somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যাদের প্রিয় চাই ;)

২১ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নাহ তাদের প্রিয়'ই চাই। একজন বললেন
- ভাইয়া দোয়া করেন, আমি যদি বিয়া সাদি করি, প্রিয়'র মত যেন আমার একটা বাবু হয়।
আরেকজন বললেন
- ভাইয়া আমার যদি বাবু হয় ও কি প্রিয়'র মত সুইট হবে?
আমি একজনকে বললাম
- প্রিয়'ই কেন লাগবে? আপনার বাচ্চা ঘানা'র বাচ্চাদের মত হইলেও প্রিয়'র চাইতে বেশী মায়া লাগবে তখন। প্রিয় কি অত সুন্দর? কই প্রিয়কে আমার কাছে তো দুনিয়ার সব কিছুর চাইতে সুন্দর মনে হয়!

কিন্তু নাহ, যারাই এই টপিক নিয়ে কথা বলেছেন, তাদের প্রিয়'ই লাগেব। আচ্ছা তাদের জন্য বলি, শোনেন
শুধু প্রিয় নিলেই হবে? প্রিয়'র দুই তিনটা স্বভাব বলি। প্রিয়'র মত আপনাদের বাবু হইলে কিন্তু নীচের এই স্বভাবগুলা সহই পাইবেন।
- খাটে দাঁড়ায়ে সিইই... বলতে বলতে হিসু দিয়ে সব ভিজায়ে দিবে। কাজটা যে দুষ্টামি'র এইটা সে বুঝে গেছে। প্রথম প্রথম বলতাম
- প্রিয়! খাটে হিসু দিতে হয়!
সে দুষ্টু দুষ্টু একটা হাসি দিয়ে বলতো, না। তারপর বলতাম, কোথায় হিসু দিতে হয়? সে আঙ্গুল দিয়ে বাথরুম দেখয়ে বলতো, ঐটা। নেক্সট টাইম আর খাটে হিসু দিবা না, ঠিক আছে? মাথা কাঁত করে বলতো, আত্তা।
এখন এত কাহিনী করতে হয় না। খাটে হিসু দেওয়ার পর যদি "প্রিয়" বলে চিল্লান দেই, সে দুষ্টু দুষ্টু হাসি দিয়ে বলে, আত্তা। তারমানে সে নেক্সট টাইম বাথরুমে গিয়ে হিসু দিবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই নেক্সট টাইমটা আর ওর হচ্ছে না।

হাতে মোবইল বা এই জাতীয় জিনিস নিয়ে ডাক দিবে, বাবা। তাকানোর সাথে সাথে ধপাস করে আছাড়। এখন আমরা নিজেরা প্রিয়'র সাথে স্মার্ট হয়ে গেছি। ডাক দিলে আগে আঁড় চোখে তাকাই। যদি দেখি হাতে কিছু আছে। দেখি নাই এমন একটা ভঙ্গি করে টুপ করে হাত থেকে জিনিসটা সরিয়ে ফেলি। কিন্তু সবসময় কি আর হয়ে উঠে!

আমি ভল্লুক শ্রেনীর মানুষ। সারা গা ভর্তি পশম। অবশ্য বললে ভালো হবে যে এক সময় ছিলো। কারন এই পশম এখন গায়ে নাই বললেই ভালো। কারন প্রিয় এই পশম টান দিয়ে দিয়ে ছিড়ে। ব্যথা পেয়ে চিল্লানি দিলে সে মজা পেয়ে হাসে। ছিড়তে না দিলে সে চিল্লানি শুরু করে।

যাক দানে দানে তিন দান বললাম। কী! এখনো প্রিয়'র মতই বাবু চাই?

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৩
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ যখন মানুষটা চলে যায়

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩




স্ত্রী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মানুষের মাথায় কী কী চিন্তা আসে আমি জানি না। কেউ হয়তো প্রথমে রাগ করে। কেউ ভেঙে পড়ে। কেউ সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দশ বছরের ব্লগিং—মিষ্টি মুখ হোক সবার

লিখেছেন কাওসার_সিদ্দিকী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৯

আজ আমার ব্লগিং যাত্রার দশ বছর দুই মাস পূর্ণ হলো। এই দীর্ঘ সময়ে পাঠকদের ভালোবাসা, মন্তব্য আর সমর্থন আমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাই আপনাদের সবার সাথে—তাই আজকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২


নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপেল নিয়ে যত গল্প পর্ব - ০১

লিখেছেন অধীতি, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:১১

আপেল, আমাদের পরিচিত ফল সমুহের ভেতরে অন্যতম। দেখতে সুন্দর, খেতে মিষ্টি এই ফলটির আমাদের জীবনের সঙ্গে মিশে গেছে। আপেল এক অদ্ভুত ফল। বাসায় মেহমানকে আপ্যায়ন থেকে শুরু করে রোগী দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ অদৃশ্য পাতায় লেখা ছিল যে

লিখেছেন সামিয়া, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২১



আমি একটা বায়িং হাউসে চাকরি করতাম। তখন জীবনটা খুব সাধারণ ছিল। সকালবেলা অফিস, সারাদিন কাজের চাপ, সন্ধ্যায় বাসায় ফেরা। ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়ে নিয়ে তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×