somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হযরত শাহজালাল (র) এর দরবার শরিফ, প্রতারণার অনন্য দৃষ্টান্ত।

৩০ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৪:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকের এই সিলেট তখন ছিল শ্রীহট্টের গৌড় রাজ্যে। গৌড়-গোবিন্দ নামে এক অত্যাচারী রাজা ছিল।
উগ্র হিন্দু মতবাদই ছিলো তার রাজ্য শাসনের একমাত্র ব্যাবস্থা। মুসলমানদের সংখ্যা ছিল নিতান্তই হাতে গুনা।
মুসলমানি রীত নীতি পালন করা ছিলো শাস্তি যোগ্য অপরাধ।রাজ্য সর্বদাই চলত রাজার অত্যাচার নিপিরন ।
প্রজারা ছিলো দিশেহারা।
এমন এক সংকট ময় পরিস্তিতিতে সর্গীয় দূত হিসেবে আগমন ঘটে হযরত শাহ জালাজ (র)এর। জানা যায় যে, ৬৭১ হিজরী - ১২৭১ খ্রিস্টাব্দে শাহজালাল জন্ম গ্রহন করেছেন। তাঁর জন্ম ভূমি ছিল প্রাচীন আরবে আযমের হেজাজ ভূমির তৎকালীন প্রদেশ ইয়্যামন দেশের কুনিয়া নামক শহর। যিনি দীন প্রচারের উদ্দেশে সুদুর ইয়ামেন থেকে ছুটে আসেন গৌর রাজ্য সিলেটে।
ইয়্যামনি অনুসারে শাহ জালাল ৩২ বছর বয়সে ৭০৩ হিজরী মোতাবেক ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে সিলেট আগমন করেন।
সিলেটে এসে তিনি অত্যাচারী রাজা গৌরগোবিন্দকে পরাজিত করে মুক্ত করেন নিপিরিত সিলেট বাসিকে।
প্রচার করতে থাকেন দীন ইসলামের বাণী।
তার আদর্শ শততায় মুগ্ধ হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে একে একে সবাই। সে এক বিরাট ইতিহাস।
শাহ জালাল হয়ে উটেন সাধারন মানব থেকে অসাধারন এক মহা মানবে। যার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা তৈরী হয় সকলের।

যার নিদর্শন আজো সলেট শাহ জালাল মাজার প্রাঙনে হাজারো মানুষের সদা পদাচারনা।

কিন্তু সাধারন মানুষের এই ভালোবাসা আর শ্রদ্ধাকে পুজি করে এক দল সার্থলোভি কালপিট গড়ে তুলেছে রমরমা বানিজ্য।
শাহজালালের নাম ভাঙিয়ে কামিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
যে দরগা প্রাঙ্গন থেকে হযরত শাহজালাল(র) দিন ইসলামের প্রচার শুরু করেছিলেন। সেই প্রাঙ্গন তেকেই আজ চালানো হচ্ছে ইসলাম ধংসের সব চাল কৌশল। কেবল মাত্র গুটি কয়েক ধর্মব্যবসায়ির সার্থে।

কোন অপকর্মটি হয় না এই দর্গায়? (ছবি মন্তব্যে অংসে সংযোক্ত করলাম)
নাচ,গান বাজনা, নেশা,ভন্ডামো, ইতরামো, কুফরি বিদাতি,মাজার পোজা,চুরি চামারী থেকে শুরু করে দেহ ব্যবসা পর্যন্ত সব হয় এখানে। আর তার প্রত্যকটাই হয় কর্তিপক্ষের প্রত্যক্ষ আশ্রয় প্রশ্রয়ে।

দিনে দিনে ধর্ম ব্যাবসার অন্যতম বাজারে পরিনত করেছে শাহজালাল দরগা প্রাঙ্গনকে।প্রতিদিনই বোকা হচ্ছেন দেশ বিদেশের শত শত পর্যটক। মানত পুরা হবার উদ্দেশ্য দুই হাতে অর্থ দান করছেন শাহ জালাল মাজারে।

ধর্ম ব্যবসার সব কয়টি উপাদানই রয়েছে এই স্থানটিতে।
মাজারের প্রতিটি অংসেই আছে মানুষ ঠকানোর ফাদ।
কোথাও শাহ জালালের ডেস্কি রেখে টাকা নেওয়া হচ্ছে, কোথাও কবুতরের খাদ্য কেনার নাম করে, কোথাওবা আবার সোনার কই মাগুর দেখিয়ে। ধর্ম প্রাণ মানুষে পকেট থেকে টাকা খসানোর জন্য রাখা হয়েছে একটা কওমি মাদ্রাসা সাথে এতিম খানা।
এর পরেও যারা পকেটের টাকা বের করতে আলসামি করেন তাদের সুবিধার্থে মাজারের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটেয়ে রাখা হয়েছে অসংখ্য পকেটমার, ধান্দাবাজ জুচ্চুরদের। সুত্রমতে জানা জায়যে এসব পকেটমার ধান্দাবাজেরা প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমান ফী কর্তিপক্ষের কাছে জমা দিয়ে তবেই মাজার প্রাঙ্গনে তাদের দৌরাত্ত চালিয়ে থাকে।
প্রতিবছর মাজারে ওরস পালন করা হয়। এক পরিসংখানে দেখাগেছে ওরস চলাকালিন ৩ দিনের এক এক দিন যে পরিমান বাণিজ্য হয় তার নগদ ও হাদিয়ার গরু ছাগলের দাম মিলিয়ে প্রায় ১ থেকে দেড় কোটিটাকা ইনকাম হয়। এসব টাকা পয়শা কোথায় যায় সেটা সম্পুর্ন অদৃশ্য। বিশেষ সুত্রে খবর নিয়ে জানা গেছে মাজারে যা আয় হয়, মাজারের সাথে সম্পৃক্ত কর্তিপক্ষ অ পার্শবর্তি দরগা মহাল্লার মোড়লরাই এসকল অর্থকরি নিয়ে থাকেন।

প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞল থেকে পুন্যার্থীরা মাজার ভ্রমণে আসেন। পুণ্য লাভের আশায় বিষর্যন দিয়ে যান নিজেদের ইমান আকিদা, পকেটের টাকাত আছেই।
এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দিনে দিনে টাকার পাহাড় গড়ে তুলছে কতিপয় ধর্মব্যবসায়ী, রাঘববোয়াল।


সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ৮:৩৩
৩টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×