ইচ্ছেঘুড়ির রোজনামচা
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মন ছুটে যায় ইচ্ছেমত
বাড়ীর ছাদে-
লাল নীল সব হরেক রঙের
ঘুড়ি ওড়াতে
এইতো যেমন এইতো সেদিন
উড়তো ঘুড়ি,ঘুড়তো লাটাই
নতুন সুতোয় নতুন প্রাতে।
‘আরে টান দে, দে টান-
দুয়ো ভোঁ কাট্টা’
লাল ঘুড়িটার ইচ্ছেমত
উড়ে বেড়ানোয়
খেলো গোত্তা।
মাঝে মাঝেই দাঁড়িয়ে যেতাম
ইচ্ছেমত লাটাই হাতে
চেনাজানা সব দুষ্টছেলের
বন্ধু হয়ে মাঝখানেতে-
‘এ কি রে দস্যিমেয়ে
ওড়ায় ঘুড়ি ছেলে যেনো
আর কটা দিন সবুর করো
বুঝবে যখন কপাল ঘসে
জুটবে না আর পাত্র কোনো’-
শতেকখানি ঠিকরানো চোখ
দ্যাখে মেয়ের দস্যিপনা
‘সবই গেলো এ জীবনে
আর হবে না আর হবে না’-
ইচ্ছেমত দস্যি মেয়ের
চোখ রাঙানোয় থোড়াই কেয়ার
উড়ছে ঘুড়ি, ঘুড়ছে লাটাই
মন ছুটছে চলছে দেদার।
আজ দেখছি সেই মেয়েটির
লাল ঘুড়িটার ইচ্ছেমত
উড়ে বেড়ানোয় ছন্দপতন
ঘর সংসার আর সমাজের
নানান মানুষ নানান স্বজন-
নেয়নি তারা সেই মেয়েটির
ইচ্ছেঘুড়ির সঠিক যতন।
মেয়েটি এখন আর ধরে না
লাটাই হাতে যখন তখন
যদিও এখন মন ছুটে যায়
গেন্ডারিয়ায় চৈত্র শেষে
বুকে ধরা অতি প্রিয়
অক্ষয় দাস রোডে এসে।
ইচ্ছেঘুড়ির ইচ্ছেটা আজ
কাটা পড়ে যায়
যান্ত্রিকতার ডামাডোলে
মেয়েটি তাই ইচ্ছেঘুড়ি
মনপবনে নিত্য ওড়ায় নিত্য ভোলে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন