বিচারিক কার্যক্রমের বেড়াজালে আটকে আছে ডেসটিনির কার্যক্রম ।কিন্তু একটি স্বাধীন দেশে এটা কখনোই হতে পারেনা। ডেসটিনি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সচেতন মানুষ যারা তারা সবই জানেন। তার পরেউ বলি শুধুমাত্র অনুমানের উপর নির্ভর করে এই সফল কোম্পানিটির ব্যাংক একাউন্ট ও এর পরিচালকদের আটক রাখা হয়েছে। এর জন্য ডিরেক্ট সেলিং আইন ও করা হয়েছে। সেই নতুন আইন অনুসারে কোম্পানি পুনরায় নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে।
আফসোস এই ভেবে যে এত বড় বড় অভিযোগ এনে মামলা করে সব কার্যক্রম স্থবির করে দেয়া হলো এই অভিযোগের একটিও এখন পর্যন্ত প্রমান করতে পারনি। মামার তিন মাসের মধ্যে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়ার নিয়ম সেটা করতেও ব্যার্থ. দুদক।
এই কম্পানির সাথে সরাসরি ৩৫ লক্ষ পরোক্ষ ভাবে আড়াই কোটি মানুষের সম্পর্ক । এতগুলো মানুষের জীবিকার উৎস নিয়ে সরকার, দুদক, মিডিয়া হাসি তামাসা শুরু করেছে।
তাই একজন স্বাধীন দেশের নাগরিক , ভোটার , বিবেকবান মানুষ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আদালত কে বলতে চাই এতগুলো মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে ডেসটিনি কে তার আপন গতি ফিরিয়ে দেয়া হোক। অবস্যই আইনগত প্রক্রিয়ায় ।
পুনশ্চঃ আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তার প্রমান ডেস্টিনি অনেকবারই দিয়ে এসেছে। যদি আসামিরা অপরাধী হয় তাহলে যে শাস্তি হয় তা দেয়া হোক। কিন্ত সাধারণ মানুষকে শাস্তি দিয়ে নয়। দেশের মানুষের ভাল মন্দ দেখার দায়িত্ব সরকারের ॥ আমরা ডেস্টিনির প্রতি সুবিচার আশা করি ফলাফল যাই ই হোক। ডেসটিনির জয় হোক। আল্লাহ হেফাজত করুন।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

