আমার ক্যাম্পাস,আমার পরম গৌরবের জায়গা।
এখনো নাতি-নাতনীদের নিয়ে স্কুলে আসা যাওয়ার সময় আমার প্রিয় ঢাবি ক্যাম্পাস এর কাছাকাছি এলে গর্বে আমার বুকটা ৩ ইঞ্চি ফুলে ঊঠে। ওদের কাছে বার বার একই গল্প করি, এটা আমার ভার্সিটি এটা এরকম। আমরা ছিলাম এরকম,ইত্যাদি ইত্যাদি।
আমার আরেকটা আবেগের জায়গা আমার ছাত্র জীবন। কখনো ছাত্রদের প্রসঙ্গ এলেই কেন জানি না, মনটা হু হু করে কেঁদে উঠে। ১৯৮৩ সালে এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালে গুলিস্তান এলাকায় মিছিলরত ছাত্রদের উপর পুলিশের ট্রাক চালিয়ে দিয়ে ৩/৪ জন ছাত্রকে মেরে ফেলা হয়। সেদিন আমার মনে খুব কষ্ট লেগেছিল। সেই থেকে এরশাদ -কে আমি খুউব ঘৃণা করি।
চীনে পিকিং বিপ্লবের সময় শত শত আন্দোলনরত ছাত্র ছাত্রীকে নির্দয়ভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
শুধু কি তাই, বেশ কয়েক বছর আগে শাপলা চত্বরে পুলিশের গুলিতে হাযার হাযার কাওমি মাদ্রাসার ছাত্রকে হত্যা করা হয়। এখন পর্যন্ত সে হত্যা কাণ্ডের কোন বিচার হয়নি। এই হল অবস্থা, আমাদের দেশের।
আরেকবার আমি আমার গ্রাজুয়েশন সার্টিফিকেট নেবার জন্য, কনভোকেশন এর রেজিসট্রেশন ফি জমা দেবার পর ও সেটা আর তুলতে যাইনি। কারন আমার আত্ম সম্মান বোধ। ৮ম শ্রেণী পাশ কোন বিধবা মহিলার হাত থেকে অনার্স-মাস্টার্স সনদ নেয়াটা আমার কাছে চরম অবমাননাকর বলে মনে হয়েছিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
