somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শূণ্য মাত্রিক
হাসছিল সজারু ... ব্যাকরণ মানিনা ... হয়ে গেল হাসজারু ... ক্যামনে তা জানিনা ...

The Concert For Bangladesh … নেপথ্যের গল্পঃ একজন জর্জ হ্যারিসন এবং আমাদের চূড়ান্ত পর্যায়ের অকৃতজ্ঞতা !!!

২১ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


“তোমরা কনসার্ট নামে কোটি টাকার বিদেশী শিল্পী আনো/রবিশংকর নেই কেন সেথা, নেই জর্জ হ্যারিসন ও…”- তখন বোধহয় ক্লাস সিক্স কি সেভেনে পড়ি, বাংলাদেশের খ্যাতনামা সুরকার প্রিন্স মাহমুদের একটা গানে প্রথম এই আফসোস টা শুনি। জর্জ হ্যারিসনের কথা তুললেই আরেকটা শব্দ যেটা চলে আসে সেটা হল “বিটলস” !! আমার মত হাজারো তরুন আছে যারা বিটলস শুনে বড় হয়েছে…যাদের প্রথম বার গিটারে কাভার করা কোন ইংরেজি গান, প্রথম প্রেম, প্রথম বার সিগ্রেট, প্রথম বার ভালোবাসাটাকে হারানো -সবকিছুর সাথে বিটলস যেমন আষ্টে পিষ্টে জড়িয়ে গেছে তেমনি জড়িয়ে আছে জন লেনন, জর্জ হ্যারিসন, এরিক ক্লাপটন, বব ডেলান প্রমুখ কিছু ব্যাক্তির নাম যারা সারা পৃথিবীর তরুনদের একটা আলাদা জীবন দর্শন দিয়েছেন, দিয়েছেন পৃথিবীটাকে কিছুটা আলাদা ভাবে দেখার একটা দৃষ্টি ভঙ্গি। কিন্তু আজ তাদের অন্য একটা গল্প বলব যার সাথে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ, ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন ও আমাদের চরম অকৃতজ্ঞতার নমুনা।

১৯৭১ সাল, তখনো বাংলাদেশ নামক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রটির জন্ম হয়নি। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে, হাজারো মানুষ শুধু মাত্র দেশের জন্য প্রাণ বিলিয়ে দিচ্ছে। খুবই ভংগুর অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা… অধিকাংশ মানুষ আধপেটা আবার তার সাথে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অকথিত নির্যাতন। আর ঐ নির্বিকার গনহত্যা ও নির্যাতনের ফলে প্রায় এক কোটি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নেয়। আবার এই বিপুল সংখ্যক শরণার্থীদের ভরণপোষন করতে গিয়ে দেখা দেয় ত্রান সমগ্রীর অভাব। ঠিক ঐ একই বছরের পহেলা আগস্ট… দিনটি ছিল রবিবার। নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে উপস্থিত ছিল প্রায় ৪০,০০০ এর মত দর্শক শ্রোতা। উপলক্ষ ছিল দুটি বেনিফিট কনসার্ট, আর এই বিনিফিট কন্সার্টের উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের শরণার্থীদের জন্য বিশ্বব্যাপী জনমত সৃষ্টি ও তাদের আর্থিক সাহায্যের জন্য ত্রাণ-তহবিল গঠন করা। এই প্রোগ্রামটির মূল আয়োজক ছিলেন বিটলস ব্যান্ডের লীড গিটারিস্ট জর্জ হ্যারিসন এবং ‘ভারতরত্ন’ মুকুটধারী সেতারবাদক ও আমাদের ব্রাক্ষণবাড়িয়ার জামাইবাবু রবিশংকর। ঐ কন্সার্টটির নাম দেওয়া হয়েছিল “Concert For Bangladesh”.

রবিশংকর ছিলেন একজন ভারতীয় সুতরাং তার পাশের দেশে কি হচ্ছে এটা তার আমলে থাকরই কথা। এবং এই নির্মমতা তার মনকেও কাদিয়েছিল নিঃসন্দেহে। আর তাছাড়াও ছিলেন তিনি জর্জ হ্যারিসনের অত্যন্ত অত্যন্ত একজন ভাল বন্ধু। তিনি জর্জ হ্যারিসনকে একবার অনুরোধ করতেই হ্যারিসন রাজি হয়ে যান, সুতরাং তিনি হ্যারিসনের কতটা ভালো বন্ধু ছিলেন এতে সন্দেহের অবকাশ থাকেনা। রবি শংকর লিখেছেন, I was in a very sad mood, having read all this news, and I said, “George, this is the situation, I know it doesn’t concern you, I know you cant possibly identify.” But while I talked to George he was very deeply moved… and he said”yes, I think I’ll be able to do something”। হ্যারিসন একটি দাতব্য সংগীতানুষ্টান করতে রাজী হন এবং তার দলের সদস্য বন্ধুদের ম্যডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে যোগদানের জন্য আমন্ত্রন জানান। মাত্র পাচ সপ্তাহের মধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। জর্জ হ্যারিসন প্রথমে তার প্রাক্তন ব্যান্ড বিটলস সদস্যদের যোগদানের জন্য আমন্ত্রন জানান। কিন্তু পল ম্যাকার্টনি সরাসরি “না” করে দেন,কারন তখন মূলত দলের সাথে তার কোন যোগাযোগ ছিল না। জন লেনন আসতে রাজী ছিলেন কিন্তু তখন আদালতে তার স্ত্রী ওনোর সাথে সন্তানের ব্যাপারে তার আইনি লড়াই চলছিল বলে শেষমেশ আসতে পারেননি। মিক জ্যাগার আটকে গেছিলেন ভিসা সম্পর্কিত ঝামেলায়। শেষ পর্যন্ত একমাত্র রিংগো স্টার তাদের সাথে যোগ দিতে সক্ষম হন। তাদের সাথে খ্যাতনামা শিল্পীদের মধ্যে আরো ছিলেনঃ বব ডেলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রিস্টন, হ্যারিসনের নতুন ব্যান্ড ব্যাড ফিংগারের যন্ত্রীদল সহ আরো অনেকে।

কন্সার্টের সূচনা হয় সেতার বাদক রবি শংকর ও বিখ্যাত সরোদ বাদক ওস্তাদ আলি আকবর খানের যন্ত্র সংগীতের মাধ্যমে। তাদের সাথে তবলায় ছিলেন ওস্তাদ আল্লা রাখা খান। তারা “বাংলা ধুন” নামে একটি ধুন পরিবেশন করেন। হ্যারিসন তার জনপ্রিয় All Things Must Pass এলবাম থেকে গান পরিবেশন করেন, তারপর তিনি তার সহশিল্পীদের সাথে পরিচয় করিইয়ে দিয়ে মঞ্চ থেকে নেমে যান। যন্ত্রীদের মধ্যে ড্রামসে ছিলেন রিংগো স্টার এবং জিম কেল্টনার। পিয়ানোতে লিয়ন রাসেল্ম অর্গানে বিলি প্রিস্টন, লিড গিটারে এরিক ক্ল্যাপটন এবং রিদম গিটারে ছিলেন হ্যারিসনের নিজের ব্যান্ড ব্যাড ফিংগার দলের চারজন সহ অনেক মিউজিশিয়ান। অন্যান্য আরো কিছু কারনে কনসার্ট ফর বাংলাদেশের একটা গুরুত্ত্ব ছিল। কেননা বিটলস ভেংগে যাবার পর এই অনুষ্ঠানই ছিলো হ্যারিসনের সরাসরি অংশগ্রহন করা প্রথম কোন অনুষ্ঠান। এরিক ক্ল্যাপটন নিজেও প্রায় পাচ মাস পর কোন সরাসরি অনুষ্ঠানে গান পরিবেশান করলেন। তাছাড়াও লিজেন্ড বব ডেলান ১৯৬৯ সালের পর প্রথম বারের মত শ্রোতা দর্শকদের সামনে এলেন। এই প্রোগ্রামে পরিবেশিত কিছু গানঃ While my guitar gently weeps, Beware Of Darkness, Here Comes the sun, Blowing in the wind, Just like a woman, My sweet Lord, Youngblood, wah-wah … তবে আকর্ষনীয় গানটি ছিলে জর্জ হ্যারিসনের লেখা ও সুর করা যেটা দিয়ে তিনি অনুষ্ঠানটি শেষ করেছিলেন, সেই কাল জয়ী গানটির নাম ‘Bangladesh’. গানট গাওয়ার সময় হ্যারিসন নিজেও আবেগ প্রবন হয়ে পড়েন, ছলছল করে উঠেছিল তার চোখ। আর তার সাথে আবেগ প্রবন হয়ে পড়েছিল পুরো ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন। বিশ্ববাসী সেদিন এই গানটির মাধ্যমে দেখতে পেয়েছিল বাংলাদেশে কি অকথ্য নির্যাতন চালানো হচ্ছে আর সেই সাথে শরণার্থীদের দূর্দশা। কনসার্ট থেকে প্রায় ২৪৩,৪১৮.৫০ ইউএস ডলার সংগৃহীত হয় যার পুরোটাই ইউনিসেফের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের জন্য দিয়ে দেওয়া হয়। এর সিডি ডিভিডি হতে প্রাপ্ত অর্থও ফান্ডে জমা হয়। এই অনুষ্ঠানের গানের এলবামটি সে বছর গ্যামি পুরষ্কার লাভ করে। জর্জ হ্যারিসনকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, “পৃথিবীতে এত এত সমস্যা থাকতে আপনি কেন এ ব্যাপারে (বাংলাদেশের শরণার্থিদের সহায়তা) কিছু করার জন্য আগ্রহী হলেন?” জবাবে হ্যারিসন বলেছিলেন “কারন আমার এক বন্ধু এ ব্যাপারে আমার সহায়তা চেয়েছেন। ”

বিখ্যাত শিল্পীদের নিয়ে গানের আসর আয়োজন করে মানবকল্যানমূলক কাজের জন্য তহবিল সংগ্রহের কাজটি প্রথম জর্জ হ্যারিসনই সূচনা করেন। ইভেন মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে এ ধরনের কোন কনসার্ট খোদ আমেরিকাতেও প্রথম। আর্থিক ছাড়াও এই কন্সার্টটির ঐতিহাসিক গুরুত্ত্ব অপরিসীম। ২০০১ সালে মাত্র ৫৮ বছর বয়েসে হ্যারিসন মারা যান ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে। তার শোকে জন্মস্থান ব্রিটেনের লিভারপুলে অর্ধনমীত রাখা হয়েছিল জাতীয় পতাকা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন তিনি বাল্যকালে বিটলস দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। কিন্তু আমরা কি করেছি ??? জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা তো দূরের কথা আমাদের রেডিও টেলিভিশানে আর দশটা সাধারন নিউজের মতই প্রকাশিত হয় হ্যারিসনের মৃত্যুর সংবাদ টি। সেখানে বিবিসি ও সিএনএন তার স্মুরণে সারাটি দিন বাজিয়েছিলেন “বাংলাদেশ বাংলাদেশ ” গানটি। আমরা যে কতটা অকৃতজ্ঞ জাতি সেটার একটা পূর্ণ প্রমান দিয়েছিলাম আমরা সেদিন । আচ্ছা আমরা কি পারতাম না ??? আমরা কি পারতাম না আমাদের কোন একটা রোডের নাম হ্যারিসনের নামে নামকরন করে তার নামটি অমর করে রাখতে, তার ভাষ্কর্য কি আমাদের দেশে স্থান পাবার যোগ্যতা রাখে না ? স্বাধীনতার পর জর্জ হ্যারিসন কতবার ভারতে এসেছে, আমরা কি পারতাম না তাকে আমাদের দেশে এনে যোগ্য সম্মানতা টুকু দিতে ? লজ্জা ঢাকতে দিলাম আমরা সম্মানতা, ২০১২ সালে … তার মৃত্যুর প্রায় দশ বছর পরে । আমরা যারা হ্যারিসানকে চিনি অচিরেই বলতে পারব যে যুদ্ধ পরবর্তী গরীব একটা দেশের থেকে সম্মাননা নেবার কোন প্রয়োজন ছিলনা তার। সারা জীবদ্দশায় সে জিনিসটা ঢের পেয়েছেন তিনি বিশ্ববাসীর কাছ থেকে। কিন্তু জাতি হিসেবে আমরা সারাজীবন ঋণী থেকে গেলাম ওনার ম্যাডিসন স্কোয়ারের পহেলা আগষ্ট দিন টির কাছে। While My Guitar Gently Weeps বাজানোর সময় বাংলাদেশি হিসেবে এখনো আমার সেই লজ্জা কিছুটা লাগে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:১৩
১৪টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×