রাসুলুল্লাহ (স)এর হাত ধরে পৃথিবীতে ইসলামের পুনরাগমন ও তার প্রতিষ্ঠা নিঃসন্দেহে একটি বৈপ্লবিক ঘটনা। কিন্তু শুধু বিপ্লব বলে থেমে যাওয়া এঘটনার পুর্ণ অবয়ব ও তার ওজনকে ঠিক ভাবে তুলে ধরেনা এবং আলোচ্য ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে গৃহিত কর্মপ্রক্রিয়া, এ ঘটনার প্রভাব,প্রতিক্রিয়া,ফলাফল সব দিক থেকেই বিষয়টিকে নিতান্তই ছোট করা হয়।কারন অন্যান্য সাধারণ বিপ্লবের সাথে তুলনায় এই ঘটনাটি অনন্যসাধারণ সব গুনাবলীদ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।এরকম একটা অতুলনীয় বৈশিষ্ট্য হল মানবজীবনের ব্যাষ্টিক ও সামষ্টিক উভয়ক্ষেত্রেই বিপ্লব।সাধারণত পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া বিপ্লবগুলো জীবনের ব্যাষ্টিক বা সামষ্টিক কোন একটা ক্ষেত্রের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকে।এবংএকটা ক্ষেত্রের সব গুলো উপাদানকেও পরিব্যপ্ত করতে সক্ষম হয়েছে এমন বিপ্লবের সংখ্যাও হাতেগোনা।সে হিসেবে জীবনের উভয় পর্যায়ের সবগুলি বিষয়কে পরিবেষ্টনকরে রাসুল (স) যে সফলতম বিপ্লব সূচিত করেছিলেন তা যে কোন বিচারে নজিরবিহীন।
যখন ব্যাষ্টিকজীবনের কথা বলি তখন তা মুলত নিদেূশ করে-ব্যক্তির মন-মানস, মূল্যবোধএবংজীবন,সমাজ, রাষ্ট,পৃথিবী ও বিশ্বজগতের প্রতি ব্যক্তিমানুষের দৃষ্টিভঙ্গি প্রভৃতি।অন্যদিকে সামষ্টিকজীবন বলতে আমরা বুঝি- সামাজিক মুল্যবোধ, সামাজিক রীতি-নীতি ,আইন-কানুন,সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য,রাজনৈতিকপদ্ধতি,রাষ্ট পরিচালনার বিধি-বিধান প্রভৃতি।রাসুলুল্লাহ (স) কর্ম পদ্ধতি থেকে শিক্ষা নেয়ার মত একটা চমৎকার বিষয় হল তিনি একই থিউরি প্রয়োগ করে মানুষের সব সমস্যার সমাধান দেয়ার চেষ্টা করেননি বরং মানুষের উভয় ধরনের জীবনে সংস্কার সাধনের জন্যে আলাদা আলাদা কর্মনীতি গ্রহণ করেছিলেন। অর্থাৎ সামষ্টিক লক্ষ্য অর্জনের জন্যে প্রণীত কার্যক্রম এবং ব্যাস্টিক সংস্কারের লক্ষ্যে গৃহিত কার্যসূচি ছিল গতি-প্রকৃতির দিক থেকে আলাদা। তবে আলাদা হওয়ার মানে এই নয় যে তারা একে অপর থেকে পরস্পর বিচ্ছিন্ন। বরং ব্যক্তি কেন্দ্রীক বা ব্যষ্টিক পর্যায়ের সংস্কার যেমন সামস্টিক পর্যায়ের আন্দোলনকে প্রভাবিত করে তেমনি সামস্টিক পর্যায়ের অর্জিত লক্ষ্য ব্যষ্টিক পর্য়ায়ের কাংখিত পরিবর্তনকে করে সহজতর।
সুতরাংএকটি পুর্নাঙগ বিপ্লব সাধনের জন্যে আপনাকে দুটি ক্ষেত্রকেই টার্গেট করে অগ্রসর হতে হবে। একটি আন্দোলেনের কার্যক্রম যদি শুধু ব্যষ্টিক ক্ষেত্রকে ঘিরে আবর্তিত হয়,তবে সেটা কখনওই সার্বিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেনা। কারণ সমাজ সংস্কৃতি,রাজনীতি যদি পদ্ধতিগত ভাবে দুনীতি গ্রস্থ হয় তখন ব্যক্তিগত পর্যায়ের সৎ ও ন্যায় ভিত্তিক জীবন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ব্যর্থ হতে বাধ্য।তেমনি যখন কোন সামষ্টিক আন্দোলন ব্যষ্টিক পরিবর্তনকে উপেক্ষা করে হয় সেটিও কোন স্থায়ি ও সামঞ্জস্যপৃর্ণ বিপ্লব সাধন করতে পারেনা। তাদের দ্বারা আকষ্মিক কোন বিপ্লব হলে ও উক্ত সমাজের মানুষ অর্জিত বিপ্রবকে ধারণ করতে সক্ষম হবেনা বরং ধীরে ধীরে তারা নিজেরাই পরিবর্তিত সিস্টেমকে দুর্নীতিগ্রস্থ করে তুলবে। এর একটা ঐতিহাসিক প্রমাণ হল- কমউনিজম।সুতরাং একটি সার্বিক ও টেকসই বিপ্লবরের জন্যে ব্যস্টিক ও সামস্টিক উভয় পর্যায়ের সংস্কারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মসুচি হাতে নিতে হবে।
উপরের আলোচনার আলোকে প্রাসাঙ্গিক একটি বিষযে দৃষ্টি ফিরাতে চাই। কোরআনে এ বিষয়টিকে বলা হয়েছে তাযকিয়ায়ে নফস বা আত্নার পরিশুদ্ধি।এ বিষযটি ব্যক্তিকেন্দ্রীক যে কারণে এটাকে ব্যস্টিক লেভেলের আলোচ্য বিষয় হিসেবে চিহ্ণিত করতে পারি। যাই হোক কুরআনের অনেক জায়গায় বিষয়টির আলোচনা এসেছে।এবংফালাহ অর্জনের সাথে বিষয়টিকে সম্পর্কিত করা হয়েছে।হাদীসেও প্রাসাঙ্গিক এরকম একটা বিষয়ের অবতারনা লক্ষ্য করা যায়।এটাকে বলা হয়েছে এহসান। আল্লাহর রাসুল ইহসানের ব্যাখ্যায় বলেন-মনের এমন একটা অবস্থা যে,ব্যক্তি আল্লাহকে দেখছে এবং আল্লাহও ব্যক্তিকেদেখছেন।
তাযকিয়ায়ে নফস বা আত্নশুদ্ধি অর্জনের জন্য এরকম একটা মানুসিক অবস্থা অর্জন করাটা ভীষন গুরুত্ববাহী।আর এখনে এসেই জেকের,দুয়া দুরুদ কিংবা বা বিভিন্ন মাসনুন আমলের প্রয়োজনীয়তা।আল্লাহ তায়ালা আমাদের হাটা,বসা বা শোয়া সব অবস্থায় যেকেরে নিমগ্ন থাকতে বলেছেন। আর রাসুল (সঃ) আমাদের বিভিন্ন কাজের আগে ও পরে, বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন নামাযের পরে অনেক রকম দোয়া দুরুদ ও জেকের শিক্ষা দিয়েছেন।এর উদ্দেশ্যহচ্ছে সর্বদা আল্লাহর সরব উপস্থিতির কথা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়া।আপনি দিনে হাজার বার আল্লাহকে স্মরণ করছেন, কখনও তার পবিত্রতা ঘোষনা করছেন কখনও তার দয়ার কথা বলছেন ,কখনও তার শেষ্ঠত্বের ঘোষনা দিচ্ছেন, কখনও তার কাছে ক্ষমা চাইছেন, এভাবে আল্লাহর সরব উপস্থিতি, তার নিকট জবাবদিহিতার অনুভুতি এবং তার প্রতি গভীর ভালবাসা আপনার অন্তরে দৃঢ়ভাবে বদ্ধমূল হচ্ছে।আর এভাবেই আপনি প্রবৃত্তির দাসত্ব ছেড়ে পরপুর্ণভাবে নিজেকে আল্লাহর দাসত্বে সমার্পন করছেন।ফলে কাংখিত তাযকিয়ায় নফস অর্জন বা আত্নশুদ্ধি অর্জন সহজ হচ্ছে।
কিন্তু তাযকিয়ায়ে নফস অর্জন ইসলামের একমাত্র বা আসল উদ্দেশ্য নয়।বরং এটি হচ্ছে একটি যোগ্যতা বা টুল যাকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা ব্যস্টিক লেভেলে ইসলামিক জীবন যাপন করার মানুসিক যো্গ্যতা অর্জিত হয়।এই একই মানুসিক যোগ্যতা সামস্টিক পর্যায়ের আন্দোলনেও সমান গুরুত্বপুর্ণ।
এখন আমরা দুইটি আন্দোলন যা সামষ্টিক বা ব্যস্টিক লেভেলে কাজ করছে তাদেরকে একটু পর্যালোচনা করে দেখতে চাই।প্রথমটি হচ্ছে তাবলিগ।এটা শুধু ব্যাষ্টিক লেভেলের সংস্কার নিয়ে কাজ করছে।সামস্টিক পর্যায়ের সংস্কারের কোন ইশতেহার তাদের নেই। তাদের আন্দোলনের মূল বক্তব্য হচ্ছে ইমান ও আমলের মেহনত।অর্থাৎ আমলের মেহনত দ্বারা ইমানের মজবুতিকরন।কিন্তু আমল বলতে তারা বুঝে থাকেন শুধু দোয়া দরুদ তাসবিহ তাহলিল কিংব যেকের আযকারকে।এককথায় তাযকিয়ায় নফস অর্জনকেই তারা তাদের লক্ষ্য বলে ঠিক করেছ।অথচ যেটা একটা গুরুত্বপুর্ণ টুল বা লক্ষ্য অর্জনের বাহন কিন্তু লক্ষ্য নয়।কারণ মানূষের কর্মকান্ড শুধ বিমুর্ত আধ্যাতিকতায় সীমাবদ্ধ নয়। বরং সে অসংখ্যরকম আর্থিক,সামাজক, রাজনৈতক লেন-দেনের সাথে জড়িত। আর বৈশিষ্ট্যগতভাবে এসব কর্মকাণ্ড ভীষনরকম বস্তুগত বা স্বার্থগত। এসব বিষয়ের আচারণ আর মূল্যবোধজনিত পরিবর্তন শুধু দেয়া দরুদ দ্বারা হয়না।কারণ বস্তুগত বিষয়ে আচারণ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করাটা জরুরী।যেখানে তাযকিয়ায় নফসকেইদ্বারা লক্ষ্য বানিয়ে নিয়েছে সেখানে এমন পরিবর্তন সম্ভব না।
এখানে একটা বিষয় পরিস্কার হওয়া দরকার-তাবলীগের সমালোচনা একারনে করা হচ্ছেনা যে তারা সামস্টিক সংস্কারের লক্ষ নিয়ে কাজ করছেনা। আমি ব্যক্তিগতভবে এটাকে জরুরি মনে করিনা যে সব সংগঠনকেই ব্যস্টিক, সামষ্টিক তথা সব ইস্যু নিয়ে কাজ করতে হবে।ঠিক আছে তারা ব্যক্তিগত সংস্কার নিয়ে তারা কাজ করছে কিন্তু সমস্যা হল ইসলাম যে রকম মন- মানস ,দুষ্টিভঙ্গি আর জীবনবোধ সহকারে তার অন্তর্গতসদস্যদের গড়ে তুলতে চায় সে জাযগাগুলোতেই তারা অনেক বিকৃতি তৈরি করছে।ফলে তার ব্যক্তিকেন্দ্রীক সংস্কারের জায়গা গুলো যা নিয়ে তারা কাজ করছে তার পুর্নাঙ্গ ইসলামিকরন হচ্ছেনা।তার প্রমাণ হচ্ছে তাবলীগি সদস্যদের বস্তুগত বা দুনিয়াবী কর্মকান্ডে ইসলামের প্রতিফলন না হওয়া।
অন্যদিকে আরেকটি সংগঠনের কর্মকান্ড পর্যালেচনা করা দরকার সেটা হল ইসলামি ছাত্র শিবির।শিবির নিজেকে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি আন্দোলন দাবী করে যার অর্থ হল ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক ঊভয় পর্যায়ের পরিবর্তনকে তার গুরুত্ব দেবে।পরিস্থিতির সত্যতা সামষ্টিক পর্যায়ের কর্মসূচিকে ঘিরেই তাদের কর্মকাণ্ড বেশি আবর্তিত হয়।অবশ্য তাদের কর্মসূচিতে ছাত্রদের চরিত্র গঠন, নৈতিক ভাবে গড়েতোলা ইত্যাদি আলোচনা জোরালো ভাবে থাকলেও এ বিষয়গুলি সামাজিক বা রাজনৈতিক কর্মসুচির সঙ্গে প্রাসঙিগকতার কারণেই বেশি আলোচিত হয়।এবং বর্তমানে এসংক্রানত শিথিলত চেখে পরার মত।
আধ্যাতিক উন্নয়ন, তাযকিয়ায়ে নফস অর্জন এ সংক্রানত কর্মসুচীর বেশ অভাব সংগঠনটিতে লক্ষ্য করা যায়। পরিনতিতে কর্মীরা এ ব্যাপারে বেশ অসচেতন।গভীর মনোযোগের সঙ্গে সালাত আদায়, নফল ইবাদত,দৈনন্দিন জীবনে নামাযের পরে এবং বিভিন্ন কাজের আগে ও পরে রাসুলের শেখানো দোয়া দুরদ এর আমল তাদের ভেতরে নেই। অথচ আধ্যাতিক চেতনার উন্নয়নে এর বিকল্প নেই্।এবং আধ্যাতিক চেতনার উন্নয়ন ছাড়া ইসলামি আন্দোলনের কন্টকাকীর্ন পথে জীবনব্যাপি পদচারনা অব্যহত রাখা এক কথায় অসম্ভব।
এছাড়া ব্যক্তি জীবনের অসংখ্য কর্মকান্ড রয়েছে যা একটি আন্দোলনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়।তাই বলে এব্যাপারগলিতে আন্দোলানের অসচেতনতা বা কর্মীদের সচেতন না করাটা অন্যায়।বরং এক্ষেত্রে একজন মুসলিম হিসেবে তার করণীয় কি সে ব্যাপরে তাকে শিক্ষা প্রশিক্ষনের মাধ্যমে সচেতন করাটা জরুরী।কিন্তু শিবিরের শিক্ষা আর প্রশিক্ষনে এব্যাপারগুলিও বেশ উপেক্ষিত।সত্যি কথা বলতে কি সাময়িক হিসেবে ব্যাপারগুলি আন্দোলনের সাথে সম্পর্কহীন মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে এ ব্যাপারগুলি আন্দোলনের জন্য এ্যাসেট বা বার্ডেন হয়ে দাড়ায়।
যেমনঃ একজন লোক আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে আছে। অনেক লোকই তার পাশ দিয়ে হেটে যাচ্ছে। কিন্তু কে্উ ফিরে তাকাচ্ছেনা কারণ ঝামেলায় জড়াতে চাচ্ছেনা্।একজন শিবির কর্মীও একই ভুমিকায় অবতীর্ণ হলে সেটা হবে হতাশাজনক।এব্যাপারটির সঙ্গে আন্দোলনের সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে আপাত মনে হলেও দীর্ঘ মেয়াদে এবিষয়গুলোই শিবিরের ব্যাপরে আম জনতার দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক বা নেতিবাচক হবে তা ঠিক করে দিতে পারে।তবে ফলাফল কি হবে না হবে সেটা গুরুত্বপুণৃ নয় একজন সত্যিকারের মুসলিমের ভুমিকা কি হওয়া উচিত সেটাই গুরুত্বপুর্ণ
এরকম আরে হাজারো বিষয় আছে। ইসলাম প্রতিবেশির প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্যের কথা বর্ণনা করেছে কিনতু ঢাকা শহরে কে কার প্রতিবেশি তার কোন খোঁজ থাকেনা। ইসলামি আন্দোলনের কর্মীদের এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত।দেশের নাগরিক হিসেবেও কর্মীদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু দেশে গডে ওঠা সংস্কৃতির দরুন গডপরতা জনসাধারন এব্যাপারে অসচেতন। েযেমনঃ ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা ইছে কিন্তু কেউজায়গামত ফেলছেনা।লাইনে দাড়িয়ে টিকিট কাটা উচিত কিন্তু নৈতিক সুযোগ নিয়ে অনেককে বঞ্চিত করে আমরা টিকিট কাটছি। এরকম হাজারো বিষয় আছে।তবে আন্দোলনের কর্মীদের এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরা উচিত।
উপরের ব্যাপারগুলি ব্যক্তিকেন্দ্রীক দায়িত্ব-কর্তব্যের ব্যাপার।সামস্টিক আন্দোলনের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।কিন্তু একটি পুর্ণাঙ্গ ইসলামি আন্দোলনের এ ব্যাপার গুলিতে মুখ ফিরিয়ে থাকার সুযোগ নেই।আন্দোলনের কর্মীদের এ শিক্ষা-প্রশিক্ষণ দেয়া,সচেতন করা অপরিহার্য।আর এ সব কিছুই টেকসই ভাবে করতে চাইলে কমীদের আধ্যাতিক উন্নয়ন ছাড়া গত্যন্তর নেই । এভাবে সামস্টিক ও ব্যস্টিক সব বিষয়গলিকে গুরুত্বের আওতায় আনতে পারলে তথনই শিবির একটি পুণাঙ্গ আন্দোলন হিসেবে গড়ে উঠতে সক্ষম হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



