের সাহায্য নিতে হবে কেন?
৩. আমরা যদি বিবর্তন কে সত্য বলে মেনে নিই, সংগে সংগে এটাও মেনে নিতে হবে যে বিবর্তন ধারা কে নিয়ন্ত্রন করার জন্য কোন নিয়ন্ত্রক রয়েছে।
প্রশ্নগুলোর উত্তর কোন বিবর্তনবাদে বিশ্বাসী কেউ দিতে পেরেছে বলে আমার জানা নেই।
ডারউইন তার বই
"On the Origin of species by means of natural selection " বইতে বলেছিলেন, "যে কোন প্রজাতি যখন বংশ বৃদ্ধি করে তখন কোন না কোন প্রভেদ থেকেই যায়
। চামড়ার রং, শক্তি বা স্বভাব চরিত্রে। এর মধ্যে কিছু জিনিস পরিমাণে বেশি হলে তাতে পরিবেশের সংগে খাপ খাওয়াতে সুবিধা হয়। তাহলে প্রাকৃতিক পরিবেশ তাকে বরণ করে নেবে। এভাবেই সব চলতে থাকবে, কোন নিয়ন্ত্রকের প্রয়োজন নেই!"
এই কথার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কি আমি জানিনা। আমার কাছে এরকম মনে হয়, মনে করুন মরুভূমিতে একটি ঘড়ি পাওয়া গেল। খুব সুন্দর।! কোন একসময় এটা লোহা বা অন্যকিছু ছিল। কোটি কোটি বছর পর তা বিবর্ততিত হয়ে আজ ঘড়িতে পরিণত হয়েছে!
পরিশেষে Arnold Lunn এর কথাটা বললামঃ
"ডারউইনবাদ বিজ্ঞান নয়। পুরোপুরিভাবে ধর্মমত। তাতে যুক্তিসংগত সুসংবদ্ধতার দাবি যতই করা হোক না কেন। আর মানুষের রচিত এই ধর্মমতে যুক্তি -প্রমাণের তুলনায় অন্ধ বিশ্বাস ও ভাবাবেগ অধিক প্রবল হয়ে গেছে।"
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



