মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি। ছবিটি গত বছরের ৪ নভেম্বর ইয়াঙ্গুনের একটি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুর্ট ক্যাম্পবেলের সঙ্গে বৈঠকের পর তোলা
এএফপি
ব্যারিকেড উঠিয়ে নিলেই সমর্থকেরা ছুটে গেল ইয়াংগুনের সেই ঐতিহাসিক বাড়িটির দিকে। গায়ে প্রিয় নেত্রীর ছবিসংবলিত টিশার্ট, কণ্ঠে জাতীয় সংগীত আর চোখে প্রতীক্ষা অবসানের প্রশান্তি। প্রিয় নেত্রী বাড়ির মূল ফটকে দাঁড়াতেই মুহুর্মুহু করতালি আর হর্ষধ্বনিতে মুখরিত করে তুলল দীর্ঘ সময় নীরবে থাকা বাড়িটির আশপাশ। হ্যাঁ, দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ শনিবার সন্ধ্যায় মুক্তি পেয়েছেন মিয়ানমারের গণতন্ত্রের প্রতীক অং সান সু চি। সমর্থকদের ভালোবাসায় মুক্ত পরিবেশে স্বাগত জানানো হলো সু চির এই ঐতিহাসিক মুক্তিকে।
গৃহবন্দিত্ব আদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ অং সান সু চি মুক্তি পেতে পারেন, এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল বেশ কয়েক দিন ধরে। সামরিক জান্তা মুক্তিনামায় স্বাক্ষর করলেও সংশয় ছিলই। অবশেষে সবকিছুর সমাপ্তি ঘটিয়ে সামরিক জান্তা আজ তাঁকে মুক্তি দিয়েছে। তবে জান্তা সরকার তাঁকে রাজনীতি না করার দাবি জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের দাবিতে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া শান্তিতে নোবেল জয়ী সু চি ২১ বছরের মধ্যে ১৫ বছরই গৃহবন্দী ছিলেন।
এর আগে তাঁর আইনজীবী নিয়ান উইন জানিয়েছিলেন, বর্তমান জান্তা-সমর্থিত সদ্য গঠিত দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) সরকার গঠন করলে তাদের জন্য হুমকি হবেন না, এমন শর্তে হয়তো সামরিক জান্তা সু চিকে মুক্তি দিচ্ছে। তবে সু চি শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি নেবেন না বলে জানা গিয়েছিল। বিবিসি ও দি নিউইয়র্ক টাইমস

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



