আমাদের বাসাটাকে ছোট বলা যাবে না। কিন্তু এখানে মানুষ খুব কম। দুইটা ঘুমের ঘর, একটা মোটামুটি গোছের মেহমানের ঘর, বসার জন্য একটা ঘর আর বড়সড় একটা খাবার ঘর আছে আমাদের। এখানে বাস করি আমরা মাত্র দুইজন, আমি আর আব্বু। আম্মু দেড় বছর ধরে অফিসের কাজে ঢাকার বাইরে, আরও কয়েক মাস সেখানে থাকতে হবে তাঁকে। একটা বাসাতে বাবা মা ভাই বোন সবাই থাকবে, গল্পসল্প হৈ চৈ খুনসুটি ঝগড়াঝাটি হবে, তবেই না বাসা বাসা লাগে। আমাদের তেমন না। আমাদের বাসা হল চুপটি বাসা। কোন কাজের লোকও থাকে না এখানে। আমরা দুইজন নিজের নিজের মত থাকি। তিন মানুষের একটা পরিবার সেটাও সবাই একসাথে থাকা হচ্ছে না। তার জন্য অবশ্য খুব খারাপ লাগে তা বলা যায় না। প্রথম যেদিন আম্মু আমাদেরকে রেখে গেলেন আমার এত খারাপ লেগেছিল! ভাবতাম দুই দুইটা বছর কি করে থাকব! কিছুতেই পারব না! এখন দেখি ঠিকই বেশিরভাগ সময়টা থাকতে পেরে ফেলেছি। মানুষের অভ্যাস কিসে না হয়! বাসায় আমরা একটু করে ভাত তরকারি রান্না করি শুধু আমাদের জন্য, সহজ রান্নাগুলো। হঠাৎ কেউ এসে পড়লে তার জন্য কিছুই থাকে না অনেক সময়। তারপর হাঁড়ি বাসন মাজা কিংবা ঘর সাফসুতরা করা সবই আমাদের নিজেদের করা লাগে। আমি মেয়ে বলে সব কাজ আমাকে করতে হয় এমন না। আব্বুও সবই করেন। সত্যি কথা বলতে কি আব্বুর রান্নাই বেশি ভাল। 'বিদেশ' এর মত বাসার সবার কাছে মানে দুইজনের কাছে দুইটা চাবি থাকে দরজার। একজন বাইরে থাকলে পরে সে নিজেই ঢুকতে পারে, কলিং বেল দিয়ে অন্যজনকে ডাকা লাগে না। দুই সপ্তাহ পরপর আম্মু বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা আসলে সেদিন আমাদের আনন্দ। আমি তাড়াতাড়ি করে কিছু কাজ শেষ করে ফেলি যেটা দুই সপ্তাহ আগেই করার কথা ছিল। আব্বু চিন্তায় পড়ে যান, দুপুরের খাবারটা নাহয় কোনমতে হয়েই গেল, রাতে তো ভাল কিছু করা দরকার। যদিও রাতে আলুভর্তা ডাল টাইপ কিছু হবে, পরিকল্পনা থেকে ঘুরে ফিরে এমনটাই বের হয়ে আসে। শুক্রবার দুপুরে আমাদের খাওয়াটা জমে ভাল। হয়ত পুঁই শাক আর ট্যাংরা মাছ, কিন্তু খেতে মজা অনেক বেশি। জানি না আম্মুর রান্না আমাদের চেয়ে ভাল বলে নাকি সবাই একসাথে খেতে বসা হয়েছে বলে। শনিবার এলে আর ভাল লাগে না। কারণ শনিবার রাতের ট্রেনে আম্মু আবার ফেরত। এভাবেই আমাদের দিন বেশ চলে যাচ্ছে।
দিন যায় দিন চলে যায়
নিখোঁজ সংবাদ

কাজকর্ম, রোজা, ঈদ, ছুটি, গ্রামের বাড়ি - সকল কিছুর পরেও আমি মাঝে মাঝেই ব্লগ পড়ি, পড়ার মতো যা লেখা ব্লগে প্রকাশিত হচ্ছে কম বেশি পড়ি। এখন তেমন হয়তো আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
রোগাক্রান্ত সাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম—এটা সত্য, কিন্তু শুধু বাজেট বাড়ালেই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হবে না। বরং ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা—এই তিনটি জায়গায় শক্তিশালী সংস্কার সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। নিচে বাস্তবভিত্তিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভঙ্গুর ভবিষ্যৎ এর ভয় কি আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে?
আমরা প্রায়ই একটা কথা শুনি—
“ডিপ্রেশন ছিল”, “প্রেশার নিতে পারেনি”, “পারিবারিক সমস্যা ছিল”…

তারপর গল্পটা শেষ।
কিন্তু সত্যি কি এতটাই সহজ?
বাংলাদেশে ২০২৫ সালে অন্তত ৪০৩ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। এর মধ্যে ৭৭... ...বাকিটুকু পড়ুন
মায়েরা ,আপনার শিশুকে টিকা দিন
টিকা দান কর্মসূচী আবার শুরু হয়েছে,
মায়েরা আপনার শিশুকে কেন্দ্রে নিয়ে টিকা দিন
এবং সকল টিকা প্রদানের তথ্য সংরক্ষন করুন, যা আপনার সন্তানের
ভবিষ্যৎ জীবন যাপনে কাজে লাগবে ।

(... ...বাকিটুকু পড়ুন
আইন প্রয়োগ নাকি অপব্যবহার? রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ ঘিরে বিতর্ক
আইন প্রয়োগ নাকি অপব্যবহার? রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ ঘিরে বিতর্ক
ইমেজ আপলোড ব্লক করে রেখেছে বিধায় এই ব্যবস্থায়
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও একটি জটিল প্রশ্ন সামনে এসেছ- আইন কি তার স্বাভাবিক গতিতে চলছে, নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।