(কথিত ভিন্ন ধর্মের) মানুষের হাতের খাবার খেলে যদি ধর্ম নষ্ট হয় (ধর্ম অনুসারে), তবে এমন ধর্মের নষ্টই হয়ে যাওয়া উচিৎ। আমি কখনও কোনো হিন্দুর রক্তের রং হলুদ, নীল হয় বলে শুনিনি। শুনিনি কোনো খ্রিস্টানের রক্ত সাদা হয়, কিংবা কোনো বৌদ্ধের রক্তের রং হয় কালো। একই লাল রক্ত সবার ধমনিতে বয়ে চললেও ধর্ম নামক শব্দটা আমাদের একে অপরের থেকে আদালা করতে সক্ষম। জাতিগোষ্ঠীর নামে দাঙ্গা-ফ্যাসাদে হাজারো লাশ ফেলতেও সক্ষম এই ধর্ম। আর ধর্মগুরু নামের চুতিয়ারা ধর্মের দোহাই দিয়ে খুবই চাতুরতার সাথে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, নিরপরাধের চিতার আগুনে তারা তাদের স্বার্থের রুটি সেকে। আমার জানা মতে কোনো ধর্মগ্রন্থই সর্গ, জান্নাত বা অলৌকিক ভাবে পৃথিবীতে আসেনি। সবই মানুষের হাতে লেখা। বলা যায় ধর্ম হচ্ছে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জ্ঞান। আমার বাবা হিন্দু, তই আমিও হিন্দু, আমার ছেলেও হিন্দু হবে। এভাবে উত্তরাধিকারসূত্রে আমরা ধর্মানুসারী। "সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করো, যে তুমি মুসলমানের ঘরে জন্ম নিয়েছ।" একথাটা হরহামেশাই মুসলিম ঘরের ছেলে-মেয়েরা শুনে থাকবে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যদি মুসলমান ধর্মই যদি সত্য হত, তবে সৃষ্টিকর্তা কেন হিন্দুর ঘরে সন্তান দেন? এই বিষয়গুলো কোনোভাবেই আমি বুঝিনা। "ধর্ম নিয়ে তর্ক হয় না আর নাস্তিকদের করা প্রশ্নের উত্তর হয় না" এই দুটো কথা হচ্ছে ধর্মের ইনশিওরেন্স। আর তা ছড়া মুখ বন্ধ করার জন্য তো ধর্মান্ধরা আছেই।
ভবিষ্যতে বেঁচে থাকলে ধর্মের আরও অনেক অধর্ম সম্পর্কে কথা হবে।
ধন্যবাদ।

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




