somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইমাম আজম আবু হানিফা রহ. অমিয় বানী

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইমাম আবু হানিফা রহ.

১. ইমাম আবু হানিফা রহ. বলেন , কোন মাসালায় যদি রসূলুল্লাহ (স: )এর হাদীস( (সহীহ হতে হবে কুরআন বা অন্য কেন হাদীসের বিপরীত হবে না )পাওয়া যায় তাহলে তো আমরা সানন্দে তা গ্রহণ করে নেই । আর যদি কোন মাসালার ক্ষেত্রে সাহাবায়ে কেরাম থেকে একাধিক মত পাওয়া যায় তাহলে আমরা সেগুলোর মধ্য হতে একটি মত গ্রহণ করি । তাঁদের মত গুলোকে সম্পূর্ণ এরিয়ে যাই না । তবে তাবেঈনদের [ ইমাম আবু হানীফা রহ. এর সমসাময়িক উলামাদের] একাধিক মত পাওয়া যায় তা হলে সে ক্ষেত্রে আমরা আমাদের মত ব্যক্ত করি ।

২.ইমাম আবু হানিফা রহ: বলেন, কুরআন হাদীস ও সাহাবায়ে কেরাম রা. এর ইজমা'র বিপরীত কোন ব্যক্তির জন্য নিজের মত পেশ করার বৈধতা নেই ।হাঁ ,যেসব মাসআলার ব্যাপারে সাহাবায়ে কেরামের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে সেক্ষেত্রে আমরা তাঁদের উক্তিগুলোর মধ্য হতে সেই উক্তিটিই গ্রহণ করি যা কুরআন হাদীসের অধিক নিকটতর। আর এটাই ইজতেহাদের ক্ষেত্র ।

৩.ইমাম আবু হানীফা রহ. বলেন যদি দীনের ক্ষেত্রে সংকীর্ণতার ভয় না হতো তাহলে আমি কখনও ফতোয়া দিতাম না । যেসব বিষয়ের কারণে জাহান্নামে যাওয়ার আশংকা হতে পারে সেগুলোর মাঝে সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো "ফতোয়া"।

৪.ইমাম আবু হানীফা রহ. বলেন, যখন থেকে আমার বুঝ এসেছে , কখনও আমি আল্লাহ তাআলার উপর দুঃসাহসীকতা দেখাইনি । [ অর্থাৎ মাসআলা বলে আল্লাহ তাআলা ও তার রসুলের দিকে নেসবত করিনি ।]

৫.ইমাম আবু হানিফা রহ. যদি কোন মাসআলায় আটকে যেতেন এবং সমাধান না পেতেন তখন তিনি তাঁর ছাত্রদেরকে বলতেন ,"এটা আমার কোন গুনাহের কারণে হয়েছে ।" অতপর ইস্তেগফার শুরু করে দিতেন । আর অধিকাংশ সময় অযু করে দাঁড়িয়ে দু'রাকাত তাওবার নামায পড়ে দিতেন ।এতে মাসালার সমাধান হয়ে যেত ।তখন তিনি বলতেন ,এটা এক প্রকারের সুসংবাদ । আমি আশাবাদী হতাম যে আমার তাওবা কবুল করা হবে এবং মাসআলা বুঝে এসে যাবে । বিখ্যাত বুযুর্গ ফুযাইল ইবনে আয়ায রহ. যখন ইমাম আবু হানিফা রহ. এর এই আমলের ব্যাপারে জানতে পারলেন তখন কাঁদতে আরম্ভ করলেন এবং বললেন ," আল্লাহ তাআলা আবু হানিফার রহ. এর উপর রহম করুন " তার গোনাহ অনেক কম ।[ তাই নিজের গোনাহ ও দুর্বলতা তিনি অনুভব করতে পারতেন ] কিন্তু অন্যদের তো এই অনুভুতিটুকু হয় না । কারণ তার গোনাহ তাকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×