তিনি ত্রিবেনী রেষ্টুরেন্টেই যাবেন।
আমার উদ্দেশ্য ছিলো বাসার আশেপাশেই বউ, বাচ্চা নিয়া ডিনারটা করবো। কিন্তু কর্তা তাহাই করেন ***। অতএব, ত্রিবেনীই ঠিক হলো।
বাংলাদেশের ক্যান্টনম্যান্ট এলাকা নিয়া একটা কথা বলি। এইসব এলাকায় যখনই আমি ঢুকি, মনে হয় সিঙ্গাপুরও এর কাছে ফকিন্নি। আহারে সমস্ত দেশটাই যদি আমাদের আর্মি ভাইরা এমন করে গুছায়ে দিতেন।
ত্রিবেনী রেষ্টুরেন্টের এলাকাটা আরো সুন্দর। পার্ক, লাইটিং, লেক সব মিলায়ে সত্যিই সুন্দর। রেষ্টুরেন্টের ভিতরটা মহা গর্জিয়াস। দূর থেকে রেষ্টুরেন্ট দেখে বল্লাম
- শুনো, পকেটে হাজার পাচেক টাকা আছে। দুইটা কোকাকলা খাওয়া যাবে তো?
যাই হোক, ভিতরে গিয়ে খাবারের দাম দেখে আমি অবাক! এত সস্তা! তবে নামগুলো খুব ভারী ভারী। একটা খাবারের নাম মনে আছে, মানুছ রোল।
খাবার মুখে দিয়াই মনে হইলো, খাবারটা নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু ভাবলাম, এই ভারী নামের খাবারের গন্ধটাও মনে হয় এমনই হয়। ঢোক গিলে খাইলাম। আবার যুক্তি দিয়া ভাবলাম, এমন জায়গায় খাবার নষ্ট হবার প্রশ্নই আসে না। সাধারণ রেষ্টুরেন্ট হইলে হয়ত হাক দিয়া বলতাম
- ভাইগ্না এই দিকে আয়। এই জিনিস তুই এক পিস খা, তোর ম্যানেজাররে তিন পিস খাওয়া। টাকা আমার।
খুব কষ্ট করে আরো দুই, তিন কামড় খাইলাম। প্রিয়কেও ছোট্ট এক টুকরা খাইতে দিলাম। ফলাফল - আমি তিন বার বাথরুম, প্রিয় সারা রাত কান্না।
কিসের পেটে নাকি ঘি সয় না। বুঝতেছি না, আমার ক্ষেত্রেও তাই হইলো কি না।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১৫ সকাল ১১:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



