ছেলেটা বিদেশ থাকে। দেশে এসে দেখা করতে আসলো। জিজ্ঞাসা করলাম
- ঋণ আছে আর কোন?
হাসি দিয়া কয়
- নাহ ভাই। ঋনগুলা দিয়া পরে একটা জমিও কিনছি। তারপরে বাড়ীতে একটা ঘর উঠাইছি।
বললাম
- বাড়ীতে ঘর কেন? আগের ঘর কি বেশী খারাপ ছিলো?
আমতা আমতা করে কয়
- নাহ ভাই, মন চাইলো।
বললাম
- মন চাইলেও ফাও এমন জায়গায় টাকা ঢালবি না, যেখান থেকে কোন প্রফিট হয় না। স্বচ্ছলতা আসার পর বিলাসিতায় সমস্যা নাই। জমিতে ফসল হয়?
- হয় ভাই।
- গুড, এইটা ভালো জায়গায় ইনভেস্টমেন্ট হইছে। আরো ভালো হইতো বাজারে কোন দোকানের ভিটা কিনতে পারলে। ফসলে যা লাভ আসে, তার চাইতে বেশী আসে ভিটা'র ভাড়া। হাতে কোন টাকা আছে আর?
এতক্ষণে আসল কথায় আসলো, বললো
- ভাই হাতে লাখ তিনেক টাকা আছে, এইটা'তো খরচ হইয়া যাইতেছে কী করবো? কোন ব্যবসার আইডিয়া দেন।
বললাম
- ব্যবসাটা করবে কে? তুই'তো আবার বিদেশ চলে যাবি।
বললো
- ভাই, ব্যবসা দেখার'তো কেউ নাই। শুরু কইরা দিয়া গেলে হইবো না? বিদেশ গিয়া খোঁজ রাখলাম।
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম
- ব্যবসা অত সহজ না'রে। এক কাজ কর্ টাকা যা আছে সঞ্চয়পত্র কিনে রাখ। তিন লাখ টাকা'য় প্রায় হাজার তিনেক টাকা প্রফিট পাবি মাসে, এইটা দিয়ে মা'র হাত খরচের টাকাটা চলে আসবে সংসারের।
জিহ্বায় কামড় দিয়ে কয়
- ভাই এইটা সুদ, গুনাহ হইবো।
বললাম
- আইন মেনে স্বচ্ছল হওয়া অন্যায় না। আগে স্বচ্ছল হো, ঐ পর্যন্ত যা গুনাহ হবে, আমারে দিয়া দিস।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




