somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আমারে স্যার ডাকবা
আমি কারো ভাই ব্রাদার না, আমারে স্যার ডাকবা

আমি কারো মৃত্যু কামনা করি নাই, এটা তার বোঝার ভুল।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ছবি কৃতজ্ঞতাঃ ব্লগার জুন

আমি এই লেখাটা সাময়িক ভাবে লিখছি। যেহেতু আমার লেখায় ব্লগার জাদিদ সাহেবের একটা মন্তব্য থেকে অনেকেই কিছু ভুল ধারনা ধরে বসে আছে, এবং আমি আমার অবস্থান ব্যাখা করার পরও তারা মানছে না। তাই আমি ব্লগার জাদিদ সাহেব থেকেই এই ব্যাপারে একটা ব্যাখা আশা করছি। সবাই আমার লেখা না পড়েও যেহেতু তার মন্তব্য থেকেই একটা ধারনা ধরে বসে আছে, তাই তার ব্যাখাই তাদের ভুল ভাঙাতে পারে।

তবে প্রথমে আমার অবস্থান (আবারও) পরিস্কার করি।
আমার একটা লেখায় আমি লিখেছিলাম মানুষ মরে গেলে বাংলাদেশে তাকে গ্লোরিফাই করা হয়। সেই লেখার শেষে আমি ডার্ক হিউমার হিসেবে চারটি লাইন লিখেছিলামঃ

হয়তো ব্লগার গাজীর প্রয়ানের পর ব্লগারগন বিবৃতি দিবে, "লোকটা বুদ্ধিমান ছিলো, সকলের ব্লগে উৎসাহ দিয়ে মন্তব্য করতো। বিবেক ছিলো, আত্মসম্মান ছিলো।"
অথবা ব্লগার বালিশের মৃত্যুর পর তানভীর সাহেব বিবৃতি দিবে, "লোকটা আমার বন্ধু ছিলো। আমার লেখায় আমাকে সম্মান দিয়ে মন্তব্য করতো। কপি-পেষ্ট করতো না"


এই লেখা আমি পোষ্ট করি ৩:৫৭ মিনিটে, ৪:০০ টা থেকে আমার ইন্টারনেট সমস্যার কারনে আমি লগ ইন করতে পারিনি। কিন্তু আমি নিজেই বুঝতে পারছিলাম এই লেখাটুকু কেউ না বুঝলে অফেন্ড হয়ে যাবে। ডার্ক হিউমার হিসেবে ধরতে পারবে না। পরবর্তীতে ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক হওয়ার পর লগইন করে আমি ব্লগার জাদিদ ভাইয়ের কমেন্ট পাই, যেখানে তিনিও এই বিষয়ে মন্তব্য করেন।



আমি পোষ্ট থেকে লাইন চারটি বাদ দেই। এবং জাদিদ ভাইকে বুঝিয়ে বলি আমি কারো মৃত্যু কামনা করি নাই। এডিট করেই যেহেতু আমি আমার লেখার মন্তব্যের রিপ্লাই দিয়েছি, তাই ধারনা করছি এডিট করা হয়েছে বিকাল ৪:৫৫ মিনিটের এর আশে পাশে

পরবর্তীতে আবার ব্লগার কাল্পনিক_ভালোবাসা মন্তব্য করেন শিরোনাম পরিবর্তনের ব্যপারে সাজেশন দিলে আমি পোষ্ট এডিট করে শিরোনাম পরিবর্তন করি। এই এডিট করা হয়েছে ৭:৫১ মিনিটে।

আমার লেখায় চাঁদগাজী সন্ধ্যা ৬:০০ টার সময়ে কমেন্ট করেছেন। স্বভাবতই তিনি আমার মূল লেখা পড়েন নি, তিনি দেখেনও নাই যে আমি ঠিক কি লিখেছিলাম। তিনি ব্লগার জাদিদ সাহেবের মন্তব্য থেকে ধারনা করেছেন আমি তার মৃত্যু কামনা করেছি। এই বিষয়ে আমি তাকে উত্তর দিলেও তিনি সেটা মানেন নি, গতকাল (১৪ সেপ্টেম্বর) একটা লেখায় তিনি আবার বলেছেন তার নাকি মৃত্যু কামনা করা হয়েছে, এবং কেউ প্রতিবাদ করেনি।



তার এই লেখায় আমি আবার লম্বা কমেন্ট করে তার ভুল ভাঙানোর চেষ্টা করেছি। মনে হয় না তিনি আমার কথা বুঝেছেন।

এরপর একজন বিজ্ঞ ব্লগারকে দেখলাম খুবই মানসম্পন্ন একটি ব্লগপোষ্ট করেছেন, যেখানে জনগুরুত্বপূর্ণ একটা নিউজ তিনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনিও লিখলেন যে ব্লগার চাঁদগাজীর মৃত্যু কামনা করা হয়েছে। যদিও লেখাটি তিনি পড়েননি। আমি এখানেও কমেন্ট করে ভুল ভাঙাতে বৃথা চেষ্টা করেছি।




পরবর্তীতে তিনি কমেন্ট লিখেছেন চাঁদগাজীকে হুমকি দেয়া হয়েছে।আরও বলেছেন আমি ধমক খেয়ে পোষ্ট এডিট করেছি



বিজ্ঞ ব্লগার আরো বলেছেন পোষ্ট যেহেতু এডিট করা হয়েছে, তাই এটা অরিজিনাল পোষ্ট নয়।
(যদিও তিনি লেখা পড়েন নি, তবু হয়তো বোঝাতে চেয়েছেন আমি পোষ্ট এডিট করে হুমকির কথা মুছে ফেলেছি)



যাই হোক, ব্লগার জাদিদ ভাইয়ার কাছে আমার কিছু প্রশ্নঃ
১) লেখাটি আপনি পড়েছেন। আপনার মন্তব্যের কিছু পরেই আমি লেখা এডিট করি। আমি লেখায় শুধু ব্লগার গাজী লিখেছি, আপনিও মন্তব্যে শুধু ব্লগার গাজী লিখেছেন। আপনার কি আসলেই মনে হয়েছে আমার লেখাটিতে চাঁদগাজীর নাম আছে?
২) আপনার কি আসলেই মনে হয়েছে আমি ব্লগার চাঁদগাজী বা কারো মৃত্যু কামনা করেছি?
৩) আপনার কি মনে হয়েছে আমি চাঁদগাজীকে হুমকি দিয়েছি?
৪) আমার কাছে যদিও আপনার কমেন্টকে ধমক মনে হয়নি। তবু আপনি নিজে বলেন আপনি কি আমাকে ধমক দিয়েছেন?
৫) পোষ্টটি দুইবার এডিট করা হয়েছে। ৪:৫৫ মিনিট (প্রায়) এবং ৭:৫১ মিনিটে। এডিটের পূর্বেই আপনি লেখা পড়েছেন। আপনার কি মনে হয়েছে এডিট করে আমি লেখার মুল ধারনা পাল্টে ফেলেছি?

বাকি ব্লগারগনও মতামত দিতে পারেন। বিশেষ করে ঐ লেখাটি যারা পড়েছেন, তারাই বলেন, আমি কি মৃত্যু কামনা করেছি? কিংবা হুমকি দিয়েছি?


উল্লেখ্য, এই ব্লগে গাজী লিখে সার্চ করলে ৯-১০ জন ব্লগারকে পাওয়া যায়, তার ভেতর গাজী নামেই একজন আছেন। ১৫ বছরের পুরনো ব্লগার। অফেন্ড হলে তারই হওয়ার কথা।
গাজী লিখে সার্চ করলে সার্চ রেজাল্টে চাঁদগাজীকে পাওয়া যায় না।

নোটঃ আমি পশুপ্রেমী হিসেবে সকল লেখায় পশুর ছবি দিবো বলেছিলাম, সেটা শুনে জুন আপা আমাকে ছবি দিয়েছেন। ছাগলের পালের এই ছবি পোষ্টের সাথে সম্পর্কিত নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১:১৯
৭৪টি মন্তব্য ২৫টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×