**** অনেকের আচরন দেখে মাঝে মাঝে কিউরিয়াস মাইন্ড জানতে চায়, ছবির জন্য ফেসবুক নাকি ফেসবুকের জন্য ছবি। কিছু লোক আছেন যারা প্রতিনিয়ত পোট্রেট, সেলফি, গ্রুফি, ডুয়েলফি ইত্যাদি হরেক কায়দার ছবি আপলোড করেন ফেসবুকে। নাই কাজ খই ভাজ আরকি? পার্টিতে গিয়ে, বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে কিংবা বেড়াতে গিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে পোষ্ট করাতে মনে হয় না কারো আপত্তি থাকতে পারে। তাই বলে খাবার সামনে নিয়ে কিংবা মুখে অর্ধেক খাবার নিয়ে, প্যারালাইজড রোগীর মতো মুখ বাকা করে, চোখ ট্যারা করে ইত্যাদি আরো অনেক ভঙ্গিমার সেলফি কিংবা পোট্র্রেট ছবি তোলা ও ফেসবুকে পোষ্ট করার মানসিকতাকে খুব একটা সুস্থ্য মানসিকতা বলা যায় না নিশ্চয়!!! বরং এটাকে মানসিক বিকারগ্রস্থদের এক দুরারোগ্য বললেও ভুল বলা হবে না। এটা অন্তত আমার মতামত।
*** তাহলে প্রশ্ন হতে পারে, তাহলে ফেসবুকে মানুষ করবে টা কি? ফেসবুক হলো সামাজিক যোগাযোেগ মাধ্যম। ফেসবুকে আপনি বন্ধু বা নিকটাত্মীয়দের সাথে চ্যাট করতে পারেন। প্রতিদিন না হোক সপ্তাহান্তে পরিচিতজন, বন্ধূ বা আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ করুন না! অনেক পরিচিতজনই ঘন্টার পর ঘন্টা অনলাইনে থাকেন অথচ চ্যাটে আসেন না, এটা খুবই দুঃখজনক।
**** ফেসবুকে আপনি অনেক কাজই করতে পারেন, এই যেমন ধরুন লেখালেখি করতে পারেন, ডায়রীই লিখুন না, প্রতিদিন না হোক যখন সময় পান তখনই লিখুন। আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই Kabir Hossain প্রতিনিয়ত স্বহস্তে কোরআন ও হাদীসের বাংলা তরজমাসহ লিখে পোষ্ট করেন। এই সেরেছে লেখালেখি তো সবাইকে দিয়ে হয় না। ভাল কথা, তাহলে নিজের ব্যাকা ত্যাড়া ছবি না দিয়ে প্রকৃতির ছবি তুলুন, গাছ, পাহাড়, নদী, অরন্য, ফুল ও ফলের ছবি তুলে পোষ্ট করুন। এই যেমন আমার এক কাকা (শ্বশুড়) Rafiqul Alam Azad ফুল ও প্রকৃতির অসাধারন সব ছবি তুলে পোষ্ট করেন।
*** আর হ্যা, কোন ইভেন্ট বা গ্রুপ খুলে বসতে পারেন, এই যেমন শীতার্তদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরন কার্যক্রম, রক্তের ডোনার সংগ্রহ, সাহিত্যানুরাগীদের জন্য সাহিত্য পাতা, কিংবা ডিবেটরদের গ্রুপ, অথবা অন্য যেকোন সমাজসেবা মূলক কাজ। ছোট ভাই Mehrab Hosain Robin যেমনটা করছেন।






সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



