somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজকের দিনটিতে আমার কিছু কথা।।

২৭ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ৩:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এ আগে থেকেই ভূমিকাটা শুরু করি।। '৫২তে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন।। ক্রমেই তা '৬৬ সালে এসে পরিনত হয় স্বাধীনতার আন্দোলন এবং এর প্রস্তুতিতে।। যতটুকু জানি,সে সময় স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস নামে একটি সংঘটন গোপনে ট্রেনিংও শুরু করে।। এমন কি বলাকা ভবনের এক অবাংঙ্গালী টেইলার্স থেকে '৭১এর আসল পতাকাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্চপাষ্টও হয়(এখানে ভুল হলে দয়া করে ধরিয়ে দেবেন)।।
সেই অতীত আজ নিভৃত।। সবাই ভুলে গেছে সিরাজুল আলম খাঁন,আবদুর রাজ্জাক,ফজলুল হক মনির কথা।। আর সিরাজ শিকদারেরতো প্রশ্নই উঠে না!!
অতীত চিন্তার বিষয় না,যতটা ভবিষ্যতের।।কিন্তু আমরা কয়জন এটা নিয়ে ভাবি??
কিন্তু শিকড়ের গভীরতায় আমাদের বাঙ্গালিত্ব বেশ বেঁচেবর্তেই আছে।। আজ আমরা কিন্তু প্রকারান্তরে তাকেই অস্বীকার করছি।।সুতরাং টিকে থাকা শুধু সময়ের ্যাপার।।
কিন্তু কে ভাবছে এটা নিয়ে?? যাদের নেতৃত্ব দিয়েছি তরা তো নয়ই,আমরা নিজেরাও প্রশ্নবিদ্ধ।।
বর্তমানই সার।। ভবিষ্যৎ বলতে শুধু ছেলে-মেয়ে পর্যন্ত!!তারপরের কথা আমাদের ভাবনাতেই নেই।। কিছুই না।।
সারাবিশ্ব যেখানে এগিয়ে চলছে আগে,তখন আমরা বুতাম উল্টোকরে লাগিয়ে এগোচ্ছি।। জেনরেশনের পরবর্তি জেনারেশন নিয়ে যে জাতির কোন ভাবনা নেই, তাদের জন্য শুধুই হতাশা!! ভাবছি প্রকৃতিপ্রদত্ত সব থাকা সত্বেও শুধুমাত্র ভুল পের নির্দেশনায় আমরা আমাদেরই নষ্ট করছি।।অভাব শুধু মাঝির,যে তার ফুটোনৌকাতেও কৌশলে পার করে দেবে

কিন্তু সবার আগে আমি।। আমার স্বচ্ছলতা আর নিরাপত্তা আগে বিকাশ ঘটাতে হবে।। নিকটজনের তো থাকতেই হবে।।।।
যা কোনদিনও মিটবে না।।
আমি দেখেছি একবেলা খাওয়া মানুষকে আজ দশজনের খাবার অপচয় করতে।।
কোন প্রশ্ন-উত্তরের বালাই নেই।। থাকে শুধু মনের মনে অনেক অব্যক্ত কথার জ্বালা।।
তাইতো আজ নিজেকে একঘরে করে রেখেছি,নিজের ইচ্ছেতেই।। নজরুলের ভাষায়,বন্ধু বড় বিষজ্ব।লা এই বুকে।।
দেশের কোন দোষ নেই,থাকতেও পারে না।। যতদোষ এই আমাদের মাঝে।।কটু আগে থেকেই ভূমিকাটা শুরু করি।। '৫২তে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন।। ক্রমেই তা '৬৬ সালে এসে পরিনত হয় স্বাধীনতার আন্দোলন এবং এর প্রস্তুতিতে।। যতটুকু জানি,সে সময় স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস নামে একটি সংঘটন গোপনে ট্রেনিংও শুরু করে।। এমন কি বলাকা ভবনের এক অবাংঙ্গালী টেইলার্স থেকে '৭১এর আসল পতাকাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্চপাষ্টও হয়(এখানে ভুল হলে দয়া করে ধরিয়ে দেবেন)।।
সেই অতীত আজ নিভৃত।। সবাই ভুলে গেছে সিরাজুল আলম খাঁন,আবদুর রাজ্জাক,ফজলুল হক মনির কথা।। আর সিরাজ শিকদারেরতো প্রশ্নই উঠে না!!
অতীত চিন্তার বিষয় না,যতটা ভবিষ্যতের।।কিন্তু আমরা কয়জন এটা নিয়ে ভাবি??
কিন্তু শিকড়ের গভীরতায় আমাদের বাঙ্গালিত্ব বেশ বেঁচেবর্তেই আছে।। আজ আমরা কিন্তু প্রকারান্তরে তাকেই অস্বীকার করছি।।সুতরাং টিকে থাকা শুধু সময়ের ্যাপার।।
কিন্তু কে ভাবছে এটা নিয়ে?? যাদের নেতৃত্ব দিয়েছি তরা তো নয়ই,আমরা নিজেরাও প্রশ্নবিদ্ধ।।
বর্তমানই সার।। ভবিষ্যৎ বলতে শুধু ছেলে-মেয়ে পর্যন্ত!!তারপরের কথা আমাদের ভাবনাতেই নেই।। কিছুই না।।
সারাবিশ্ব যেখানে এগিয়ে চলছে আগে,তখন আমরা বুতাম উল্টোকরে লাগিয়ে এগোচ্ছি।। জেনরেশনের পরবর্তি জেনারেশন নিয়ে যে জাতির কোন ভাবনা নেই, তাদের জন্য শুধুই হতাশা!! ভাবছি প্রকৃতিপ্রদত্ত সব থাকা সত্বেও শুধুমাত্র ভুল পের নির্দেশনায় আমরা আমাদেরই নষ্ট করছি।।অভাব শুধু মাঝির,যে তার ফুটোনৌকাতেও কৌশলে পার করে দেবে

কিন্তু সবার আগে আমি।। আমার স্বচ্ছলতা আর নিরাপত্তা আগে বিকাশ ঘটাতে হবে।। নিকটজনের তো থাকতেই হবে।।।।
যা কোনদিনও মিটবে না।।
আমি দেখেছি একবেলা খাওয়া মানুষকে আজ দশজনের খাবার অপচয় করতে।।
কোন প্রশ্ন-উত্তরের বালাই নেই।। থাকে শুধু মনের মনে অনেক অব্যক্ত কথার জ্বালা।।
তাইতো আজ নিজেকে একঘরে করে রেখেছি,নিজের ইচ্ছেতেই।। নজরুলের ভাষায়,বন্ধু বড় বিষজ্ব।লা এই বুকে।।
দেশের কোন দোষ নেই,থাকতেও পারে না।। যতদোষ এই আমাদের মাঝে।।
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×