somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশ পরিচালনায় জামায়াত কতটা দক্ষতা দেখাতে পারে?

১০ ই জুলাই, ২০২৫ সকাল ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



জামায়াত শিবির একটি সুসংগঠিত সংগঠন। সেই তুলনায় বিএনপি, জাতীয়পার্টি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আম্লিগ সুসংগঠিত নয়। জামায়তের সংগে বিএনপি, জাতীয়পার্টি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আম্লিগের বিশাল ফারাক লক্ষ করা যায়। বিএনপি, জাতীয়পার্টি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আম্লিগের নেতা কর্মীদের মধ্যে সবসময়ই খাই খাই ভাব এবং এই পার্টি ত্রয় যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা যে যেভাবে পারে লুটে পুটে খেয়েছে। আম্লিগের সময় তো পুরো দেশটি পারলে ওরা গিলে খেতো। শেখ পরিবার ও তার দোসররা ব্যাংক ডাকাতী করে বিভিন্ন দেশে পাচার করে দেশকে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে নিয়েছিল। ছাত্র জনতা গণঅভ্যুত্থানে আপাতত রক্ষা পেয়েছে।

জামায়াত এখনো রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় যেতে পারেনি তাই তাদের সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পাওয়া যাচ্ছেনা যে তারা যদি ক্ষমতায় যায় তাহলে কতটা খাই খাই হবে। জামায়াতের মৌলিক পার্থক্য হলো তাদের নেতাকর্মীরা দলের জন্য চাঁদা দেয় অন্য যে ত্রয়ি দল আছে তারা চাঁদা খায়। ইতিম্যেই বিএনপির চাঁদাবাজদের নিয়ে জনগন, পেপার পত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে বিপুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জামায়াত তাদের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড শক্ত করার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান করেছিল সেগুলো দেশের সেরাদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছিল। আম্লিগ অনেক পুরোনো দল হলেও তাদের কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান ছিলনা যার মাধ্যমে আয় হবে তারা চাঁদাবাজি, চুরি ডাকাতীতে ব্যস্ত ছিল। বিএনপিরও একই অবস্থা। জাতীয় পার্টি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা যাদের চাল চুলা কিছুই নেই, আম্লিগের দালালী করতে করতেই শেষ।

দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে জামায়াতের কোন দক্ষ নেতা নেই। যেগুটি কয়েক নেতা আছে তাদের আন্তর্জাতিক গ্রহনযোগ্যতা নেই এমনকি বহিঃবিশ্বে তাদেরকে মেনে নেওয়ার মতো কোন রাষ্ট্রও নেই বা পরিচিতিও নেই। পশ্চিমারা তাদেরকে সরাসরি বয়কট করবে। দেশ এক অতল গহবরে নিমজ্জিত হবে। দেশের অর্থনীতির চাকা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভারত আরো কোনঠাসা করার জন্য জঙ্গী নাটকের ব্যবস্থা করবে, দেশে পুরোদমে নৈরাজ্য সৃষ্টির কোন কার্পণ্য করবেনা ভারত।

আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষনে আগামি নির্বাচনে জামায়াত সর্বোচ্চ ৩৫/৪০ টা সিট পেলেও পেতে পারে। যেহেতু আম্লিগ নিষিদ্ধ দল তাই বিএনপি ছক্কা মারবে বলে আমার ধারণা।

আপনার মতামত শেয়ার করলে আগামী নির্বাচন সম্পর্কে একটা সম্মক ধারনা পাওয়া যেতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০২৫ সকাল ১১:০৭
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই যে জীবন

লিখেছেন সামিয়া, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২৪



এই যে আমার জীবনে কিছুই করা হলোনা, সেটা নিয়ে এখন আর খুব বড় কোনো আফসোস করি না। জীবন আসলে নিজের মতোই চলতে থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠি, রান্নাঘরে গিয়ে চায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ স্বাধীনতা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১২


বাবা পাখিটি গাইছে গান
আমড়া গাছের ডালে।
ছানাগুলো নিশ্চিন্তে
মায়ের বুকের তলে।

রীনা বসে বীনা বাজায়
মীনা গায় গান।
দীনা বলে পুষবো পাখি
একটা ধরে আন।

মা শুনে কয় বনের পাখি
বনেতেই মানায়।
বন্দী পাখি হয় যে দুঃখী
উচিত কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×