
শুধু মাত্র শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নয়, ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে তাঁর স্বজনদেরও এমনকি তাঁর বইয়েরও। সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পারে অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা বইয়ের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়। এসব ম্যুরাল, ভাস্কর্য ও প্রতিকৃতি তৈরিতে অতি উৎসাহ দেখিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সহায়তা করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এর বাইরে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিটি দপ্তরের প্রধানরাও পিছিয়ে ছিলেন না। তাঁরা এসব তৈরি করে আওয়ামী লীগ সরকারে আস্থাভাজন হতে চেয়েছিলেন এবং হয়েছিলেনও।
তবে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো এই ভাস্কর্য ও ম্যুরাল নির্মাণে পৃথক কোনো প্রকল্প নেওয়া হয়নি। সরকারি অর্থে স্থানীয় প্রশাসন এই ভাস্কর্য ও ম্যুরাল বা প্রতিকৃতি নির্মাণ করেছে। কৌশলগত কারণেই এমনটি করা হয়েছে, যাতে এসব নির্মাণে কত ব্যয় হয়েছে তার হিসাব এককভাবে কোনো দপ্তরে না থাকে।
শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের ১০ হাজারের বেশি ম্যুরাল, ভাস্কর্য ও প্রতিকৃতি স্থাপন করে আওয়ামী লীগ সরকার। টানা ১৫ বছর ধরেই ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও প্রতিকৃতি তৈরির মহোৎসবে মেতে উঠেছিল দলটি। এই অপ্রয়োজনীয় ম্যুরাল ও ভাস্কর্য তৈরিতে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০২৪ বিকাল ৩:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




