কল্পদেশের মৎসমন্ত্রী পড়ছেন বিপদে।
নিয়ম করে তিনি ঘুষ খান, দূর্ণীতি করেন। পানি টানি খান, আরো কোথায় কোথায় যেন যান। এর পরেও মাছ চাষে কোন সফলতা আসে না। মন্ত্রী ভাইবা পায় না, ঘটনা কী! কল্পদেশের মন্ত্রী হইতে গেলে যা যা করা লাগে সবইতো করতেছি। এর পরেও সফলতা আসে না কেন?
মন্ত্রী একদিন তাজ্জব হইয়া গেলেন! পেট চুলকাইতে চুলকাইতে বললেন, বাত্তির নীচে অন্ধকার! এত কাছে এমন উদাহরণ থাইকাও আমি কি না সফল হওয়ার পথ পাচ্ছিলাম না! তিনি তার পিএসকে ডাকলেন। বললেন
- দেশের সড়ক ব্যবস্থার অবস্থা কি কও তো?
পিএস এদিক সেদিক চোরের মত তাকাইলো। এর পর বললো
- স্যার বড়ই বেহাল। শুনতাছি কয়েক হাজার এপ্লিকেশ পড়ছে মাছের পোনার।
মন্ত্রী ধমক দিয়া কয়
- চপ.., বেয়াদপ। সড়কের বেহাল অবস্থার সাথে মাছের পোনার কী সম্পর্ক!
পান খাওয়া মুখে পি এস কার্ফু মাছের মত হা করে শব্দহীন হাসি দেয়। বলে
- স্যার সড়কে খানা খন্দ হয়ে কয়েক জায়গায় পুকুরের মত হইছে। এলাকায় দলের কর্মীরা এইখানে টুপাইস কামাইতে চায় মাছ জিয়াইয়া।
মন্ত্রী দুশ্চিন্তা নিয়া বলে
- মাছের পোনা দিবা কইত্থাইক্কা? মাছই তো নাই, পোনা দিবো টা কে?
মন্ত্রী এবার অভিযোগের স্বরে পিএসকে বলে
- আইচ্ছা, সড়কের এমন অবস্থা, এর পরেও সড়কমন্ত্রী'র এত সুনামের কারন কি কও তো?
পি এস চট করেই উত্তর দেয়
- স্যার উনিতো সারা দিন সড়কে সড়কে ঘুইরা বেড়ান।
মৎসমন্ত্রী এবার হাসলেন। তার চিন্তার সাথে পিএসের চিন্তার মিল হইলো। তিনি পিএসকে বল্লেন, টিভি ক্যামেরাগুলারে খবর দাও। সন্ধায় তুমুক লেকের পাড়ে সংবাদ সম্মেলন।
টিভি সাংবাদিকরা ভেবে অস্থির। তুমুক লেকতো বেসিক্যালি সোয়ারেজ লাইনের ষ্টোরেজ। গু ভর্তী পানিতে মন্ত্রী কী করবেন?
মন্ত্রী সময় মত আসলেন। সবার চোখ কপালে! মন্ত্রীর পড়নে একটা লুঙ্গি। এই লুঙ্গিতেও কোছা দেওয়া। পাশে মন্ত্রীর পিএস দাঁড়ায়ে আছে, হাতে সরিষার তেল। মন্ত্রী সেই সরিষার তেল নিয়া তার বিশাল ভুঁড়ির নাভিতে মাখা শুরু করলেন। একটু তেল নিয়া নাকেও মাখলেন। এবার দিলেন সোয়ারেজের পানিতে ভরা লেকে ডুব। কতক্ষন খাবি খাইয়া উপরে উঠলেন। এর পর বল্লেন
- এখন থাইকা আমারে লেকের পানিতে, নদীর পানিতেই পাইবেন। মাঝেমাঝে বঙ্গোপসাগরেও পাইবেন। মাছ থাকে পানিতে, মৎসমন্ত্রীর কই থাকার কথা তাইলে কন? আপনারাই কন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


