- গাড়ি রিপেয়ার করার ঠিক পর পর কখনো গাড়ি নিয়ে দূরের পথে যাওয়া যাবেনা। কারন আপনি জানেননা এক সমস্যা ঠিক করতে গিয়ে নতুন কোন সমস্যা তৈরি করে ফেলেছে কিনা মেকানিক । একবার গাড়ির এসি ঠিক করালাম, তারপর একদিন হেডলাইট জ্বালানোর সাথে সাথে গাড়ির স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেলো, চাবি ঘোরালে কোন রেসপন্স নেই। শর্ট সার্কিট করে ফেলেছিলো মেকানিক। লং ড্রাইভে যাওয়ার চিন্তা করলে কিছুদিন আগেই গাড়ির কাজ করে ফেলা দরকার।
- হাইওয়েতে খুব প্রয়োজন না হলে ফাঁকা জায়গায় কখনো গাড়ির স্টার্ট বন্ধ করবেননা, কারন আপনি জানেননা আবার ওটা স্টার্ট নেবে কিনা। যা এমনিতে কখনো হয়না, হাইওয়েতে দেখা যাবে ঐদিনই প্রবলেমটা হবে। আসে পাশে দোকান-পাট আছে, এরকম জায়গায় গাড়ির স্টার্ট বন্ধ করতে পারেন।
- গাড়ি স্টার্ট করে ফিউজ বক্স থেকে একটা একটা করে ফিউজ/রিলে খুলে দেখুন, ঠিক কোনটা কোনটা খুললে স্টার্ট বন্ধ হয়ে যায়। ঐ মডেলের ফিউজ/রিলে সব সময় গাড়িতে এক্সট্রা রাখুন। এই একটা কাজ একদিন আপনার নিশ্চিত উপকারে আসবে।
- গাড়িতে প্রয়োজনীয় সকল টুলস্ রাখুন; যেমন ৮, ১০ ও ১২ নাম্বার নাট ওপেনার, ও এগুলোর L শেপড্ ভার্সন, একটা রেঞ্চ, ফিলিপস ও ফ্ল্যাট স্ক্রু ড্রাইভার, প্লায়ার্স, কিছু তার, টেপ, কাঁচি ইত্যাদি। একটা জাম্প-স্টার্ট কেবল রাখাও দরকার। একটা স্পার্ক প্লাগ, ফ্যান বেল্টও রাখা যেতে পারে, এগুলোর কোন একটা নস্ট হলে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বসে থাকা লাগবে।
- রাতে গাড়ি যখন বাসায় রাখবেন, গাড়ির ভেতর গাড়ির কাগজ-পত্র না রেখে বাসায় রাখুন। গাড়ি চুরি হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে চোর কিছু সমস্যায় পড়বে।
- গাড়ির টায়ারে সামান্য খুঁত থাকলেও তা চেন্জ করে ফেলুন, এ ব্যাপারে কখনো কার্পন্য করবেননা।
- গাড়ির তার কোথাও ছেঁড়া দেখলে সাথে সাথে টেপ পেচিয়ে রাখুন, নাহলে শর্ট সার্কিট হতে পারে।
- গাড়ির কাজ করানোর আগে মেকানিককে বলুন আপনার বাজেট খুবই কম, টাকা বেশি লাগলে কাজটা হয়তো আপনি আপাতত করাবেনই না, আপনার কোন তাড়া নেই। এক্ষেত্রে সম্ভাবনা মেকানিক যথাসম্ভব কম এস্টিমেট দিবে কাজটা পাবার জন্য।
- যতদূর সম্ভব গাড়ির পার্টস্ নিজে গিয়ে কিনবেন, দাম জানবেন, ঠকবেন কম। গাড়ির কাজ করার সময় সামনে বসে থাকবেন, তাতে আপনি কিছু শিখবেন, রাস্তায় সমস্যায় পড়লে নিজে হয়তো কিছু করতে পারবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



