ভাটির মানুষ আমি ,মাটি সারা দেহে
আমি বাঁশি বাজাই কদম তলে
সুরের মোহে কতজনা
আমায় ভালোবাসে ।
আমি কাদা মাটি জলে ভিজে
ঘুরে বেড়াই সোনা রোদে
ইচ্ছে হলে সাঁতার কেটে
ও পারে যাই চলে
পানকৌড়ির সাথে মাছ ধরি
ছোট্ট নদীর জলে ,
মাথার পরে মস্ত আকাশ
থাকি ছোট্ট নীড়ে ।
চোখের ধারে নদী কুলকুল বয়ে যায়
পাল তুলে নৌকা
অচিন দেশে যায়
কিশোরিরা সদলবলে নদীর কুলে ধায়
সবুজ ঘাসের শিশির মাখা পায়,
গামছা বেঁধে রাখাল ছেলে , ফিরে ফিরে চায় ।
যখন ধানের ক্ষেতে আলো ঝলমল করে
বাতাস লেগে সবুজ নবীন পাতা
আনন্দে দোল খায় ,
আমার মনের তানপুরাটা
নতুন সুরে গায়!
এ মাটি যে সোনার চেয়ে খাঁটি
গুনি জনে বলে
আমি ধন্য , জন্মেছি তার বুকে ।
বরষার কালে মোদের থাকে গোলা ভরা ধান
ভানের জলে মাছের নেই অভাব
সুখ স্বপ্নে ভাসি মোরা ,গাই বাংলার গান -
"আমি বাংলায় গান গাই ,বাংলার গান গাই
আমার আমিকে চিরদিন -এই বাংলায় খুঁজে পাই ।"
দিনে রবি জ্বলে রাতে শশী ফুটে
দেখে দেখে কাটে দিন রাত
প্রকৃতির লীলাখেলার অসীম যাদুঘর
এই সুবিশাল মধুর বাতিঘর
বিধাতা তোমার দান ।
স্বপ্ন দেখি না আকাশ সম
আকাশ প্রমান চাই না বাড়ি-ঘর
গাড়ির নেই কো প্রয়োজন
মাটির কুঠিরে সুখে আছি ,স্বপ্নের ভারে নুহ্য নই
মোরা অল্পে তুষ্ট হই ।।


সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



