মুশফিক ভাইয়ের সাথে একবার ব্যাংকে গেলাম রেমিটেন্সের কাজে। মানিগ্রাম লেখা ডেস্কে কেউ নাই। টিবিলের সামনে রাখা দুইটা চেয়ারে দুইজন বসলাম। মুশফিক ভাই ঘাড় এদিক সেদিক করে মুচকি হাসি দিয়া বলা শুরু করলেন
- এই ডেস্কে যে স্মার্ট, ইয়াং ভদ্রলোকটা বসতেন, তিনি কোথায়? হয়্যার ইজ দ্যাট ডেম স্মার্ট, স্মাইলিং ফেস গাই?
হন্তদন্ত হয়ে পঞ্চাশ বছরের ইয়াং এক ভদ্রলোক বত্রিশ দন্ত বের করে সিটে এসে বসলেন। ভদ্রলোকের মুখ থেকে হাসিই পড়ে না! আমাদেরকে মারাত্মক খাতির করলেন। চা খাওয়ালেন। অন্য কোন ডেস্কে যেতেই দিলেন না। নিজে দৌড়ে দৌড়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে রেডি ক্যাশ হাতে ধরিয়ে দিলেন।
ব্যাংক থেকে বের হয়ে বললাম
- মুশফিক ভাই, ভদ্রলোক আপনার ফ্র্যান্ড তো মনে হইলো না, আত্মীয়ও না। এত গভীর সম্পর্ক করলেন কিভাবে?
আমাকে অবাক করে দিয়ে মুশফিক ভাই বললেন
- ্যাওড়া, এরে আমি কি চিনি নাকি!
- মানে!
আমার ঘাড়ে একটা হাত রেখে বললেন
- শোনো, আমরা যখন ঐ ডেস্কের দিকে হাটা দিলাম, তখনই ফাঁকিবাজ লোকটা ওঠে গেলো। পাশেই দেখি খোশগপ্প করতেছে। তাই অমন সুন্দর করে ডাকলাম। অন্য কেউ হয়ত মুখ গোমড়া করে অভিযোগ দিতো যে ডেস্কে কেউ নাই। ভদ্রলোকও বাহানা বানায়ে বলতো যে সে কাজের কারনে অন্য ডেস্কে ছিলো। কিন্তু প্রশংসা করাতে লোকটা প্রথমে অবাক হইলো। তারপর পরবর্তী আচরণ সবটাই অবাক আর মুগ্ধ হওয়ার কারনে...।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৪:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


