জানিনা আমি কেন এমন এক সময়ের সামনে এসে উপস্থিত হলাম। শিক্ষার আলোয় আলোকিত এই যুগেও কলিযুগের বর্বরতা কে হার মানিয়ে দিচ্ছে।
ভিকারুন্নিসা নুন স্কুলের সেই ছাত্রির কথা মনে আছে?? যে শিক্ষকের কাছে ধর্ষিত হয়ে ছিল! কোথায় সেই শিক্ষক?? বিচার হয়েছে????? সেই মেয়ে লোকলজ্জার ভয়ে আড়ালে চলে গেছে।
মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী স্কুলের ক্লাস ওয়ানের ছাত্রী নাকি হয়রানির শিকার হয় আবার সেই রক্ষক শিক্ষক রা নাকি ধামা চাপা দিতে চায় স্কুলের সম্মানহানি র ভয়ে! কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে আমাদের মানসিকতা?? এই মেয়েটা ভবিষ্যতে মানসিক শক্তির খোরাক হবে কি??? আরে সে তো ঘরের ভেতর হাটতেও ভয় পাবে!
আমরা বলি মেয়েরা নিজেদের দোষে হয়রানির শিকার হয়। তারা পর্দা করা না। এই ছয় বছরের বাচ্চা কেও কি বোরখা পড়তে হবে?? ইনডিপেন্ডেন্স কি শুধু ছেলেদের জন্য এসেছিল? দুই লাখ মা বোন কি ইজ্জত দিয়েছিলেন তাদের পরের প্রজন্মের ইজ্জত নিয়ে টানাটানি করতে??
মেয়েদের দোষ দেওয়া বন্ধ কর। আগে নিজে ঠিক হও। দেশের স্কুল কপ্লেজ গুলারে টি এস সি বানানো বন্ধ কর। জাতির নেতৃত্ব যারা দিবে তাদের কে গলাটিপে এভাবে মানসিক মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিও না।
মাননীয় সরকার আপনার ২০২০ সালের মধ্যে আধুনিক জাতির বদলে সুস্থ মন মানসিকতার জাতি হিসেবে গড়ে তোলার দিকে মন দিন। আমরা মানসিক মুক্তি চাই অর্থনৈতিক মুক্তি পরে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



