তিনি ঘোরতর আওয়ামী পন্থী। বল্লেন
- দেশটাতো ভালোই চলছিলো, কেন এই জঙ্গি হামলা, কেন এই জ্বালাও পুরাও!
কথা সত্য, গত একটা বছর দেশে তেমন কোন জ্বালাও পুরাও ছিলো না। বল্লাম
- ভাই, ধরেন একটা লোক প্যারালাইজড হয়ে দেহের অর্ধেক অংশ অকেজু হয়ে আছে। এই লোকটার যদি জ্বর, মাথাব্যথা না হয় তাহলে কি তারে বলবেন যে সে ভালো আছে?
তিনি সরকার দলের সমর্থক। ক্ষমতা তার একটু বেশী থাকবে, সাভাবিক। আমার কোন যুুক্তিই কানে নিলেন না। বল্লেন
- বিএনপিতো কোন দলই না।
আমি বলার মত কোন কথা পেলাম না। বল্লাম
- ভাই, আমি বিনপিও করিনা, আওয়ামীলীগও করিনা। বিএনপি যদি দলই না হয় তাহলে তাদেরকে দমন করা হোক। যদি দল হয়, তাদের সাথে বসা হোক। যা ই করুক, সরকারের ভুলে গেলে হবে না যে দেশের জনগনের নিরাপত্তা দেওযার গুরু দায়িত্ব সরকারের। এক্ষেত্রে অমুক তমুককে দোষ দিলে হবে না।
আসলে দেশের মানুষ নিজে পরিশ্রম করেই বড় হতে চায়। তারা রাজনীতিতে কে আছে তা বুঝতে চায় না।
রাজনীতি নিয়ে কথা বলায় দুইটা সমস্যা আছে।
প্রথমটা সরকার দল নিয়ে। মতের বিরুদ্ধে হলেই, হয় পুরাও জেলে না হয় টেকনিক্যালি ফালাও প্যাঁচে। দ্বিতীয়টা হলো, সরকার বিরুধীদের মতের বিরুদ্ধে গেলে দাও গালি, না হয় কর এটাক।
আমার এই লেখা একেবারের অরণ্যে রোদন, মানে জঙ্গলে কান্নাকাটি করা। এর পরেও কেন লেখলাম? মনের জ্বালায় লেখলাম। গত কয়দিন আগে ককটেলের ধুঁয়া গায়ে লেগেছে। কে জানে হয়ত কবে ককটেলটাই গায়ে লেগে নাই হয়ে যাবো। তাই অন্তত ভাবনাগুলো কোথাও না কোথাও এর আগেই রেখে যাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




