
ভারতে দেশপ্রেমের সজ্ঞা কী? ভারতে একজন কট্টরপন্থীর দেশপ্রেম হলো প্রথমত পাকিস্তান বিরোধী হতেই হবে। দ্বিতীয়ত মুসলিম বিরোধী হতেই হবে। এই দুই ছাড়া কোনভাবেই সে ভারতকে ধারণ করেনা এমন একটা চিন্তা চেতনা ভারতীয়দের মননে মগজে প্রথিত হয়েছে। এটা একদিনে হয়নি। এর গোড়াপত্তন হয় ১৯২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। কট্টরপন্থী এই আরএসএস - RSS এর প্রতিষ্ঠাতা ছিল ডা. কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার। পরবর্তীতে ১৯৩০ ও ১৯৪০-এর দশকে এর মূল উগ্র ও রাজনৈতিক রূপকার হিসেবে নেতৃত্ব দেয় বিনায়ক দামোদর সাভারকর (ভি ডি সাভারকর)। বর্তমানে এই ঝান্ডা বহন করছে নরেন্দ্র মোদী।
ভারতের যে হিন্দুর একবেলা খাবারের পর আরেক বেলা খাবার জুটবে কিনা সে জানেনা সেও এখন এই মতবাদের বিশ্বাসী অথচ এই ছালবিহীন হিন্দুই কিন্তু মন্দিরে ঢুকতে পারেনা, তাদের সংগে খেতে পারেনা, তাদের সামনে চেয়ারে বসতে পারেনা অর্থাৎ এককথায় অচ্ছুৎ। অথচ এই অচ্ছুৎ হিন্দুটিও মননে মগজে পাকিস্তান ও মুসলিমের ঘোর বিরোধী।
ঠিক অনুরুপভাবে ইয়ের বাচ্চা অমানুষ আম্লিগের মননে মগজে দেশ প্রেমের সজ্ঞা হলো পাকিস্তান বিরোধীতা। এরা আম্লিগ ও ভারত ছাড়া অন্যকিছুতে একেবারেই নারাজ। দেশ একেবারে লুট করে ফতুর হয়ে গেলেও আম্লিগের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে তেমনিভাবে ভারত দেশ দখল করলেও ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবেনা তাহলেই রাজাকার ট্যাগ নিশ্চিত ভাবে। তারমানে বাংলাদেশীদের দেশপ্রেমের সজ্ঞা হলো নিশ্চিতভাবে পাকিস্তানের বিরোধীতা ও নিশ্চিতভাবে ভাবে ভারতে মাড়াখাওয়া এদুইয়ের সংমিশ্রনে প্রকৃত দেশপ্রেম।
এই সজ্ঞায় না পড়ায় অনেকেই আমাকে রাজাকার বলে কেউ আবার আকারে ইঙ্গিতে বলে। সংগত ভারত বিরোধীতার কারণে কেউ যদি আমাকে রাজাকার বলে তাহলে আমি রাজাকার।
নটী হাসিনা যেমন ছাত্রছাত্রীদের রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিল তখন সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা স্লোগান দিত-- তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার কে বলেছে কে বলেছে স্বৈরাচার স্বৈরাচার তখন জাফর ষাঁড় বলেছিল যে ছাত্রছাত্রীরা নাকি নিজেদেরকে রাজাকার দাবী করেছে সেই দুঃখে ষাঁড় কোনদিন ঢাবিতে যাবেনা বলে প্রতিজ্ঞা করেছিল। আমাকে আবার সেই রকম রাজাকার বানায়েন না প্লিজ প্লিজ.....।
বি:দ্র: এখানে ভারত বিরোধীতা মানে ভারত সরকাররের নীতিকে বোঝানো হয়েছে এবং নটী বলতে দুষ্টু।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

