আজকে খুব মিস করলাম বিকেলটাকে। কম্পিউটার সিটি হয়ে চন্দ্রিমায়, বিকেলের লাল রঙি কৃষ্ণের তলে নীল চন্দ্রাদের হেঁটে যাওয়া দেখতে, মন্দ লাগেনা। বেকার মানুষ, বিকেল এলে বিমর্ষরা অস্থির করে তোলে আর এ ফাঁকে যদি দোমনা টাইপ চিন্তাভাবনারা এসে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় তো কেমন লাগে?
মানুষ গবেষণা করতে মন চায়, কিন্তু সবসময় না। যখন মন চায় তখন পুরা রাত জাগনা থাকি। কিছু আবিস্কৃত হলে- মুখটা গম্ভির করে বলি- আঁমি মিষ্টার নিমো, ম্যানুষ নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে আমার কাঁজ! লে বাবা তোর জুলভার্ণ প্রেম ভিজে বৌম হয়ে গ্যাছে! তুই ফেররররর জুলভার্ণের নিমো সাজিস নে!
কথা বলছিলাম রানার সাথে। ওর ঘোড়ারোগ নিয়ে কথা ওঠলে রাগের বদলে দেখি ও ভিষন খুশি হয়ে জামাই বাবু সাজে! কি আর করা, অন্যপথে ওকে আটকানোর নীল নঁকশা আঁকি, বলি-
: রানা তুমি বুড়ো হয়ে গ্যাছো
: বলে কি! বললেই হলো!
: তুমি পুচকি মেয়েদের দিকে তাকাও শুধু, অভিযোগ নির্ঝরের! বুড়োরা বিশ্রি ভাবে পুচকি মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকে, ঠিক তোমার মতো!
: কই নাতো, আমি ওদের দিকে তাকাই না, একদম না। তীহ্ম প্রতিবাদ!
: এইতো এইমাত্র কে তাকালো? চোক্ষের সামনে প্রমাণ দেখিয়ে নির্ঝরের ৩১টা দাঁত বের হয়ে গেছে।
: তাকাইতো চিহারার একটু নিচে এবং ভাবি ওসব ওভাবে ওখানে গজালো ক্যামনে!
: যাহ ওরাতো পুচকি, ওসব বুঝে নাকি? নির্ঝরের ডাক্তারি থিউরি!
: না বুঝলে ওসব -হিরোশিমার নিক্ষেপকৃত 'ছোট বালকের' মত- সাজিয়ে বসেছে ক্যান? মুখ ভ্যাংচায় রানা।
: ঐ শালা তোর না ঘরে বৌ আছে! তুই পরকিয়া করতাছোস!!! হিরো বাংলার হ্যারো সাজে।
: ব্যাটা চড় দিয়া দাঁত ফালায় দিমু। আমিতো আর মেয়েটার শরীর মালিশ করতে যাচ্ছিনা। বিজ্ঞান কি বলেছে জানিস না?
: কি বলেছে? আমি উৎসাহিত হই! রানার সর্বস্তরের পড়ালেখা কমার্স নিয়ে!
: বলেছে চোখ ব্যাথা করলে সবুজের দিকে তাকায় থাকতে, এতে নাকি চোখ ব্যাথা, মাথা ধরা কমে যায়!
: তুইতো সবুজের দিকে তাকাস না, অবাক হয়ে বললো হিরো।
: ঐ একই কথা, আমি মনে হয় কালার ব্লাইন্ড আছি, মেয়েদের 'লিটল বয়'গুলো আমার কাছে সবুজ মনে হয়!
: রানা বুড়ো হয়ে গ্যাছে, মাথা ঝাকায় নির্ঝর! সে কিছুটা চিন্তিত।
: কাভি নেহি, কাভি নেহি, সব দাঁত বের করে খিকখিক হাসে রানা।
: রোকো রোকো, রানাযে বুড়ো হয়ে গ্যাছে সেটা এখানেই প্রমাণ করা যাচ্ছে না, তবে আমি যে বাচ্চা সেটা প্রমাণিত
: কিভাবে কিভাবে? উচ্চস্বরে বিলাপ করে কেঁদে ওঠে হিরো
: আমার চোখ খালি মহিলা খোঁজে
: যাহ শালা তুই আসলেই বাচ্চা আছস!
হ আমি সত্যিই বাচ্চা আছি। কত কিছু বুঝিনা। মেয়েরা নাকি নিজ থেকে সেধে কিছু দেয় না, তবে প্রিয়জন চাইলে না করতে পারেনা। জানলুম কালকে। কিন্তু সবার পক্ষেতো আর সবকিছু ছিনিয়ে নেবার মত সাহস থাকে না! আমি তো সাহসী মানুষ নই, আমি হচ্ছি: না-মানুষ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







