১.
অন্ন ? বড় জঘন্য
নগন্য যখন আমার ক্ষুধা!
২.
মাইলের পর মাইল খাসজমি
বাপে ভিটে দেয় নাই- আমি ভূমিহীন
৩.
বিষবৃক্ষের তলে মাটি খুঁড়ে বার করি ইতিহাস
মেসোপটেমিয়া, সিন্দু...
আমার ঘরের কোনেই শুনি প্রত্নতাত্বিক কান্না
৪.
মানুষ হয়ে আকাশ বা বৃক্ষ হতে পারিনি-
নির্বিচারে মানুষই রইলাম
৫.
জলের গায়ে জলজ দাগ থেকেই যায়!
দাগ থেকে যায়
৬.
আগুনের ঠোট চুষে পুঁজের স্বাদ
ড্যাবড্যাবে সনাতন ক্ষতে দুধে আলতা পুঁজ
৭.
শাঁই শাঁই চুম্বনের শব্দে নেচে উঠতো আগুনের শরীর
৮.
অনির্বাচিত রাতে প্রেম এসেছিলো ঘুমের মতো নিরবতায়,
অথচ তখনো কাঠের বুনন গোগ্রাসে উষ্ণতা গিলতে ব্যস্ত
৯.
ঘুমরোচক শব্দগুলো বেয়াড়া বনে গিয়ে
নিশ্চিত অবহেলায় হিম জমাচ্ছে শয়নোচিত নৈঃশব্দে।
আহা! কতোই না কামার্ত তুষারপালকের পেলব গা...।
১০.
সুযোগ বুঝে আমিও বাসর চৌকির নিচে
বিলাপরত কুনো ব্যাঙের মতো
১১.
আমাকেও সাথে নিলো বিভ্রান্তির সরীসৃপ
১২.
লিপস্টিকের দাগ মুঠোফোনেই লেগে থাক-
জীবনের বর্ণিল খুচরো রোদের কার্পেট উপহাস মাত্র
১৩.
সুগন্ধিগুলো দেয়ালের দাগ হলো
কবিতাঘরের পুরোনো বালুর আস্তর ক্ষমা চায়
মেঝেতে ঘুম নামলো কুসুম কুসুম গরম জলে
মাঝরাতের স্নান খুবই বিচ্ছিরি !
১৪.
কাশবনে আগুন লাগাতে গিয়ে বকঠোকর খেয়েছি
উষ্ঠা খেয়েছি উচ্ছিষ্ট রোদ্দুরে
১৫.
জ্যোৎস্না কিনে ঘরে ফেরে নাগরিক সুখেরা;
ওসব শরীরে অদ্ভুতোদিত উষ্ণায়ন
আমাকে আকাশ দ্যাখার সুযোগ দেয়...
১৬.
ভজো নম: নম:
নিষ্কাম মম প্রেমজ হিমাঞ্চল
১৭.
আমরা দু'জন
একে অন্যকে খুলে খুলে চিনেছি
সেদিন জ্যোৎস্না সমান দুই ভাগ হয়েছিলো
১৮.
দ্যাখো, ঠোটে রক্তের চুমুদাগ মাত্র একটি খুনের-
যা কোথাও লেখা হয়নি!
১৯.
পুরোনো পুকুর অথবা বৃদ্ধার মুখ আর
বাচ্চা দিতে দিতে গ্ল্যামার হারানো কুকুর
২০.
এ ঢেউ ওই পারে ওঠার পর
যেও তুমি, যাবেইতো একলা তোমার ঘর
২১.
একভাগ চোখে
একভাগ জল
পুরোটাই স্থল
২২.
চোখে
জ্যোৎস্না দেখি
জ্যোৎস্নায় চোখ
২৩.
সাদা মাটি
কালো চাঁদ
আর সর্বনাশ
২৪.
ছুঁয়ে দেখো
স্বপ্ন
নয়তো আষাঢ়
২৫.
আহা!
এ তো জলচৈতন্যের স্বর!
২৬.
অনুগত বারান্দায় নীল খরগোশের নাচ
২৭.
একটি কাঠবিড়ালী তোমার ছবি মাথায় নিয়ে
রোদ পোহাচ্ছে!
এমন দৃশ্যের বাণিজ্যিক মূল্য তোমার পক্ষে যায় না।
(২য় পর্বে সমাপ্ত)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


