
থাইল্যান্ড যেতে হবে, সব কাজ শেষে
বিমানে চড়ে বসি, মধুর হাসি হেসে।
ডং মুয়াং এয়ারপোর্টে অবতরণের পরে
ইমিগ্রেশান পার হলাম দেশ ভ্রমনের তরে।
সেখান থেকে হোটেলে চল থাকব ক’দিন বেশ
গাড়ি করে যাত্রা শুরু, দেখছি নতুন দেশ।
ব্যাংককের সুকুমভিতে ছিলাম প্রথম বার
সপ্তাহ শেষে ফিরে আসা হত আবার।
মাঝে মাঝে বাংলাদেশী খাবার খেতে এলে
ফাওরাতের হোটেল গুলোয় দেশী খাবার মিলে।
খাবার খেয়ে আড্ডা দিয়ে সপ্তাহ হত শেষ
নতুন এক সপ্তাহ শুরু কর্ম পরিবেশ।

ব্যাংকক থেকে কদিন পরে লপবুরির পথে
দেশটা দেখে চলছি সেথায় সবকিছু নিয়ে সাথে।
লপবুরির পাহাড় ঘেরা শান্ত পরিবেশ
সুখে দুঃখে শহরবাসীর কাটছে জীবন বেশ।
সহজ সরল জীবন তারা এগিয়ে নিয়ে যায়
মাঝে মাঝে পর্যটকের দেখা তারা পায়।
ব্যাংককের মত এটা ব্যস্ত শহর নয়
ধীরলয়ে হাসি গানে জীবন তাঁদের বয়।

লপবুরি থেকে গেলাম চিয়াংমাই শহরে
সবে মিলে একেবারে বড় সড় বহরে।
শান্ত শহর তবে শান্তি নেই সেখানে
মিয়ানমারের উদ্বাস্তু করছে বসত এখানে।
প্রতিবেশী দেশের বোঝা বইছে তারা অনেকদিন
বিদেশিদের আনাগোনা চলছে সেথা নিত্যদিন।

পাহাড় ছেড়ে দেখব সাগর সপ্তাহ শেষে বলেছি
সবাই মিলে সাগর পাড়ে পাতাইয়াতে চলেছি।
পর্যটকে বোঝাই শহর রমরমা পরিবেশ
শান্তি সুখের স্বপ্ন দেখা এবার বুঝি হোল শেষ।
শান্তি পেতে যেতে হবে সাগর দিয়ে পাড়ি
কোরাল দ্বীপের হাতছানিতে ব্যস্ততাকে আড়ি।

সেথায় আছে শান্ত সাগর সোনালী আলোর খেলা
ঘুরে ফিরে আনন্দতে কেটে যাবে বেলা।
সব মিলিয়ে নতুন দেশে লেগেছিল ভাল
দেশ ভ্রমনের ইচ্ছা নিয়ে আশার প্রদীপ জ্বালো।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


