কি লিখবো আর কেনই বা লিখবো?? তবুও ভাবছি নিজের অভিজ্ঞতাই লিখে যাই না কেন?? লিখে যাচ্ছি মনে খেয়ালেই বা পাঠকদের সাথে একধরনের সেতু রচনায় আগ্রহী বলে।। তা না হলে কেন তিনবছরেরও অধিক সময় একই স্থানে আটকা পড়ে আছি।। আসলে জানাতে পারছি নিজের কথা, জানতেও পারছি তেমনি পরের কথা।। সবচেয়ে বড় লাভ জানতে পারছি দেশ-বিদেশের অনেক অজানা কাহিনী, যা বইতেও পাই নি।। ইতিহাস বড়ই অচেনা।। যতই পড়ি না কেন, সীমাবদ্ধ একটা নির্দিষ্ট গন্ডিতেই।। কিন্তু এখানে তা না।। অতীতের সাথে উঠে আসছে বর্তমানও।। প্রত্যক্ষদর্শীর দূষ্টিতে।।
আমি এটাকে নগর বা বাস্তব সাংবাদিকতা বলে আখ্যায়িত করবো।। কারন আমাদের মিডিয়াগুলিতে কোন সমালোচনার স্থান নেই,নেই প্রশ্নের উত্তরের।। কিন্তু এখা তা নয়।। এখানে প্রতিটি পোষ্টকারীকে তার পোষ্টের হাজারো ব্যাখ্যা দিতে হয়।। তাও যদি সন্তোষজনক না হয়, তবে তা পরিত্যাক্ত হয় পাঠকদের কাছে।। অর্থাৎ মূল্যহীন।।
কিছু কিছু লেখা তো অসাধারন (হোক না কবিতা, ছড়া,গল্প,, বা প্রতিকী)।। দেশের পুরো বর্তমানটাই যেন ফুটে উঠে এসব লেখায়।। কিন্তু কার গোয়াল,কে দেয় ধোয়া।।
সুতরাং ব্লগীয় লেখায় যতই বাদ-প্রতিবাদ হোক না কেন, আসল কর্তৃপক্ষ অবিচল।। অর্থাৎ আমরা এই জন-সাধারন অচল মুদ্রা।।
কিছুই বুঝি না, কেন কোটি কোটি টাকা কিভাবে ঋনখেলাপীদের হাতে যাচ্ছে।?? কি ভাবে ভুয়া সব কম্পনী গড়ে উঠছে?? কি ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এতো সিকিউর্ড সিষ্টেমও হ্যাক হচ্ছে?? শেয়ার বাজাের কথা নাই বা বললাম!!
সামান্য পানামা পেপার্সের জোরে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগে বাধ্য।। আরেক প্রতাপশালীর প্রধানমন্ত্রীর আসন টলমল।। সেখানে আমরা শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যগেই খুশী!! অবাক পৃথিবী অবাক যে বারবার!!
তনু তথা সোহাগী হত্যার পর পরই ঘটে গেছে আরো কয়েকটি ঘটনা।। মঞ্চের নামকরা একজনের গৃহকর্মীর লাশ, বিশেষ করে ইমরান সোচ্চার যেখানে তনুকে নিয়ে!!
একটি ইস্যুর বিনিময়ে তৈরী হচ্ছে আরো অনেক ইস্যু।। পরপরই।। কোনটা ধরে কোনটা ছাড়বো, তাই বিচার্য।।
আবার নূতন ইস্যু বৈশাখে পান্তা-ইলিশ না অন্যকিছু!! মাঝখানে গোল্লায় যাচ্ছে মূল ইস্যু।। আমরা ভাবি না।। কারন আমাদের জাতটাই বড্ড সহনশীল।। আমরা ভুলে াই বা ক্ষমা করে দেই “অনেক কিছুই” ।।
সত্যিকথা বলতে কি আমরা দ্বিভক্ত।। কেউ সরকারী পক্ষে তো, কেউ বিপক্ষে।। কেউ কেউ আবার ব্যাস্ত ধর্ম নিয়ে।। এখানে আমার কথা সব সব ধর্মই যদি হাজার বছরের অধিক সময় ধরে পাশাপাশি চলতে পারে তাহলে এখন কেন এখানে বিবাদ শুধু বিরোধীতার।। তর্কের খাতিরে শুধু তর্কই করে চলেছি।।
আমি ব্যাক্তিগতভাবে মন্দিরের ঠাকুরের হাতের প্রসাদ খেয়েছি।। সেও ভাবে নি কাকে দিচ্ছে আমিও ভাবি নি।। তেমনি আমাদের সময়ে নামকরা হিন্দু নায়িকার ভাইও একই সাথে গিয়েছে তারাবিহ্ পড়তে।। তেমনই ডেভিডও।। মঙ্গলও একই সাথে গরুর মাংস চেটেপুটে খেয়েছে।। কৈ তখনতো আজকের এই ভেদাভেদ ছিলো না।। তবে আজ কেন??
জানি আমার অনেক প্রশ্নের জবাবই আজ পাবো না।। বিনিময়ে গালি নয়তো ট্যাগ।। তাও নামকরা ব্লগারদের কাছ থেকেই!!
খুব শ্রদ্বেয় ( যাদের দেখে ব্লগে আসা) তিনি পর্য্ন্ত ট্যাগ দিয়েছেন।। আরেকজন দিয়েছেন গালিও।। জবাব ছিল, কিন্তু অহেতুক বিতর্কে জড়াতে মন চাইলো না বলে চুপ করে মেনে নিয়েছি।। কারন জানি পিস্তল থাকলে শুধু ভয় দেখানোই চলে আর গুলি করতে না চাইলে তাও দেখানো উচিৎ না।। শুধু কোমড় চুলকে মুদীদোকানদের ভয় দেখানো চলে।। চলে স্থানীয় হোটেলগুলি/রেষ্টুরেন্টে ফাও খাওয়া।। আবার অনেক সময় সময় এদেরই দেখেছি ফেলা থুথু চেটে পরিষ্কার করতে।। জীবনের মায়া!! বনের বাঘও শিয়াল বনতে দেরী করে না , অবস্থার প্রেক্ষীতিতে।।
আমাদের জীবনটাই এই দেখে যাওয়ার ব্যাপার।। কেউ নায়ক কেউবা ভিলেন।। শুধু আমরা জনসাধারন নআছি দু/একটি সিনে।
শুভ নববর্ষ সবাইকে।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

