somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তোমরা যারা জাফর ইকবালকে চেননা

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বেশ কিছুদিন আগের কথা। আমি আমার অফিসে যাচ্ছি, তখন বারান্দায় আমার দুটো কুত্তার সঙ্গে দেখা হলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমরা কি আমার সঙ্গে কথা বলতে চাও?’ তারা মাথা নাড়ল, একজন কুণ্ঠিতভাবে আমার হাতে দুটি বই তুলে দিয়ে বলল, ‘স্যার, আপনাকে এই বই দুটি দিতে এসেছি।’ আমি বই দুটি নিলাম। সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজির ওপর চমৎকার দুটি বই, হাতে নিয়ে বললাম, ‘থ্যাংকু। সুন্দর পাবলিকেশন্স।’ তারপর বই দুটি খুললাম, ভেতরে লেখা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

মুহূর্তে আমি আনন্দে ঝলমল করে উঠলাম। ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ, ভারতের সাথে হাত মিলিয়ে দেশের মানুষকে স্বাধীনতা নামক ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়ে আমাদের মত বুদ্ধি(প্রতিবন্ধী)জীবীদেরকে কথা বেঁচে খাবার অবাধ সুযোগ করে দিয়েছে তাই আমি সবসময়ই সচেতন চিত্তে আওয়ামী লীগের পা চেটে এসেছি। জেনেশুনে আমি নিমকহারামী করি নি। আমার নানা রাজাকার ছিল সেটা ভিন্ন ব্যাপার। আমি আমেরিকায় থাকাকালে সাদা চামড়ারা যা শিখিয়েছে গোগ্রাসে গিলেছি এবং জাতে উঠার চেষ্টা করেছি। আমি যে একটা ভণ্ড এটা এই দুই ছাত্রলীগের কুত্তার জানার কথা, এজন্যই তারা সাহস করে আমাকে বই দুটো দিতে পেরেছে, আনন্দে আমার অদৃশ্য জিহবাখানা বের হয়ে গেল।

আমি বই দুটো নিয়ে শেখ হাসিনার পি. এস কে তেলতেলে মুখ নিয়ে ফোন করে বললাম, “আপনি তো জানেন আমি আওয়ামী লীগের কত বড় দালাল, তাও কি দরকার ছিল বই দুটো দেবার। আমার কে জানার পর পি.এস সাহেব হাই তুলে ফোন রেখে দিলেন। আমি কিছু মনে করি নি, আমি কুকুরের মতই অনুগত কিনা।

ছাত্রলীগের ছেলে দুটো হেসে চোখ টিপি দিল। তারা আমাকে বলল, “এই যে স্যার আমরা আপনাকে এত পছন্দ করি কেন জানেন ? কারণ এই যে আমরা সন্ত্রাসী করি, চাঁদাবাজি করি, ধর্ষণে সেঞ্চুরী করি, রামদা দিয়ে কোপাই, টেন্ডারিং করি, তারপরেও আপনি আমাদের উপর ঈমান এনেছেন। আসলে আপনি তো স্যার বুঝেনই, দেশটা আমাদের সম্পদ, আমাদের বাপ-দাদারা এই দেশ স্বাধীন করেছে, আমরা যা খুশি করতে পারি, আপনিই তো স্যার “স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি”র ধুয়া তুলে আমাদেরকে যা-খুশি করার লাইসেন্স দিয়েছেন”।

আমি বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজের ব্রেইনওয়াশের জন্য চেষ্টা করি। আমি আশা করি তারা একসময় দেশটাকে পাল্টে নাস্তিক সোভিয়েত ইউনিয়নের মত করে ফেলবে, কারণ ধর্মে আমার ভারি এলার্জি। এই লাইনে আমার ভারি জনপ্রিয়তাও আছে। একদল উজবুক আমি অলরেডি পয়দা করে ফেলেছি এই বংগদেশে, এরা ভারি বোকচোদ, আমি যা-ই বলি এরা তা-ই বিশ্বাস করে। আমি যদি যুদ্ধের ডাক দিই, এরা ইন্টারনেটের জগতে ঢাল-তলোয়াড় নিয়ে নেমে যাবে। আমি খুব সুন্দর করে কথা বেঁচে খাই, কথার মাঝে ঢুকিয়ে দিই ইসলাম-বিদ্বেষ। জামায়াত-শিবিরের দোষ-ত্রুটিকে ইসলামের নামে চালিয়ে দিই। আমি নিজে আল্লাহকে বিশ্বাস করি না, কিন্তু সাহসে কুলায় না তো তাই সরাসরি ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলার guts নাই। ঘুরিয়ে পেচিয়ে বিষ ঢুকাই।

২.
কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে, এই দীর্ঘ জীবনে আমি কি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করেছি, তা হচ্ছে ইসলাম এবং মুসলিম। এর কারণ হচ্ছে, আমি অন্ধভাবে দেশকে ভালবাসি, আমি মনে করি দেশই সব, কিন্তু মুসলিমদের কাছে আগে আল্লাহ, তারপর দেশ। ইসলামের বিধান মানার জন্য কখনও নিজ দেশ ত্যাগ করা আবশ্যক হয়ে যায়, কিন্তু আমার কাছে দেশপ্রেম হচ্ছে, দূর্নীতি-সন্ত্রাসী করে তারপর খালি পায়ে স্মৃতিসৌধে উঠে বলা, “আমি দেশকে ভালবাসি”। ঐ ইউনুস যতই গরীবের পেটে লাথি মারুক, ঐ ইউনুসের গ্রামীণ ব্যাংক যতই দূর্নীতি করুক, আমি তাও ইউনুসকে ভালবাসি, কারণ ইউনুস বাংলাদেশী। আর পাকিস্তানের কোন মানুষ যত ভালই হোক না কেন, সে খারাপ, সে বর্বর, সে অসভ্য, কারণ সে পাকিস্তানী। আমি তাই পোলাপানকে শেখাই, অর্থহীন কবিতা আর গান নিয়ে লাফালাফি কর। ন্যাংটা হয়ে ডিজুস হয়ে বন্ধু-আড্ডা-গানে মাতলামি করতে থাক, শুধু বুকে হাত দিয়ে বল দেশকে ভালবাসি আর পাকিস্তানকে আজন্ম ঘৃণা করি। আওয়ামী লীগ দূর্নীতি করুক আর যা-ই করুক, দেশকে ধর্ষণ করার অধিকার তাদের আছে, “লাথি মেরেছে তো কি হয়েছে, আমার গরুই তো মেরেছে”।

যে বয়সে একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনার পূজা করার কথা, সে বয়সে মুসলিমরা আল্লাহর উপাসনা করেন। কি বেয়াদব রে বাবা ! আরে আল্লাহকে দেখা যায় না, আল্লাহকে বিশ্বাস করব কেন ? অবশ্য আমি সুন্দর একটা ল্যাপটপ দেখলে লোল ফেলে বলি, “এটা কে বানিয়েছে?”, যদিও বা আমি ল্যাপটপের কারিগরকে দেখি নি, তবু আমি নিশ্চিত ল্যাপটপটা কেউ না কেউ বানিয়েছে। আল্লাহ শব্দে আমার ভারি এলার্জি, তাই এত সুন্দর পৃথিবীতে আছি, ফ্রি-তে থাকা-খাওয়া-বাতাস, এই ক্রেডিটটা আমি আল্লাহকে দেব ? না বাপু, আমার পূর্বপূরুষ বানর, তাই মন আমার ভারি ছোট, আমি এসব প্রকৃতিকে দিই। রবীন্দ্রনাথের গান আমি খুব পছন্দ করি আর অন্যদের শুনতে বলি, সে তো আর যা-ই হোক মুসলিম না, সে কট্টর জাতীয়তাবাদী মুশরিক। আমি পোলাপানকে তাই অবাধ যৌনতার দিকে ডাকাডাকি করি, দুটা অল্প বয়স্ক ছেলে মেয়ে (বা ছেলে-ছেলে কিংবা মেয়ে-মেয়ে) যা খুশি তা করবে, আমি এতে কোন সমস্যা দেখি নি। পেটে বাচ্চা আসলে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে দেবে, এতে সমস্যার কি আছে? আরে আমরা তো সবাই জড়বস্তু, ব্যাভিচার, সমকামিতা, ধর্ষণ, এগুলো ঘুরে ফিরে সবই এক – সবই আমাদের মতে জায়েজ, কারণ এগুলো মানুষের জিনে লেখা আছে। শালার ধর্মটা এসে পেজগি লাগায়, মজা করতে দেয় না। ডারউইন তো বলেই দিয়েছে মানুষ উন্নত প্রজাতির পশু। পশুদের মধ্যে কি নিয়ম-কানুন চলে? মানুষের মধ্যে কেন থাকবে ? যা-খুশি-তা-করব, পাচঁটা মেয়ের সাথে ফস্টিনস্টি করে ছয় নাম্বারের সাথে কাজী ডেকে টুপি লাগিয়ে বিয়ে করবা।

আমরা মুক্তমনা আমরা বল,
আমরা পশুর দল।

যখন এই দেশের মানুষদের সামনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নাম করে একটা মূলা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তখন অন্য কোন ইস্যুতে কথাবার্তা আসতেই দেয়া যাবে না। কিছু হলেই জামাত-শিবিরের নাম টেনে আনতে হবে। কোন অপকর্ম হলে সেটাকে যুদ্ধাপরাধী বিচার নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র বলে চালিয়ে দিতে হবে। ভারত পানি নিয়ে যাচ্ছে, ফেলানি বর্ডারে মারা পড়ছে, লোকজন শীতের কাপড় না পরে মারা যাচ্ছে, শেয়ার বাজারে ধস নামছে, থলের বেড়াল বেড়িয়ে পড়ছে, ছাত্রলীগ বদমায়েশী করছে- এগুলো কোন বিষয় না, বিষয় হচ্ছে জামাত-শিবির-হিযবুত তাহরীর। এদেরকে কষে গালি দিয়ে বগল বাজিয়ে মুখ শক্ত করে বল “আমি দেশকে ভালবাসি”, তুমি সাচ্চা দেশপ্রেমিক হয়ে গেলে। এরপর দরকার হলে দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ব্লগ গরম কর, কোন সমস্যা নেই। দেখছ না আমি আমার দুটোকে বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছি, এরা যা খুশি নোংরামি করছে করুক, দেশকে তো ভালবাসে।

আমি মনে মনে প্রায়ই হাসি, এদেশের লোকজন কতটা না বেকুব। তারা বুঝতেই পারে না একাত্তরে এই দেশ স্বাধীন হয় নি, বরং পরাধীনই রয়ে গেছে। আগে ইসলামাবাদ, এখন গোপালগঞ্জ থেকে ছড়ি লাড়াচাড়া করে, বেকুব জনগণ এটা এখনও বুঝতে পারেনি দেখে আমি তো রীতিমত বিস্মিত। তাই তো আমরা আজো স্বাধীনতা নামক এক ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আবাল জনগণকে ঠান্ডা করে রেখেছি। কিছু করতে হয় না, গালে দুটো পতাকার ছাপ্পড় আর প্রোফাইল পিকচারে লাল-সবুজ ঝুলিয়ে দিয়ে এদেশের সুশীল সমাজ স্বাধীনতা জিইয়ে রেখেছে।

জামাত-শিবির যেমন করে সবজায়গায় নিজের দলের লোক ঢুকায়, আমিও কম যাই না। তাই তো আমি মাদ্রাসা শিক্ষা বাতিলের স্বপ্ন দেখি, বড় বড় ডায়ালগ দিয়ে ভেবেছিলাম “যা একটা পার্ট নিলাম না !”, কিন্তু ভাগ্য খারাপ, মাদ্রাসার একাধিক ছেলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম/দ্বিতীয়/তৃতীয় হলে আমার গালে সজোরে জুতো মেরেছে, আমি “কিছুই হয় নি” এমন একটা ভান করে মাদ্রাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তবে হ্যাঁ, নিজের ভার্সিটিতে আমি নিজের লোক ঢুকিয়েছি ২০০২ সালে, কেউ ধরতে পারে নি ভাল করে।

জামাত-শিবির যখন হল দখল করে তখন আমি সোচ্চার, তবে সোনার ছেলে ছাত্রলীগ একই কাজ করলেও আমি ভান করি কিছুই হয় নি। আগেও এটা বলেছি, বস্তুত, আমি কুকুরের থেকেও বেশি অনুগত। আপনারা আমার দুটো চোখ দেখলেও আসলে আমি একচোখা, যত দোষ-সব ধর্মের উপরে চাপিয়ে দেয়াটা আমার পেশা-নেশা-ভালবাসা। এদেশের মানুষ সামরিক শাসন আর গণতান্ত্রিক শাসনামল উভয়ে সময়ে শোষিত হয়েছে, পাকিস্তান আমলেও হয়েছে। কিন্তু ঐ যে বললাম আমি বড় একচোখা, তাই একাত্তরের পরে দেশের যত অনাচার তার দায় সব জামাত-শিবিরের কাঁধে চাপাতে আমি ভারি ওস্তাদ। ও হ্যাঁ, আরেকটা বিষয় নিয়ে আমার পেটে একটা কৃমি গুঁতোগুঁতি করে, সেটা হল পর্দা। নারী আমার চোখে ভোগ্যপণ্য, আমি মনে করি যে কোন ছেলের যে কোন মেয়েকে চোখ দিয়ে ভোগ করার অধিকারটুকু থাকা উচিত। আর বাকি কাজটুকু করার জন্য যে অশ্লীলতার কালচার সৃষ্টি করা প্রয়োজন, তা তো আমি, আনিসুল হক, ফারুকী এরা দিয়েই যাচ্ছি। মেয়েরা ভারি বোকা, তাদেরকে পটানো খুব সহজ। বুঝে শুনে হিজাব করলে ব্যাপারটা খানিকটা কষ্টসাধ্য হয়। তাই তো আমি পর্দার বিপক্ষে জিহাদ ঘোষণা করেছি, অবশ্য আমি নিজেকে শান্তিকামী হিসেবে পরিচয় দিই। ও হ্যাঁ বলা হয় নি, কয়দিন আগে কুর’আনের সূরা আহযাবের একটা আয়াতের তাফসীরও করে ফেলেছি এক দাড়িওয়ালা ছেলের কাছে।

আমি রাজনীতি ভাল বুঝি না, এটা করার জন্য মাথা লাগে, সেটা আমার নাই, আমার আছে চাপা। তবে আমি একটা জিনিষ দেখছি পুরো মুসলিম বিশ্বে মুসলিমরা সচেতন হচ্ছে, তারা ইসলামকে দেশের রাজনীতিতে দেখতে চায়। তাই নিরলসভাবে ধর্মনিরপেক্ষতা-অসাম্প্রদায়িকতা এসবের বাণী প্রচার করে যাচ্ছি যেন তাদেরকে ঠেকিয়ে রাখা যায়।

৩.
আমার এ লেখাটি যে আসলে কার জন্য লিখেছি বুঝতেই পারছি না। অন্ধ আক্রোশ আর ঘৃণায় আমি পাগল হয়ে গেছি। কলম ধরলে ইসলাম বিদ্বেষ ছাড়া আর কিছুই প্রসব করতে পারি না। আমি আজকাল খোড়া যুক্তি দেয়া শুরু করেছি। শিবিরের ছেলেদেরকে বলেছি, তোমাদের আবুল আলা মওদুদী মানুষটা ভাল ছিল না, তাকে মৃত্যুদন্ড শাস্তি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি একটা গাধামি করে ফেলেছি, আমি যেসকল দেবতার পূজো করি, যেমন বঙ্গবন্ধু, উনাকেও জেলে যেতে হয়েছিল। জেলে গিয়েছে-শাস্তি পেয়েছে বলে মওদুদী লোকটা খারাপ-এই যুক্তি ধোপে টিকল না, বংবন্ধুকেও একই যুক্তিতে ক্রিমিন্যাল সাব্যস্ত করা যায়। জামাত ইসলামী যেমন পাকিস্তানকে সহযোগিতা করেছিল একাত্তর, তেমনি আমার দল আওয়ামী লীগ সাহায্য করেছিল ভারতকে। সুরঞ্জতি সেন তো কয়দিন আগে স্বীকারও করেছেন তা। দেশটাকে যে ভারত কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে সেই প্রক্রিয়া একাত্তরে শুরু হয়েছে। এসব ব্যাপারে আমার মন খুব সংকীর্ণ, তাই আমি তোঁতাপাখির মত “স্বাধীনতা, দেশপ্রেম” ডেকে যাই, কিছু কমবয়সী ছেলেপুলের রক্ত গরম হয়, এই যা।

আমি খুব ভয়ে আছি। আমি ইসলামে বিশ্বাস করি না ঠিক, কিন্তু ইতিহাস বলছে ইসলামের নবীরা সময়ে সময়ে এসেছেন এবং তারা আমার মত কাফিরদের কে তুলোধুনো করেছেন। এই তো কয়েকশ বছর আগেও মুসলিমরা ছিল পরাশক্তি। সবাইকে ভুলিয়ে ভালিয়ে রাখতে আমি তাই নতুন পৃথিবীর মিথ্যা স্বপ্ন দেখাই, কবরে গিয়ে কি যে একটা অবস্থা হবে, তার আগে যত কামাই করে নেয়া যায়। মুখে বলছি, নতন পৃথিবীতে ধর্মনিরপেক্ষতা থাকবে, অসাম্প্রদায়িকতা থাকবে, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি থাকবে না, কিন্তু কি যে করি, অবস্থা পুরো উলটা। জিহাদীগুলা আমার প্রভু আমেরিকাকে কাঁত করতে শুরু করেছে, তারা এসব গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা থেকে মুখ ঘুরিয়ে ফেলতে শুরু করেছে। ভয়ে আছি মুসলিমরা ইসলাম কায়েম করে আমাকে লাথি মেরে আমাকে বের করে দিবে। নতুন পৃথিবী দুটা ভাগে ভাগ হয়ে যাবে, ইসলাম এবং কুফর। এটা নতুন কিছু নয়, যুগে যুগে এমনটাই হয়ে আসছে। যারা ইসলামে বিশ্বাস করে না এরা সর্বশেষে পরাজিত হয়। আমি সেই পরাজয়ের আগেই আখের গোছা গুছিয়ে পটল তুলতে চাই। আমি ইসলাম খুব ভয় পাই, খুব খুব খুব।

-জাফর ইকবাল (সংগৃহীত)


২৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×