হাওয়ায় মেঘের আকাশে, ঝরা পাতা যায় ভেসে...দূর দেশে। দূর দেশে। নিঘর্ুম কাব্যরা ঘিরে ধরে। পুনঃ পুনঃ খুচিয়ে যায়। সিঁদ কেটে গভীরে ঢুকে। আলো না পেয়ে বিবাগী হয়। ছেলেটি তাই অবসরে এসে চৌচির হয়। তার বন্ধ চোখে শস্য ভাসে। হলুদ ভাসে। হলুদের মাঝে কিছু নীল। কিছু প্রতিশ্রুতির ভাসমান জাগরণ। কিছু আবেগ-স্পর্শ-বন্য দৃষ্টি। আশ্রয়, প্রশ্রয়, খুনসুটি আর কিছু ঝিলিক দেয়া রুপোলী চাঁদ...।
শেষ সময়ে ছেলেটির হাতে ছিল কিছু নীল। নীলের ছিল সপি্নল বাবুই'র মত ঘর বাঁধার নেশা। ছেলেটি ফিকে সময়টা পার হয়ে হলদে ভালোবাসায় লীন হলো। পৃথিবীর সব সুপ্ত নীল তার কাছে নগন্য ছিল। জেগে ছিল কেবল এক টুকরো হলদে নীল।
...অথচ সে নীলও একদিন ফিকে হয়ে গেল!
ছেলেটি দায়িত্ব নিতে ভয় পায়, কথাটা ঠিক। সে একটা পুরুষকা! পুরুষকা!! পুরুষকা!!! তাই সে চোখ বন্ধ করতে ভয় পায়। সে জেগে রয়, নিষ্পলক। সে জেগে রয়, মধ্যরাতের রাখাল হয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৩১