কিভাবে চিন্তা করতে হবে সে কথাও ইসলাম আমাদের বলে দিয়েছে। অন্যান্য মানুষ যেখানে যুক্তিকেই চুড়ান্ত বলে মেনে নেয়, সেখানে ইসলাম মানুষকে উৎসাহিত করে অন্তর্দৃষ্টির দিকে। এই ুদ্র পৃথিবীতে কেউ কি দাবী করতে পারবে যে যু্িক্ত আর বিজ্ঞান সব প্রশ্নের সমাধান দিতে পারে? যুক্তির সাহায্যে আমরা একটা ঘটনা-পরস্পরা বা কনসিকয়েন্স জানতে পারি যেমন 'বাহ্যিক কোন বল প্রয়োগ না করিলে স্থির বস্তু স্থির এবং চলন্ত বস্তু চলন্ত থাকিবে' (নিউটন) কিন্তু কেন তাহা থাকিবে, কেন স্থির বস্তু চপল হইয়া উঠিবে না? এর উত্তর বিজ্ঞান দিতে পারে না, ইসলাম যে এর উত্তর দেয় তা না, কিন্তু ইসলাম বলে যে 'আল্লাহর অনুমতি ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না'। কাজেই নিউটন যেখানে বলেন দুনিয়াতে এইরকম হচ্ছে........সেখানে ইসলামে বিশ্বাসীরা বলবেন আল্লাহর ইচ্ছায় এরকম হচ্ছে। এই দুইয়ের মধ্যে কিন্তু অনেক আনেক ব্যবধান। যেমন আপনি পড়লেন 'আলো বেগ 3ী108 এমএস-1, আপনি ভাবলেন যে অন্য কোন বিজ্ঞানী এ তথ্য খারিজ করে না দেয়া পর্যন্ত এ বিশ্বাস চরম বা এবসুলেট। কিন্তু ইসলামে বিশ্বাসী যে কেউ ভাববেন পরম করুনাময় আল্লাহর অনেক নেয়ামতের মধ্যে একটি নিদর্শন হচ্ছে আলোর এই দ্রুত বেগ, বস্তুত মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি সম্মন্ধে অতি সামান্যই জানে। কাজেই দেখুন, দুটি দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে কত পার্থক্য।
অন্তর্দৃষ্টির বলতে ইসলামে স্বপ্ন, এলহাম, ওহী, কাশফ প্রভৃতি পদ্ধতি প্রচলিত আছে। ফ্রয়েডের অনেক আগেই ইসলাম স্বপ্নের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে যে এর মাধ্যমে গায়েবী শক্তি যোগাযোগ করে। ল্যনীয় যে এই অন্তর্দৃষ্টি আর অন্ধবিশ্বাস কিন্তু আকাশ পাতাল দূরে অবস্থিত। অন্তর্দৃষ্টি কার্যত ইসলামী বিশ্বাসের ওপর ভর করে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করাকে বোঝায়। তা যে কোন বিষয়--মেডিক্যাল, প্রকেীশল, বিজনেস, সোসাল সাইন্স, শরীয়া যে কোন school ওপরই হতে পারে।
কতটুকু বোঝাতে পারলাম ঠিক বুঝছি না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




