সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ডিয়াগোর অধিবাসী এরিক ও কার্লট
কফম্যান তাদের এক বছর আর তিন বছর বয়সী দুই মেয়েকে নিয়ে বেরিয়েছিলেন সমুদ্র ভ্রমণে। শুরু থেকে আবহাওয়া খারাপ থাকলেও তারা অনেক টা সাহস নিয়েই বেরিয়ে পরে। মূল ভূখন্ড
থেকে ৯০০ মাইল দূরে গিয়েই ছোট মেয়ে লিরা অসুস্থ হয়ে পরে। ছোট মানুষ ‘সি সিকনেস’ ভেবে দুশ্চিন্তা করেনি বাবা-মা। কিন্তু অবস্থা ক্রমশ খারাপের দিকেই যাচ্ছে। তাদের ৩৬ ফুট নৌকায় যে ওষুধ পত্র ছিল তাতেও কোন কাজ হচ্ছে না। মাঝ সমুদ্রে লিরাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পরে বাবা-মা। রেডিও সিগন্যাল পাঠানো হয় উদ্ধার করমীদের। উদ্ধার করমীদের ছোট জাহাজ নিয়ে লিরার কাছে দ্রুত পৌছানো সম্ভব হচ্ছিল না। তখনি এগিয়ে আসলেন প্রয়োজনীয় ওষুধ সহ রওণা দেয় মাল্টিমিলিয়ন ডলারের যুদ্ধজাহাজ - ইউএসএস ভ্যানডেগ্রিফট!!প্রতিকূল আবহাওয়ার
কারেনে এগুতে পারছে না। কিন্তু লিরার অবস্থা ক্রমেই অবণতি হচ্ছিল। বাধ্য হয়েই চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ হেলিকপ্টারে রওনা দেয়
হেলিকপ্টারের দল এবং কোন বিপদ ছারাই পরিবারটিকে নিরাপদ
আশ্রয়ে আনেন। লিরা এখন সুস্থ।।
মানুষ সবাই সমান। হোক সে আমেরিকার বা বাংলাদেশের। ঘটনাটি বলার কারণ আপনারা অবশ্যই জানেন। কদিন আগেই ১৪ বছর ধরে অরক্ষিত সেন্ট মারটিন দ্বীপের নীল জলরাশিতে হারিয়ে গেল।এ সম্পর্কে আর কিছু বলবো না। শুধু এটাই
জানি আমাদের জন্ম হয়েছে তাজা প্রাণের বিনিময়ে। তাই বোধহয় কোন চাওয়া পূরণ করতে হলে আগে প্রাণ ত্যাগ আবশ্যক।
কিন্তু আর কত প্রাণ দিতে হবে? নীতিনিরধারকদের বলতে চাই
এভাবে যদি প্রাণ দিয়ে দিয়ে দাবি, চাওয়া-পাওয়া আদায় করতে হয় তাহলে ভোট দেয়ার মত তো আর কাওকে খুঁজেইপাবেননা।
আল্লাহ আপনাদের শুভবুদ্ধির
ঝপি খুলেদিক। আমীন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

