
মেডিক্যাল পড়ুয়া মেয়েদের এপ্রন যেন তাদের বোরকা ( তাও ভাল এক উছিলায় গায়ে কিছুতো দেয়
আর এক্ষেত্রে ছেলেরা পড়ে নতুন নতুন এডমিট হবার পরের কয়দিন। তারপর তাদের এপ্রন গায়ে দেয়ায় থাকে রাজ্যের অনীহা। সে এপ্রন স্থান পায় তাদের হাতে,ঘাড়ে বেশির ভাগ সময়ই ব্যাগের ভিতরে
যা হোক যেটা লিখতে চাইছি, আমার একমাত্র ছোট বোন এবার হলিক্রস কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক দিল। ফার্মগেট এডমিশন কোচিং করে আর মিরপুর-১০ এ এডমিশনের জন্য প্রাইভেট পড়ে। তো বোনকে ফার্মগেট কোচিং থেকে ১০ নম্বর আনতে যাচ্ছিলাম আর বাসায় ও জুলজি বই ফেলে গেছে সেটা হাতে করে বের হয়েছি।
১০ নম্বর থেকে "বিকল্প"তে উঠলাম। আহা!পাশে এসে বসল এক এপ্রন পরিহিতা
আমি-বলতে চাইছিলাম............
এপ্রন পরিহিতা-কি বলতে চাইছিলা? আমি কিভাবে পড়েছি? এইভাবে এইভাবে .......
আমি- না আপু বলতে চাইছিলাম, আমি আসলে এডমিশন দিবনা.........
এপ্রন পরিহিতা-বুঝেছি HSC খারাপ দিয়েছ।শোন, জীবন নিয়ে বসে থাকলে চলবেনা ( একগাদা উপদেশ)
আমি-আপু আপনি যদি আমাকে না থামিয়ে দেন একটি কথা বলতাম।
এপ্রন পরিহিতা- জী বল বল ( মুখে হাসি এনে )
আমি- আপু,আমি দেখতে বুইড়া খাটাশ। ক্যামনে ভাবলেন আমি এত গুইদা?? হাতে ইন্টারের বই থাকলেই সে এডমিশন দেয়নারে। আমি নিজে একজন তরুন ডাক্তার -_-
ইহা শুনিয়া মুখ কাচুমাচু করিয়া সে আমার পার্শ্ব হইতে প্রস্থান করিলেন
মোরালিটিঃ কারো সম্পর্কে না জেনে কিছু ভাবিয়া লউয়া অনুচিত
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ১০:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



