somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রহস্য

০৫ ই মে, ২০১৫ রাত ৮:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেয়েটা খুব একটা ফর্সা না । তাই বলে কালোও বলা যায়না । উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণের । তবে মেয়েটার যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশী নজর কাড়ে তা হল মেয়েটার চোখ । অসম্ভব সুন্দর কাজলকালো চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে দূর অজানায় । আরেকটু ভালো করে খেয়াল করলেই বুঝা যায় মেয়েটার মুখে আশ্চর্য এক ধরণের মায়া আছে । যদিও রক্তমাখা ছুরি হাতে মেয়েটাকে এখন যথেষ্ট হিংস্র দেখাচ্ছে । একটু আগে দেখা ঘটনাতে একদম হতভম্ব হয়ে গেছি । যদিও ভিকটিম প্রথম কয়েকবার আঘাতের পরই চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছে গেছে, সেদিকে মেয়েটির বিন্দুমাত্র খেয়াল নেই । সে একের পর এক আঘাত করেই চলছে । অবশেষে একটা সময় ক্ষান্ত হল । এই কাজটা করার জন্য তার মাঝে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা তো হলই না বরং মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল । অন্যসময় হলে বলা যেত হাসিটা অসম্ভব সুন্দর ।কিন্তু এই মুহূর্তে মেয়েটাকে কেমন নিষ্ঠুর দেখাচ্ছে ।দৃশ্যটা দেখেই গা শিউরে উঠছে । রক্তমাখা ছুরি হাতে, মুখে হাসি নিয়ে নিজের বাবার লাশের সামনে দাড়িয়ে আছে মেয়েটা । হ্যা মেয়েটা একটু আগে যে লোকটাকে নিজ হাতে খুন করেছে সে তার বাবা ।চোখের সামনে ঘটনাটি ঘটতে দেখে এতটাই হতভম্ব হয়ে গেছিলাম যে চারদিকের কোন খেয়াল ছিলনা
। স্যারের ডাকে বাস্তবে ফিরলেও ধাতস্থ হতে আরও কিছুটা সময় লাগল । মুচকি হেসে স্যার এক গ্লাস পানি আমার দিকে এগিয়ে দিলেন । পকেট থেকে রুমালটা বের করে মুখের ঘাম মুছে নিলাম । বাড়িয়ে দেয়া পানির গ্লাসটা হাতে নিয়ে একশ্বাসে পুরোটা সাবার করে ফেললাম । স্যার একটু মুচকি হেসে জিজ্ঞেস করলেন," কি সাইমন? কেমন দেখলে ?"
ওহহহহ !এখনো নিজের পরিচয়টাই তো দেয়া হয়নি । সেই কখন থেকে বকবক করে যাচ্ছি । এখন নিজের পরিচয়টা দিয়ে নেই । আমি সাইমন , আগে পিছে কিছুই নাই ,শুধু সাইমন । ভিক্টর সাইমনের সাথে নামের মিল থাকলেও আমি কিন্তু মোটেও গোয়েন্দা নই । সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট থেকে সদ্য পাশ করেছি । স্যারের অতি প্রিয়ভাজন হওয়াই প্রায়ই স্যারের সাথে থাকি । এইমাত্র যে ঘটনাটার বর্ণনা দিলাম সেটার ভিডিও ফুটেজ দেখছিলাম এতক্ষন । স্যার এই কেসটা নিয়ে এখন কাজ করছেন। আর বরাবরের মত আমাকেও সাথে রেখেছেন ।
- "কি ব্যাপার ? কিছু বলছনা যে ?"
- কি বলব বুঝতেছিনা । মেয়েটা এতোটা হিংস্র হয়ে উঠল কেন?
.............
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

১৯৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান কি বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ছে?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪


পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫১

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !



পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ব্লাইন্ড স্পট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭



ঘন কুয়াশার চাদর আর আঁকাবাঁকা সড়কের আড়ালে ‘পদ্মাডাঙা’ গ্রামটা দেখতে আর দশটা নীরব, নিরুপদ্রব পল্লীর মতোই। কিন্তু সাইবার অপরাধের মানচিত্রে এই জায়গার পরিচয় ভিন্ন। ফিশিং, ব্যাংক... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাতুকুতু'র কাহিনীনামা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।

তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×