ছেলে মেয়ে দুইটা অনেক দিন ধরে ফেসবুকে চ্যাট
করে ... কিন্তু তাদের মধ্যে একটা শত্রু শত্রু ভাব!!
মেয়েটা প্রচন্ড নারীবাদী- নারীর পোষাক-দেহের
অধিকার নিয়ে আগুন গরম পোস্টে তার ওয়াল দাউদাউ
করে জ্বলে!!
আর ছেলেটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে "একমাত্র
পর্দাই পারে নারীকে রক্ষা করতে" ...
# নারীবাদীদের পচিয়ে পচিয়ে স্ট্যাটাস দিতেই
তার যত সুখ!!
ছেলে মেয়ে দুইটা সারাদিন একজন অন্যের পোস্টে
গিয়ে ঠান্ডা লড়াই চালায় কমেন্টে ... ইনবক্সে চলে
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ... তাও কোন এক বিচিত্র কারণে
তারা একে অন্যকে ব্লক দিতে পারছে না ... এই শত্রু
শত্রু খেলায় তারা যেন আসক্ত হয়ে গেছে!!
তারপর একদিন হঠাৎ মেয়েটা ঠিক করলো,
ছেলেটাকে একটু শিক্ষা দেয়া দরকার ... সে দেখা
করার প্রস্তাব দিলো!!
ছেলেটারও আসলে দেখা করতে খুব ইচ্ছা ছিলো ...
বাট সাহসে কুলাচ্ছিলো না ... প্রস্তাব পাওয়া
মাত্রই সে রাজি হয়ে কুটিল হাসি দিলো ...
মেয়েটার জন্য একটা গিফট নিয়ে যাবে যে
কথা মত নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে হাজির হলো তারা
... এবং একজন অপরজনকে দেখে চমকে উঠলো!!
ছেলেটাকে সাইজ করার জন্য মেয়েটা টাইট টি শার্ট
আর জিন্সের পান্ট পরে আসছে!!
আর ছেলেটা তার নানার গোড়ালি পর্যন্ত জোব্বা-
পায়জামা-পাগড়ির সাথে আলগা দাড়ি লাগিয়েছে
মেয়েটাকে ভয় পাইয়ে দেয়ার জন্য ... তার হাতের
ব্যাগে মেয়েটার জন্য একটা গিফট ... তার দাদির
কুচকুচে কালো বোরকা!!
কিছুক্ষণ পর অবশ্য চারপাশের মানুষ একটা বিচিত্র
দৃশ্য দেখতে পেলো ... এক অতি আধুনিকা তরুনী এবং
একজন হুজুর একসাথে সেলফি তুলছে ... হুজুরের দাড়ি
বারবার খুলে পরে যাচ্ছে এবং সেটা দেখে মেয়েটা
খিলখিল করে হাসছে
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ছেলে মেয়ে দুইটাকে
আজকাল আর ফেসবুকে পাওয়া যায়না ... তারা খাঁটি
বাংলাদেশি পোশাক - মেয়েটা শাড়ি এবং
ছেলেটা পাঞ্জাবি পড়ে টিএসসিতে বসে বসে
বাদাম খায় ... তারা নাকি এখন বেশ সুখী!!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০১৫ রাত ১:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





