somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের ধারার পাশ কাটিয়ে বাংলায় রক মিউজিকের বার্তা এবং ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ ব্যান্ডটির জন্ম

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ষাটের দশক। স্টেজে স্টেজে বব ডেলান তার Protest Music এর ভাবধারা ছড়িয়ে দিচ্ছে দর্শক শ্রোতাদের মাঝে, এক ধরনের বিপ্লব বয়ে যাচ্ছে তার গানের লিরিকে। সেখানে উঠে আসছে তার ভালো লাগা না লাগা, দূর্ভিক্ষ, যুদ্ধ, অসহায় মানুষদের খুজে না পাওয়া হাজারো প্রশ্নের উত্তর গুলোর চি্ত্র। সে সময় কেমন ছিল আমাদের বাংলা ? তখনো আমরা দুই বাংলার মানুষই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিংবা কাজী নজরুল ইসলাম দের দেখিয়ে যাওয়া ভাবধারার ভিতরেই ছিলাম। বব ডেলানের Folk Rock এর ছোয়া তখনো আমাদের এই উপমহাদেশে এসে পড়েনি। ঠিক সেই সময়কালেই কলকাতায় রক মিউজিকের বার্তা নিয়ে এল একটি ব্যান্ড। নাম ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’। আমাদের বাংলাদেশে ‘সোলস’ এবং ‘ফিডব্যাক’ ও প্রায় সমসাময়িক ব্যান্ড।

মহীনের ঘোড়াগুলি ছিল ভারতের প্রথম রক ব্যান্ড। ১৯৭০ এর মাঝ দশক থেকে কলকাতায় যাত্রা শুরু করে ব্যান্ডটি। ফাউন্ডিং মেম্বার ছিলেন সাতজন ক্ষ্যাপা মিউজিশিয়ানঃ গৌতম চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জন ঘোষাল, এব্রাহাম মজুমদার, তাপস দাস এবং তপেশ বন্দ্যোপাধ্যয়। ‘ক্ষ্যাপা মিউজিশিয়ান’ কথাটা বলা হয়েছে সম্ভবত ইনাদের সাহস আর অদম্য ইচ্ছা শক্তির জন্য। গৌতম চট্টোপাধ্যাইয়ের নেতৃত্ত্বে এই সদস্যরা তাদের ব্যান্ডটির প্রথম নাম রাখেন সপ্তর্ষী। পরে আবার কয়েকবার নাম পরিবর্তিত হয়ে ব্যান্ডটির ফাইনাল নামকরন করেন রঞ্জন ঘোষাল। তিনিই নাম দেন ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’। কোন নতুন ধারা প্রবর্তনের প্রথম দিকের মত মহীনের ঘোড়াগুলির সদস্যদেরও শুরুর দিকটা বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যাওয়া লেগেছে। কারন আমি আগেই লিখেছি সেই সময় কালটাকে রবীন্দ্র আর নজরুল সংগীতের প্রাধান্য ছিল। সেখানে অন্য ধারার মিউজিকের কথা মানুষ ভাবতেই পারত না। সেই সময়কালটাতে দাপটের সাথে বেড়াচ্ছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, শ্যামল মিত্র কিংবা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মত শিল্পিরা। আর মিউজিক্যাল ফিলোসফির দিক থেকে ইনারা সবাই রবীন্দ্র-নজরুল সংগীত ধারার ধারক এবং বাহক। তার তাছাড়াও তাদের গাওয়া সিনেমার গান এবং আধুনিক বাংলা গানের জনপ্রিয়তা ছিল খুবই বেশি।

ব্যান্ডটির নামকরন নিয়ে অনেকের মধ্যে অনেক কৌতুহল আছে। কারন নামটি কিছুটা অপ্রচলিত। কিন্তু ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ নামটির সাথে প্রকৃতপক্ষে মিউজিকের কোন মিল পাওয়া যায় না। এই নামটি নেওয়া হয়েছে জীবনানন্দ দাসের একটি কবিতা ‘ঘোড়া’ থেকে। এই কবিতার দ্বিতীয় পংক্তিটি হচ্ছেঃ
“মহীনের ঘোড়াগুলো ঘাস খায়, কার্তিকের জোৎস্না প্রান্তরে”
শুধু নামকরনের দিক থেকেই না, এদের অনেক গানেই জীবনানন্দের প্রভাব লক্ষ করা যায়। ব্যান্ডটির অন্যতম জনপ্রিয় গান হল “হায় ভালোবাসা”। গানটিতে মূলত বাংলার প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের সাথে মানুষের মিশে যাওয়া এবং সেই সৌন্দর্যটাকে কেন্দ্রে রেখে একজন ব্যাক্তি পর্যায়ের চাওয়া-পাওয়া কিংবা ভালোবাসার ছবিটা ফুটিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। অনেকেই বলে থাকেন যে গানটিতে স্পষ্ট জীবনানন্দের প্রভাব আছে। জীবনানন্দই তার সময়ে তৎকালীন কাব্য ধারার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে নতুন আংগিকে কবিতা লিখতে শুরু করেন। তাই মহীনের ঘোড়াগুলি ব্যান্ডটিতে জীবনানন্দের প্রভাব সত্যিই যুক্তিযোগ্য।

এটা বলার অপেক্ষাই রাখে না যে এই ব্যান্ডটিকে এবং ব্যান্ড মেম্বারদের অনেক পুরোনো প্রচলিত স্রোতের বিপরীতে গিয়ে মিউজিক করা লেগেছে। কারন বাংলার মানুষ তখন রক মিউজিকের সাথে মোটেও অভ্যস্ত ছিল না। ফলে শুধু তাদের গানই নয়, তাদের গ্রহনযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠার কথা ছিল। কিন্তু তারা সেসব বাধার ধার ধারেননি। এটা বলা হয়ে থাকে যে গৌতম চট্টোপাধ্যায় মূলত বামপন্থী আদর্শের অনুসারী। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি যে, বামপন্থী ধারার বিশ্বাস থেকেই হয়ত তিনি এই পরিবর্তনের এই অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন, অন্তত কিছুটা হলেও। আমরা সকলেই জানি তৎকালীন সমসাময়িক সময়ে কলকাতায় কমিউনিজমের হাওয়া বদল চলছিল। মূল ধারার কমিউনিস্ট পার্টির থেকে আলাদা হয়ে কিছু বামপন্থী মাও সে তুং এর দেখানো পথে বিপ্লব করে ঘুণে ধরা সমাজটার ভোল পালটে দিতে চেয়েছিল। যদিও ভারতের ইতিহাস তাদেরকে ‘নকশাল সন্ত্রাস’ বলেই সম্বোধন করে। মহীনের ঘোড়াগুলির একজন সদস্য এব্রাহাম মজুমদারের ধারনা গৌতম চট্টোপাধ্যায় হয়ত নকশাল আন্দোলনের সাথেও জড়িত ছিলেন। আই রিপিট এগেইন, হয়ত গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক মতাদর্শই তাকে প্রচলিত ধারার বাইরে নতুন ধারার গান করার সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছিল। কিন্তু আমি এটা বলছিনা যে শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শই এই নতুন ধারা প্রবর্তনের একমাত্র প্রেরনা ছিল কিন্তু আমার ধারনা সেটা সামান্য হলেও প্রভাব ফেলেছিল।

১৯৭৭ সালে মহীনের ঘোড়াগুলির প্রথম এলবাম প্রকাশিত হয়, তার নাম ছিল “সংবিগ্ন পাখিকূল এবং কলকাতা বিষয়ক”। এলবামটি প্রকাশিত হবার পরে আনন্দবাজার পত্রিকার কলামে বিশিষ্ট জনদের বেশ সুনাম কুড়ায় ব্যান্ডটি এবং একটি টেলিভিশনের শো’তেও যোগ দেয় তারা। কিন্তু এর পর স্রোতা মহলে জনপ্রিয়তা এবং গ্রহনযোগ্যতা কমতে থাকে ব্যান্ডটির। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে পোষ্ট এর মাধ্যমে নানা চিঠিপত্র আসতে শুরু হয়। পরে ১৯৭৮ সালে রঞ্জন ঘোষাল “অজানা উড়ন্ত বস্তু বা অ-উ-ব” শিরোনামের দ্বিতীয় এলবামটি বের করেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হল এই এলবামটির কাভার তৈরী হয় তাদের বিরুদ্ধে আসা চিঠি পত্রগুলোর সমন্বয়ে। তারপর তাদের তৃতীয় এবং শেষ এলবামটি বের হয় ১৯৭৯ সাল এবং এর নাম ছিল “দৃশ্যমান মহীনের ঘোড়াগুলি”। এরপর অধ্যায়টি ততটার সুবিধার ছিল না। আশির দশকের গোড়ার দিকে ব্যান্ডটি ভেংগে যায়, সাথে বন্ধ হয়ে যায় তাদের এলবাম বিক্রিও।

ব্যান্ডটি সংগীতের বিভিন্ন শাখার উপর নিরীক্ষামূলক কাজ করত… যেমনঃ আমেরিকান, ল্যাটিন, রক, জাজ, বাউল, লোক। এসব সংমিশ্রনের প্রভাব থেকেই আসলে এই ব্যান্ড দলটিকে শ্রেণীভুক্ত করে ওঠা কঠিন। তবে গানের ধরন হিসেবে মহীনের গান গুলো জীবনমুখী বলা চলে। তাদের গানের বিষয় ছিলঃ দারিদ্র, রাজনীতি, অর্থনীতি, ভালোবাসা, স্বাধীনতা, একাকিত্ত্ব, ভিক্ষাবৃত্তি, যৌনপেশা ইত্যাদি। তাই বলা চলে তৎকালীন সংগীত জগৎ এ সম্পূর্ণ নতুন একটি মাত্রা নিয়ে যুক্ত হয় মহীনের ঘোড়াগুলি। রঞ্জন ঘোষাল, তপেশ বন্দোপাধ্যায় (ভানু দা) প্রমুখ ব্যাক্তির বিভিন্ন প্রকারে অতীত থেকেই সংগীতের সাথে জড়িত থাকলেও ব্যান্ডটির স্রষ্টা ‘গৌতম চট্টোপাধ্যায়’ একদমই নতুন মুখ। কিন্তু তার চিন্তাধারা, আদর্শ কিংবা সমাজ ভাবনা ছিল একেবারেই আলাদা… কখনো কখনো সেটা মিউজিকের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ ও না। কিন্তু প্রচলিত সেই সংগীতের ধারা থেকে বেরিয়ে গৌতম তার আদর্শ ভাবনা গুলো ঢেলে দেন তার গীতিকবিতায়। তাই অনেকে নতুনত্ত্বের এই আনায়নকে ষাটের দশকের বব ডেলানের সাথেই তুলনা করেন। বর্তমান অঞ্জন দত্ত, কবীর সুমন, নচিকেতা কিংবা তাদের জীবনমুখী গানগুলো সরাসরি মহীনের ঘোড়াগুলি, পরশ পাথর কিংবা ক্যাকটাস ব্যান্ড থেকে সরাসরি অনুপ্রানিত। এটা অঞ্জন দত্ত তার একাধিক গানে অকপটে এটা স্বীকার করেছেন।

অল্প কিছু কথা লিখে শেষ করব… আমার শিক্ষক, আব্বু-আম্মু আমাকে যেমন শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন কিংবা জীবন যাপনের যে পথ গুলো দেখিয়েছেন একটা বয়েস পর্যন্ত ঐটাই ছিল আমার পাথেয়। কিন্তু আস্তে আস্তে আমি বিটলস, বব ডেলান দের সংস্পর্ষে এলাম। আবিষ্কার করলাম আর দশটা পাচটা নিয়মের বাইরেও পৃথিবীটাকে দেখবার কিংবা বুঝবার আরো অনেক দৃষ্টি ভংগি আছে। সেগুলো বইয়ের পাতায় লেখা থাকে না, শিক্ষত বেতের আঘাতে সেগুলো বোঝাতে পারেনা, আর বাবা মাও সে দায়িত্ত্বটা নেয়না। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মহীনের ঘোড়াগুলি, পরশ পাথর, ক্যাকটাস, অঞ্জন দত্ত, কবীর সুমনদের কাছে অনেক ঋণী। ঋণী এজন্যই কারন তারাই আমার চিন্তাশক্তির একটা আলাদা জগৎ এর সন্ধান দিয়েছেন। আমি প্রায়ই অঞ্জনের গানে দার্জিলিং এ হারিয়ে গেছি, নচিকেতার নীলাঞ্জনার মধ্যেই প্রায় আমি আমার নীলাঞ্জনাটিকে খুজে পেয়েছি কিংবা পরশ পাথরের নাম না বলা কন্যার নাম জানতে আমি ও কৌতুহলী ছিলাম। স্যালুট এই মানুষগুলোকে যারা গানের মধ্য দিয়ে আমার মত হাজার হাজার তরুন দেরকে জীবনবোধের একটা আলাদা একটা সংগা শিখিয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৪
৯টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বে ঋণ খেলাপিতে বাংলাদেশ ১ নম্বর এবং দেশে ঋণ খেলাপিতে শীর্ষ ২০ জনের ১৯ জনই ওনাদের!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



শাস্ত্রীয় কথায় না গিয়ে সোজা কথায় কেউ ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলে তাকে ঋণ খেলাপি বলা হয়। আপনি জানলে অবাক হবেন যে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির ১৯ জনই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কি ডার্ক জাস্টিসকে ফলো করছেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১০



ছোটবেলায় দেখা একটি টিভি সিরিয়াল তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিলো। একজন বিচারক যিনি দিনের বেলায় কোর্ট রুমে অপরাধের বিচার করতেন, আর, রাতেরবেলা আইনের ফাঁক -ফোকর গলে বেরিয়ে যাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

একদিন আমরা ক’জনা মিলে …….

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১২



ব্লগের একাধারে নম্র ও প্রাজ্ঞ এবং গবেষক সহ-ব্লগার শ্রদ্ধেয় ডঃ এম এ আলীর “ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনতে ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত আবেদন”... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে-----

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৪



জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর কোন মাসেই নয় ..।

দুর্নীতি সেদিনই বন্ধ হবে
যেদিন মানুষ নিজের কাছে
মিথ্যে বলা বন্ধ করবে
অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে
সত্যের পথে দৃঢ় পায়ে চলবে।

যেদিন বিবেক জাগবে মনে
লোভ হারাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×