যে মেয়েটি আজ ঘর থেকে বের হয়েছে হাসিমুখে, কি নিশ্চয়তা আছে সে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে ঘরে ফিরে আসবে? প্রতিনিয়ত জীবন যাপন করতে হচ্ছে হুমকির মধ্য দিয়ে । কখন কার দেহে নিক্ষিপ্ত করা হবে বিষাক্ত এসিড । ঝলসে দেয়া হবে সবকিছু । কেননা আমরা তো নিজেদের নিরাপদ ভাবতে পারছি না । এ আতঙ্ক আমাদের সবার মনেই বাসা বেঁধেছে । আশার কথা হচ্ছে মানুষ বুঝতে শিখছে এবং এ ধরনের অপরাধ হ্রাস পেতে শুরু করেছে ।
বাংলাদেশে এসিড নিক্ষেপ হবার ঘটনা প্রতিদিনকার ব্যাপারের মতই । আগের তুলনায় এখন কিছুটা কমলেও এই সংখ্যা নগণ্যই । 2005 সালের 29 শে এপ্রিল প্রকাশিত বি.বি.সি র খবরে জানা গেছে, এ. এফ. সি র ভাষ্যমতে বাংলাদেশে 2002 এ 485 জন, 2003 এ 410 জন এবং 2004 এ 332 জন মানুষ এ ধরণের অপরাধের শিকার । 2004 এ 332 জনের মধ্যে 180 জনই মেয়ে এবং 76 জন 18 বছরের নিচে । দেখা যাচ্ছে মেয়েরাই দুভর্াগ্যক্রমে অধিকমাএায় নিযর্াতিত হয় । মেয়েদের দুর্বল ভাবা হয় বলেই হয়তো এরকম জঘন্য মানসিকতার শিকার হতে হয় ।
যারা এটা করেন, তাদের কম মূল্যের বলে অধিক কার্যকর সালফিউরিক এসিডই বেশি ব্যবহার করতে দেখা যায় । মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এসব মানুষ কেন এধরনের কাজ করেন বা উৎসাহ কোথায় পান সেটা জানতে পারলে হয়তো এ অপরাধের পেছনের কারণটা জানা যেত । আর যারা এভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন তাদের পূণর্বাসনও ঠিকমত হচ্ছে না । যার জন্য সবার এগিয়ে আসা প্রয়োজন ।
এসিড আক্রান্ত আমার মতই এসব মেয়েদের জন্য ভালোবাসা দিবসে আমার সব ভালোবাসা নিবেদিত করলাম ।।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৮:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




