আজ এই সংঘঠনটি পুরো মধ্যপ্রাচ্যকেই অশান্ত করে তুলেছে, একসময় আল-কায়েদা নামক “ছায়া সংগঠন” যা করেছিলো।। সময়ের বিবর্তনে আজ তা পরিবর্তিতরূপে প্রকাশ।।এটা যেমন প্রতিষ্ঠিত সত্যি যে আল-কায়েদা প্রতিষ্ঠিত পরাশক্তির হাতে,এবং স্বার্থরক্ষাও করে যাচ্ছিলো তাদেরই।।শুধু একটিই প্রমান তৎকালীন আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের বক্তব্য,আমেরিকায় বিমান আক্রমনে কায়েদা সরাসরি যুক্ত না থাকলেও দোয়া করা।।
আসলে আমরা দেখতে পাই বাস্তবে,তৎকালীন কায়েদা,বর্তমানের দায়েস বা আইএসের বা একটু এগিয়ে আফ্রিকার বোকো হারামের সমস্ত কার্যাবলীই ইসলাম পরিপন্থি তথা বিরোধী।। যা মুসলিমদের করে তুলছে,পরিচিতি করাচ্ছে এক জঙ্গীগোষ্টি রূপে।। আসলে ইসলামে পরধর্মে সহিঞ্চুতাই শিক্ষা দেয়।। কিন্তু তারপরও কেন এই হিংসাত্মক কার্যাবলীর দ্বারা ইসলামকে প্রকারান্তরে ছোট করাই হচ্ছে?? আর পশ্চিমা বিশ্বের(যারা বর্তমান সময়ের প্রভু)তাদের জনগনের কাছেই বা কেন এই বিভৎসরূপ প্রকাশ করা হচ্ছে?? আমার সাহস নেই সেই সত্যি তুলে ধরার।। কিন্তু এটা আজ দিবালোকের মতই ষ্পস্ট যে,কে বা কারা এবং কেনই বা এই দাবার মূখ্যচরিত্র আর গুটি।।
লাদেনের (তথাকথিত হত্যার)পর কায়েদার গুরুত্ব স্বভাবতঃই কমে যাওয়ায় প্রয়োজন হলো আরেকটি গ্রুপের।।জন্ম নিলো কায়েদা থেকে দলছুট কিছু লোক নিয়ে নূতন সংগঠন দায়েস বা আইএসের।।কোথায়?? তৈল সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে!!(বাংলাদেশও না কি এর বাহিরে নয়!!)কেন?? প্রয়োজন যুদ্ধ ও অশান্তি বজায় রেখে নিজেদের প্রভুত্ব কায়েম রাখা।।প্রয়োজন পশ্চিমা বিশ্বের বিশেষত পরাশক্তির অর্থনীতির চাকা সচল রাখা।। কারন সবারই জানা।। আজ মধ্যপ্রাচ্য একটি জলন্ত আগ্নেয়গীরি।। শুধু বাকি লাভা বিকিরণ!! কে আছে থামাবার?? কেউ না।। কারন পরাশক্তির কাছে নত আমরা বিক্রিত।।
আজ বর্ষপুর্তি দায়েস বা আইএসের মসুল দখলের।। সেই কবে লিখেছিলাম Click This Link আজ তার প্রমানতো সবার সামনেই।। আরো প্রমান মুসলিম যোদ্ধার বিরোধীপক্ষের নিহতর কলিজা খাবার দৃশ্য বা আইএসের হাতে জবাই হওয়াদর দৃশ্য।। কিন্তু এখনেই প্রশ্ন সলে লাভ কার হচ্ছে??
আসলে আমরা মুসলিমরা হেরে যাচ্ছি প্রতিপদে।। চালমাত অবস্থা আমাদের।। কন্তু প্রশ্ন কর বা কাদের জন্য আমাদের এই অবস্থা?? শুধুই কি পরিবেশ বা পরিস্থিতির স্বীকার না দাবার পন হিসাবে ব্যাবহৃত হচ্ছি।।
দেখা যাক আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যে।। সাদ্দাম,মোবারক,বেন আলি,আলি সালেহ বাদ।। এলো ভিন্নতর দল।। কিন্তু ছায়া গেলো না সেই কায়েদা বা আইএসের!! অবাক ব্যাপার এখানেই।। যাবেও না।। কারন এখানে জড়িত রাষ্টীয় স্বার্থ।। তা অর্থনৈতিক।। যারা এব্যাপরে বিন্দুমাত্র ঞ্জ্যান রাখেন তারাই বুঝবেন।।
বিঃদ্রঃ আইএসের কর্মকৃর্তীর ব্যাপারে আগামীতে লিখবো বলে আশা করছি।।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১৫ রাত ৩:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




