হোয়াট ইজ লাইফ? ভাবছি বসে একমনে। প্রশ্নের জবাব মেলে না। শুধু শূণ্যতা পাই, সবখানে। চোখের ইশারায় শূণ্যতা, অনুভবে শূণ্যতা, কণ্ঠস্বরে শূণ্যতা, ভালোবাসায় শূণ্যতা, আকাশে শূণ্যতা, মেঘে শূণ্যতা, সারা পৃথিবী জুড়ে শূণ্যতা।
ভালোবাসা মনে হয় সাগরের নোলা জল-ই। তৃষ্ণা মেটে না। ভালোবাসি যারে ভালো কি বাসি তারে? কত হাবিজাবি চিন্তা চেতনা, অংকের জটিল সমীকরন... যা কখনো মেলেনা। বুদ্ধিজীবি ভালোবাসা আমাদের। বুদ্ধি বিকিকিনি করে সন্ধ্যের পর লাভক্ষতির হিসাব...। কই আমিতো কখনো হিসাব চাইনি, চাইনি হতে কোন বনেদি ব্যবসায়ী! চেয়েছিলাম শান্ত আকাশ হতে, যার গায়ে ফুরফুরে বাতাসের পর ভর করে আলতো ছোঁয়া দিয়ে যাবে মিষ্টি মেঘমালা। আর সেই ছোঁয়ায় ভর করে আমি পাড়ি দেব কতশত অলি-গলি। হিসাবতো মেলেনি।
একজন শ্রাবণের নিমন্ত্রন দিয়ে রেখেছে, নৌকোয় শাপলা তোলার স্বপ্ন তার, তারপর আঁকা-বাঁকা পথ ধরে হেঁটে চলা...। কত সহজ হিসেব নিকেষ...। আমি বুকে শূণ্যতা অনুভব করি। সাঁতার জানিনা, এর আগে নোনাজলের ঘুর্নিতে কখনো সাঁতার কাটিনি!
বিষন্ন দিনের ফাঁকে আজ দক্ষিনা বাতাসের উচ্ছ্বাস পেলাম, সেদিনের মত, অথচ আকাশে সেদিন চাঁদ ছিলোনা, পাখিরা সেদিন গলা ছেড়ে গায়নি, ফুলেরা ফোটেনি তার খিলখিল হাসি হয়ে... তবু সেদিন আঁকা-বাঁকা বর্ণমালার পরতে পরতে লুকানো ছিলো 'জীবনের' অর্থ। বোবা ছিলাম, অবুঝ ছিলাম, নিজেকে আড়াল করার প্রয়াসে। অথচ আমারও বুক ফেটে বলতে ইচ্ছা করেছিলো সারা পৃথিবীবাসিকে, দ্যাখো- দুনিয়ার সবচে' সুখি মানুষ কেমন করে স্বপ্নের রঙ নিয়ে খেলছে?
আজ কেমন অনুভবে ভাসলাম?
...ভালোবাসার রকমফের, ভালাবাসার মারপ্যাঁচ, ভালোবাসার শতরঙ আমার আজো অচেনা। জানিনা, কেমন করে নির্লজ্জ্বের মত ফিরে যেতে হয় সেই কানাগলিতে। যেখানে অন্ধের মত বাজি লড়ে সর্বস্ব খুইয়েছিলাম। যে ভালোবাসার প্রতি আস্থা রেখে সর্বস্ব দিয়ে লড়েছিলাম সে ভালোবাসা কি কখনো আমায় সত্যিকার ভালোবেসেছিলো?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






